কিন্তু এখানে অন্য কারণ। জার্মানীর দক্ষিণাংশে এবার যে তুষারপাত হয়েছে, সেকারনেই এ পরিস্থিতি। এত বেশী তুষারপাত গত কুিড় বছরের মাঝে কখনোই হয়নি। এ যেন ডুবে থাকা বরফের সমুদ্রে। এমনকি গাছপালাও এই বরফের ভার সইতে না পেরে ভেঙ্গে পড়ছে। সেজন্যে হাঁটাচলার সময়েও সাবধান হতে হচ্ছে। গাড়ী ডুবে আছে বরফে। বরফ সরিয়ে বের করার পরও রাস্তায় পিছলে যাচ্ছে চাকা। দূর্ঘটনার সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে উর্ধমুখী। অনেক বাড়ীর ছাদ পড়ছে ভেঙ্গে। ছাদের উপর দেড় মিটারে উঁচু বরফের চাপ। ফায়ার ব্রিগেট এসে সরাচ্ছে সে বরফ। কোন কোন এলাকায় জরুরী অবস্থা ঘোষনা করা হয়েছে।
তুষারপাত কমছে ধীরে ধীরে। দু'দিন পর তাপমাত্রা হিমাংকের উপরে উঠবে বলেছে আবহাওয়া দপ্তর। তখন বরফগলা জল বন্যা হয়ে ভাসাবে অনেক গ্রাম, অনেক শহর। সে বন্যা মোকাবেলা প্রস্তুতিও চলছে বেশ জোরে সোরেই।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



