একসময় এখানে অর্থনৈতিক মন্দা তীব্র হওয়ায় নানা ভাবে চেষ্টা করা হয় তুর্কীদেরকে দেশে ফেরানোর। নাজীদের আক্রমনের শিকার হন অনেকে। সমাজের ভেতরে তুর্কীবিরোধী মনোভাব তৈরী করা হয়। তাছাড়া পূর্ব ইউরোপ থেকে অনেকে আসেন জার্মনীতে। তারা ধর্মে ক্রীষ্টান হওয়ায়, তাদেরকে অগ্রধিকার দেয়া হয় বিভিন্ন জায়গায়। তুর্কীরাও সংবদ্ধ হয়ে এর প্রতিবাদ করেন ও নিজেদের অবস্থা শক্ত করতে সমর্ধ হন।
এখন বেশীরভাগ তুর্কীই মিউনিসিপালিটিতে কাজ করেন। সকালে ময়লার গাড়ী নিয়ে যারা বাড়ীতে বাড়ীতে ডাষ্টবীন খালি করেন, তাদের আশিভাগই তুর্কী। তাছাড়া বিভিন্ন বাড়ীতে বাড়ীতে, অফিস আদালতে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজেও তারা ন্যাস্ত রয়েছেন।
তুরস্ক রপ্তানীর প্রশ্নে জার্মানীর একটা বড় বাজারও বটে। যুদ্ধাস্ত্র থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক কিছুই রপ্তানী করা হয় তুরস্কে। তুরস্ক সরকার ইউরোপীয় ইউনিয়ানের সদস্য হতে চাইছেন। কিন্তু জার্মান ও কয়েকটি রাস্ট্রের বিরোধিতায় তা পিছিয়ে যাচ্ছে বারবার।
কিছুদিন আগে তুর্কী সরকার তাদের মুদ্রা লিরার নতুন সংস্করণ বাজারে ছাড়েন। ইওরোপীয়ান সাধারন মুদ্রা ইওরোর সাথে তার এতটা মিল অনেককেই অবাক করেছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



