কিন্তু তাদের দোষ ছিল কি? দেশের দক্ষিনপশ্চিমাংশে বন্যা হয়েছিল। বন্যার ত্রানসামগ্রী বিতরণ নিয়ে অসততা ও অব্যাবস্থা রিপোর্ট লিখেছিলেন তারা তাদের পত্রিকায়। আর এতেই নাখোশ হয়ে মন্ত্রীমহোদয় প্রকাশ্যে তাদের পেটানোর আহবান জানিয়েছিলেন।
মন্ত্রীমহোদয়ের এই উদ্দাত্ত আহবান বিফলে যায়নি। একদিন পরই সশস্ত্র আওয়ামী ক্যাডাররা সাতক্ষীরার প্রেসকাবে আক্রমণ চালায়। দৈনিক 'সাতক্ষীরা চিত্র' প্রধান সাংবাদিক আনিসুর রহিমের উপর দুইবার গুলি চালিয়ে মারাত্বকভাবে আহত করা হয় তাকে। অন্যান্য সাংবাদিকদের নির্মমভাবে পেটানো ও প্রেসকাবে ভাংচোর করা হয়।
এর আগে 20 শে অক্টোবরে আওয়ামী ক্যডাররা একই অভিযোগে দৈনিক লোকসমাজের রিপোর্টার সোহবাব হোসেনকে আক্রমণ করে। পুলিশ আক্রমণকারীদের একজনকে ধরলেও পরে আওয়ামী ক্যডারদের বিক্ষোভের মুখে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
এবছরের ষোলই এপ্রিলের ঘটনা তাই একক কোন ঘটনা নয়। এটা আমাদের দেশের রাজনীতি ও মতস্বাধীনতার সামপ্রতিক একটি চিত্র মাত্র। দেশে ক্ষমতাসীনদের চেহারা পাল্টেছে অনেকবার, কিন্তু তাদের বর্বরতা কখনোই সামান্যতমও পাল্টায়নি। এই ন্যাক্কারজনক চিত্র আমরা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছি ও প্রতিদিনই আরো বেশী প্রকটভাবে দেখতে বাধ্য হচ্ছি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




