
এদ্দিন- একটি বারের জন্য ও বাড়ির পথটা মাড়াইনি
অসূর্যম্পশ্যার গায়ে যদি এতটুকু অপ্রিয় আঁচড় লাগে!
বিলুপ্ত ব্যসনে বৈরাগ্য জীবন- অভ্যস্ত হয়েছি সেও প্রায় বছর খানেক হবে
ধূলি-তাপে গড়াগড়ি খাই মার্জিত পাপে
গলাধঃকরণ করেছি যত অনীপ্সিত নীল ব্যথা-লাল ব্যথা-হলুদ ব্যথা !
কুহেলিকায় ঢেকেছো তুমি নিজের মুখ; কি লজ্জা! সে যে কি ভীষণ লজ্জা!
কারে বলি! কিভাবে বলি!
এত সহজেই কি সংক্রামিত হয় জীবনের যত পাপ? কি জানি হয়তোবা হয়--
আমাদের কিন্তু একটা হিরন্ময় অধ্যায় ছিল
অধশ্চৌর যে সিঁধ কেটেছে অবেলায়! লোভিত শৈলীতে লীন হয়েছো, হতে পেরেছো! কেটে গেছে হয়তো মদিরাক্ষীর বুকে প্রণয়ের মদির রাত!
কি অভিধায় বলো অর্চনা করি তোমায়? বিমূঢ় হই, মিইয়ে যাই অবিমৃষ্য অভিসন্তাপে। সে কি নির্ভেজাল ক্ষোভে ক্ষোভে-
যবনিকা টেনেছিলাম আমাদের হিরন্ময় অধ্যায়ের!
তোমার আঙ্গিনা আবার সুশোভিত আজ; নীল বাতি-লাল বাতি –হলুদ বাতি
কেন জানি ওরা আমায় জিভ দেখায়!
বুকের ভেতর সেই নীল ব্যথা –লাল ব্যথা –হলুদ ব্যথা
অজান্তেই আবার সবুজ হয়ে ওঠল!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



