সাদেক হোসেন খোকার নির্বাচিত মেয়র মেয়াদ কাল কবে গত হয়েছে তা তা অনেকেই হয়ত এখন ইতিহাস ঘেঁটে বের করতে চাইবেন। আমাদের বর্তমান সরকার প্রায়ই একটা কথা বলে যে কোথাও কোন অনির্বাচিত প্রতিনিধি থাকবেনা। ঢাকা কে দুই ভাগ করে সরকার মনোনীত প্রতিনিধি দ্বারা এত দিন যে ছালান হোল উনারা কাদের দ্বারা নির্বাচিত ছিলেন তা আমরা প্রস্ন করতেই পারি? আসলে দেশ টা আজকে এক অদ্ভুত এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আর কিংকরতব্ব বিমুর অবস্থায় আছে বলে মনে হচ্ছে। হাজার অন্যায় অবিচার আর সামাজিক অবক্ষয় এখন আর আমাদের দলা দেয় না । জীবনের বাণিজ্যিক চাহিদা মেটাতে গিয়ে আমরা হয়ত দেশের প্রতি সমাজের প্রতি আমাদের দায় বদ্ধতা আর দায়িত্ব বোধের হিসাব টা গরমিল করে ফেলছি। বাংলাদেশ আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ আর তার উত্তরাধিকারী এখন একটি রাজনৈতিক গোত্রের পৈতৃক সম্পদে পরিনত হয়েছে। স্বাধীনতা এখন আর সার্বজনীন নয় বলেই মনে হয়। সত্যিকারের রনাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধারা নয় রাজনৈতিক মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে আজ দেশের কল কাঠী। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এখন ক্ষমতা আঁকড়ে থেকে দেশ গিলে খাওয়ার হাতিয়ার, বিরোধী মতকে দমনের অস্ত্র।
দেশে গত ৪ বছর যাবত একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের ইস্যু কে কেন্দ্র করে চলছে আন্দলন আর আন্দোলন দমনের নামে সরকারী নির্যাতন। এখানে একটি কথা পরিস্কার নয় যে সরকার আন্দোলনে থাকা জোটের বিরুদ্ধে জেশব অভিযোগ করছে টা কতোটা যুক্তি যুক্ত। সরকার জা বলবে তাই আম জনতা বিশ্বাস করবে এটা জর করে কুইনাইন খাইয়ে মিষ্টি বলে স্বীকারোক্তি আদায়ের মত।
বি এন পি রাজনৈতিক ভাবে ভুল সিদ্ধান্ত নিলে তার ফল শুধু বি এন পি নয় এর সকল নেতা কর্মী এবং বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক জনগন কেও মাশুল গুনতে হয়। তাই দলটি সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিবে এই টাই প্রত্যাশিত।
৫ই জানুয়ারি ২০১৪ এর পুরবে ৫ টি সিটি নির্বাচনে জেতার পর শেই সমস্ত মেয়র দের বর্তমান অবস্থা ত করুন। এর পরও নতুন করে দুতি নির্বাচনে গেলে বি এন পি রাজনৈতিক ভাবে কি লাভ করবে টা আমাদের বোধগম্য নয়। সরকারী দল আন্দোলন কে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য যে সরকারী মোয়া বি এন পি কে টোপ হিসাবে দিয়েছে টা বি এন পি গ্রহন করে থিক কাজ করেছে না ভুল করেছে টা আগামি ২৮ই এপ্রিল বুঝা যাবে।
বি এন পির অনেক শীর্ষ নেতারা যখন আন্দোলনে নীরব, সরকারের সাথে আঁতাত আর ধন শম্পদ রক্ষার জন্য আত্মগোপনে থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত তখন সম্পূর্ণ বৈরী পরিবেশে বি এন পি নেত্রী আপোষ হীন মনোভাব ধরে রাখলেও তার দলের নেতারা টা করতে সম্পূর্ণ বিফল হয়েছেন।
২৮ ই এপ্রিল সিটি নির্বাচনের ফলাফল ই বলে দেবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনিতি কন দিকে মোড় নিবে। তার পূর্বে এই টোপ নির্বাচনের আদ্যোপান্ত অবলকন করা ছাড়া কিছু করার আছে বলে মনে করছিনা ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


