আড্ডাবাজের "নগ্ন প্রগতিশীলতার ঝড়" পোষ্টটি আরেকবার পড়ার পর আমার নিজস্ব অনুভূতি:
মাসুদা ভাট্টির লেখায় যারা প্রতিবাদ করেছেন, তারা তিনটি ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে প্রতিবাদ করেছেন। সেগুলো হচ্ছে,
1) ধর্মীয় দৃষ্টিকোন
2) সাহিত্যে শ্লীলতা, অশ্লীলতার দৃষ্টিকোন
3) ব্লগে লেখাটির গঠনমূলক কার্যকারিতা।
আমার প্রতিবাদ ছিল 2 নম্বরকে ভিত্তি করে 3 নম্বর দৃষ্টিকোন থেকে।
প্রগতিশীলতার একক কোন অর্থ নেই। এটা আপেক্ষক। সময়, পরিস্থিতি, পরিবেশ, স্থান উপর নির্ভর করে তা পাল্টাতেও পারে। তবে তার গ্রাফ আলাদা আলাদা ক্ষেত্রে, আলাদা আলাদা উতস, আলাদা আলাদা গতিতে উর্ধমুখী। আমার এই মতের সাথে অনেকেরই মিল রয়েছে।
কিন্তু একটা দল এতটাই উন্মাদ যে, তারা কোন বিরুদ্ধ মতামতই সহ্য করতে চাইছেন না। তাদের চিন্তার অনেক প্রশ্নেই আমি তাদের সাথে একমত পোষন করি। কিন্তু তাদের উস্মাদনাকে নয়। তাদের এই উস্মাদনাতেও এক ধরনের মৌলবাদী উস্মাদনা হিসেবে দেখা যেতে পারে। শুধু এর উতপত্তি অন্য কোন থেকে। তাদের মতের বিপ েগেলেই রাজাকার, ভন্ড প্রগতিশীল ইত্যাদি আখ্যা দেয়া হয়। বলা হয়, কিছু কিছু ধর্মীয় খুলে পড়ার আশংকায় আমরা তাদের বিরোধিতা করছি।
তখন হতাশায় মাঝে মাঝে মনে হয় রাজাকারই হয়ে যাই। হয়তো অনেকেই হয় ।
কিন্তু, না, আমি তা হতে দিচ্ছি না। আমার চিন্তা গঠনমূলক বলেই আমার শক্তি বেশী। কিন্তু অন্য কারো বেলা যদি তার উল্টোটা হয়, তার দায়ভার অনেকটাই সেই দলের।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



