......................
ইন্তেকাল ফরমাইয়াছেন জর্জ বুশ। তাহার সমস্ত কুকর্ম বিবেচনা করিয়া তাহাকে নরকে না পাঠানোর কোন উপায় খুঁজিয়া পাইলেন না ঈশ্বর। যেই কথা, সেই কাজ। বুশ সাহেব যখন নরকের দরজায় আসিলেন, নরকের জেলর সাহেব তাহার জন্য অধীর অপেক্ষায়। যতই অধম হউক না কেন, এমন একজন ক্ষমতাধর লোকের কাজ তো সাধারন কর্মচারী দিয়া চলে না।
যথোপযুক্ত সন্মান পদর্শন করার পর জেলর বললেন,
"বুশ সাহেব, নরকে তোমার মতো মানুষদের জন্যে তিনটা সেল আছে। তিনটাই আপতত: বোঝাই, তোমাকে তার ভিতর একটা বাছিয়া লইতে হইবে।"
বুশ সাহেবের তো রাজী না হওয়া ছাড়া কোন উপায় নাই।
দুইজনে মিলিয়া প্রথম সেলে গেলেন। বেশ বড় সেল। সেইখানে একটা স্রোতস্বিনী খাল। খালের উপরে একটা ওয়াটারগেইট। সাতার কাটিয়া সেই গেইট পার হওয়ার ব্যর্থ চেষ্টায় যুগ যুগ ধরিয়া রত নিক্সন সাহেব। দেখিয়াই বুশ সাহেব বলিলেন
"আমি সাতার ভাল জানিনা, সেইজন্য নিউ অরলিয়েন্সে তো মরিতেই বসিয়াছিলাম। আমি এখনে থাকিব না"
জেলর সাহেব বুশকে লইয়া পরের সেলে গেলেন। সেখানে দেখা গেল টনি ব্লেয়ার সাহেবকে। দেখা গেল তিনি হাতুড়ী দিয়া ইটের পর ইট ভাঙ্গিতেছেন। আর কোন লেবার নাই। ইটের পরিমান পাহাড় প্রমাণ, আরো ইট আসিতেছে। এইবার বুশ সাহেব বললেন,
"আমার ডান হাতে ব্যথা। ইরাক যুদ্ধের সময় পাইয়াছিলাম। ইট আমি ভাঙ্গিতে পারিব না।"
সুতরাং জেলর সাহেবকে পরের সেলে যাইতে হইল। সেই সেলের ভিতরে সুন্দর ধবধবে বিছানায় শায়িত কিনটন সাহেব জন্মদিনের পোষাকে। বিছানার নীচাংশে মনিকা লেভিনস্কি হোয়াইট হাউজের সময়ের মতই কিনটন সাহেবকে আনন্দ দানে ব্যাস্ত।
দেখিয়া মৃদু হাসি খেলিয়া গেল বুশ সাহেবের মুখে। চেহারায় প্রশান্তির ছাপ লাগিল। বলিলেন
"আমি এইখানেই থাকিব।"
জেলর সাহেব কাছে ডাকিলেন মনিকাকে। বলিলেন
"মনিকা, তোমার শাস্তির মেয়াদ শেষ। তুমি যাইতে পার। তবে যাইবার আগে বুশ সাহেবকে তোমার কাজকর্ম ভাল করিয়া বুঝাইয়া দিয়া যাইও।"
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



