somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

I strongly ‪#‎supportGAZA‬

২৫ শে জুলাই, ২০১৪ সকাল ১০:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আচ্ছা, ব্যাপারটা কি? আমি কি কিছু মিস করে গেলাম? হ্যাস ট্যাগ দিয়ে সবাই গাযাকে সাপোর্ট দিচ্ছে দেখলাম টাইম লাইনে। বিষয়টা কি? নতুন কিছু কি হয়েছে? আমি তো কিছুই জানতে পারলাম না! কেউ কি কিছু বলবেন? আমার খুব জানার ইচ্ছা যে কি হচ্ছে!

সবাই কি যুদ্ধে যাচ্ছে নাকি ইজরাইলের বিরুদ্ধে? ব্যাপারটা চিন্তা করেই উত্তেজনায় গায়ের সব লোম দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। কিভাবে যাচ্ছে? পায়ে হেঁটে না অন্য কোন উপায়ে? অস্ত্র? গোলাবারুদ? যুদ্ধ করলে তো অস্ত্র লাগবে। অস্ত্র পাচ্ছে কোথায়? অস্ত্র ছাড়াই কি সবাই যুদ্ধে চলে যাচ্ছে?

নাহ! কি পাগলের মতো কথাবার্তা! যুদ্ধে গেলে কেউ কি অস্ত্র ছাড়া যায়? নিশ্চয়ই কেউ না কেউ আমাদের অস্ত্র সাপ্লাই দিচ্ছে! আমার মনে হয় রাশিয়া। নাকি ইন্ডিয়া? এহ! ইন্ডিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র নিয়ে আমাদের যুদ্ধে যেতে হবে? অসম্ভব! তবে আমার ধারণা ভুলও হতে পারে! ক'দিন আগেই রাশিয়া ইজরাইলকে একটা কড়া ধমক দিয়েছিল। ওরা পাত্তা দেয় নাই। হু হু বাব্বা এখন? এখন কি করবি? ওস্তাদের মাইর শেষ রাতে দেখলি তো? এবার আর আমেরিকা-ইজরাইল পালানোর পথ পাবে না। এতো দিন একা একা খুব চোটপাট করেছে আমেরিকা। এবার ওদের মাস্তানি শেষ। সুপার পাওয়ার রাশিয়া ইজ দস ব্যাক ইন অ্যাকশন।

আচ্ছা, ইজরাইলের তো অনেক ফায়ার পাওয়ার, শুধু অস্ত্র নিলে তো হবে না। স্থল পথ এবং আকাশ পথে আক্রমণ করতে হবে ওদের। যুদ্ধ বিমান আর ট্যাঙ্কও লাগবে। আমি ভাই যুদ্ধে গেলে ট্যাঙ্কে করে যাবো। হাঁটতে আমার বড়ই কষ্ট লাগে।

ছি! কত নিচু মন মানসিকতা আমার! সবাই যেখানে নিজের জীবন হাতে নিয়ে যুদ্ধে চলে যাচ্ছে সেখানে আমি হাঁটা নিয়ে চিন্তিত! ছি! রায়ান ছি! তোর লজ্জা পাওয়া উচিৎ।

ওহ! গাযাবাসী তোমারা চেয়ে দেখ। বাংলাদেশের রাস্তায় রাস্তায় তোমাদের জন্য বিক্ষোভ হচ্ছে, স্লোগান দিচ্ছে সাধারণ মানুষ! সারা পৃথিবীর মানুষ যা করেনি সেটা আমরা বাঙ্গালিরা করে দেখিয়েছি। অবশেষে আমরা বিশ্বকে দেখিয়ে দিতে পেরেছি যে আমরাই সেরা! বাংলাদেশের সেনাবাহিনী ইতিমধ্যে সারা বিশ্বে শান্তি রক্ষায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। এখন সেটা বাংলাদেশের জনগনের করে দেখানোর পালা।

আমার মনে হয় রাজাকারের বিচারের ঝামেলাটা গাযা থেকে ফিরে এসেই সমাধান করলে ভালো হবে। যুদ্ধ অনেক সিরিয়াস একটা ব্যাপার। এর মধ্যে রাজাকার ফাজাকার টেনে আনার মানে হয় না। ত্বকি হত্যার বিচারটাও তো মনে হয় আমরা করতে পারলাম না। থাক। ওটাও মাইনর একটা প্রবলেম। ওটার কথা এই মুহূর্তে না ভাবলেও চলবে। শামিম ওসমান সাহেব ও কি যুদ্ধে যাচ্ছেন? অসাম লোক। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে শেলটার দেয়! চিন্তা করা যায়? এর সাথে ঝামেলা না করাই ভালো। থাক বাবা, ত্বকির ব্যাপারটা চাপা পড়েই থাক ভাই। বুড়িগঙ্গা নদীটা ওই নারায়ণগঞ্জেই। মাছের আধার হওয়ার কোন ইচ্ছা আমার নাই।

আচ্ছা, আমি কি ধরণের অস্ত্র নেব সাথে করে? একে-৪৭ কালাশনিকভ? ওয়াও! নামটাই ভাবের। আর এটার পারফর্মেন্সও ভালো। “কল অফ ডিউটি” গেমটা খেলার সময় আমি সব সময় কালশ্নিকভই ব্যবহার করতাম। গুলি পেতে সুবিধা হয়। তাছাড়া রিলোড করতেও সুবিধা। রিলোড করার সময় কি যে যেন একটা ঠুং করে ছুটে যায়। ভাবই আলাদা। সাথে করে কয়টা গ্রেনেডও রাখতে হবে। কখন কাজে লাগে বলা তো যায় না! শুনেছিলাম আর্জেস না কারা যেন গ্রেনেড বানায়। ওটাও কি রাশিয়ান নাকি? হওয়ারই কথা। অ্যাটলিস্ট ইন্ডিয়ান না হলেই ভালো।

আচ্ছা, সাগর-রুনির ঝামেলাটাও বোধহয় এখনো শেষ হয় নাই, তাই না? আমি আবার পেপার পত্রিকা তেমন একটা পড়ি না তো, তাই সব সময় আপডেট নিউজটা থাকে না। বেচারাদের ঘরের ভেতর এভাবে কুপিয়ে কুপিয়ে মেরে রেখে গেল! সেজন্যই একটু খারাপ লাগে। ছোট্ট একটা ছেলেও আছে মেঘ না কি যেন নাম। এই অল্প বয়সে এতিম হয়ে গেল! আহারে!

অসুবিধা নাই। গাযা থেকে ফিরেই এর একটা ব্যবস্থা করতে হবে। আগে ইজরাইলরে একটু সাইজ করে নেই। খুব বাড়ছে ওরা!
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুলাই, ২০১৪ সকাল ১০:১৯
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার বেঁচে থাকাই তাদের ভয়ের কারণ॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫১





শেখ হাসিনার বেঁচে থাকা নিয়ে আক্ষেপ কেন? একটি রাজনৈতিক সমীকরণের বিশ্লেষণ

সম্প্রতি তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদুর রহমানের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়েছে - "শেখ হাসিনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×