পরিকল্পিতভাবে রেফারী, অন্যান্য দল ও খোলোয়াড়দেল ঘুষ দেয়া হয়েছে। এমনকি কিছু কিছ ধারাবর্ণনাকারীরাও ঘুষ নিয়েছেন। ইটালীর প্রাক্তন শিল্পপতি প্রধানমন্ত্রী বের্লুস্কোনির প্রভাবও এতে ছিল। বিখ্যাত গাড়ী কারখানা ফিয়াট এর কাব ইওভেন্টাস টুরিন। তাদেরও প্রতক্ষ সমর্থন ছিল এই ম্যানুপুলেশনে। এদের সবার বিরুদ্ধে কোর্টে অভিযোগ তোলা হয়েছে। জার্মানীর বিশ্বকাপ খেলা পরিচালনায় মাসিমো ডে সান্টিস নামে যে রেফারী দায়িত্ব পেয়েছেন, তার নামও এতে রয়েছে। টুরিন ও জাতীয় দলের গোলরক্ষক বুফনও এই তালিকায় রয়েছেন। ফুটবলের ইতিহাসে এত বড় স্ক্যান্ডাল আর কখনো ধরা পড়েনি। লুসিয়ানো মজি ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন।
মাফিয়ার কালো হাত ইটালী সবক্ষেত্রেই বিস্তারিত। এদের হাতেই নিয়ন্ত্রিত ইটালীর সব। তবে ফুটবলেও যে ওদের এতোটা প্রভাব, তা আগে জানা যায়নি। প্রতিটি খেলার আগে বড় বড় বাজী ধরা হয়। বাজীর পরিমানের উপর আগে থেকেই নির্ধারণ করা হয় খেলার ফলাফল। এ বাজী বিশ্বকাপ নিয়েও চলবে। হয়তো ইতিমধ্যেই নির্ধারিত, কে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন !
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



