আরাফাত ভাই এর পোষ্টে বাউলগানের প্রতিবেদন পড়ে কেমন যেন হয়ে গেল মন। তাই এ পদ্যটি লিখে ফেললাম। পোষ্ট করার লোভও সামলাতে পারলাম না। আশা করি পড়বেন কেউ।
..................................................
উড়িয়া আসিল নারী, অতিব সুন্দর,
পাহাড়ে বসিয়া দেখে, ত্রৈলোক্য কন্দর -
বন্দরে বন্দরে নাও, যাত্রা সুশুমার,
সন্দেশ একটা লইয়া আসে ঢেউয়ের অবতার।
কন্দরের ভিটামাটি মন্দ চরাচর,
ত্রৈলোক্য কুলের নাতি, বিবাদ বরাবর -
অবতার বলেন নারী, শোন কথা মোর
বৈদেশে বিবাদ বালা , অতি ভয়ংকর।
সুন্দরী নারী বলে, আতি মনোহর
বৈদেশেতে যাইয়াই শুনি আসল বরাবর।
ময়ুরাপঙ্খীলা নাও, অতিশয় গতি
উচ্চ বেগে যাইল ছুটি লোকালয়ের প্রতি।
ঘাটে গিয়া থামল যবে, শেষ হইল বেলা,
ত্রৈলোক্য কন্দরের, আন্ধারেরই মেলা।
দিবস রজনী কাটে, কাটে সময় যত,
ত্রৈলোক্য কন্দরের ঘরে বিবাদ বাড়ে তত।
আকাশ কান্দে বাতাস কান্দে, কান্দে বনের পাখী,
নারী কান্দে নর কান্দে কান্দে বনের সখী।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



