আমার নিজের অবস্থ্ানটি একটু বলে নিতে চাই। আমি ধার্মিক নই, মানুষ ও প্রগতিশীলতায় বিশ্বাসী। ধর্ম কেউ গ্রহন করবে কি করবে না, তা একমাত্র সেই মানুষটির উপরই নির্ভর করে, এবং তা যে ধর্মই হোক না কেন।
আমি ব্যক্তিস্বাধীনতা, লেখকের স্বাধীনতা, তার চিন্তার স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। তারপরেও আমার বিশ্বাস, এই পরিমন্ডলে তাঁর লেখা নিয়মসিদ্ধতার সীমা অতিক্রম করেছে। এখানে অনেকে লিখছেন, যাদের বয়স 18 পেরোয় নি। তারা দেখছেন, শিখছেন- তাদের তরুণ্যে আমরাও প্রভাবিত হচ্ছি। ব্যক্তিস্বাধীনতা এতদুর যেতে পারে না, যা অন্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আমাদের গনতান্ত্রিক অধিকার সীমাহীন হলেও আমরা আমাদের বাবা-মা কে ভোটে নির্বাচন করবো না। মাসুদা সে সীমা অতিক্রম করেছেন ও পরিনামে কতৃপক্ষ বাধ্য হয়েছেন লেখাটি তুলে নিতে।
কোন গঠনমূলক বক্তব্য ছিলনা ভাট্টির লেখায়। এ লেখা প্রতিপক্ষকে উত্তেজিত করেছে, তাদের জন্যে উস্কানী হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের সীমাহীন রুচিহীনতাকে আরো বাড়িয়ে তোলার সুযোগ তৈরী করেছে। আমি ভাট্টি প্রগতিশীল অবস্থানকে সমর্থন করি বলেই তার এই লেখা লজ্জা দিয়েছে আরো। সেইসাথে মডারেটর কাছে আমার অনুরোধ ও দাবী, তারা যেন যেকোন নোংরা মন্তব্যকারীদের প্রতিও সেই কঠোরতার পরিচয় রাখেন, যা ভাট্টির বেলায় করেছেন।
পরিশেষে ভাট্টিকে একটি পরামর্শ। আপনি আপনার লেখাগুলো বই আকারে প্রকাশ করুন। সেখানে নিদেনপক্ষে লেখিকা হিসেবে আপনার স্বাধীনতা সীমাহীন। আপনার লেখার মুল্যমান বিচারের দায় তখন একটা সীমাবদ্ধ পরিমন্ডলে আবদ্ধ থাকবে। কিন্তু এখানকার পরিমন্ডলে আপনার ব্যক্তিস্বাধীনতা পরিশীলতার সীমা অতিক্রম করেছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



