somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিজি অ্যাট পিজি

২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ১০:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২১-৮-১৪
স্থান: পিজি হাসপাতাল, হেপাটোলজি বিভাগ।

জন্ডিসের রিপোর্ট আর আমার কটকটে হলুদ চোখ দেখে ডাক্তাররা আমাকে ইমিডিয়েটলি হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য উপদেশ দিলেন। ডাক্তারদের তাগিদ দেখে আমাদের বাসার লোকজনও ভয় খেয়ে গেল। তারা আমাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার জন্য চাপাচাপি করতে লাগলো।
কিন্তু সমস্যা হল আমি হাসপাতাল একেবারেই পছন্দ করি না। নিজের অসুস্থতার কারণের হাসপাতালে ভর্তি হওয়াটা আমার জন্য রীতিমত লোমহর্ষক একটা ব্যাপার। যেখানে পারতপক্ষে সৌজন্যের খাতিরেও আমি হাসপাতালে অসুস্থ রোগী দেখতে যাই না সেখানে সামান্য জন্ডিসের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোন মানে আমি খুঁজে পেলাম না। এক ক্যান্সার অথবা মুমুর্ষ রোগী ছাড়া আমার মতে হাসপাতালে কেউ ভর্তি হয় না। আর আমি যেহেতু এই দুই ক্যাটাগরির কোনটাতেই পরি না সেক্ষেত্রে আমি আমার অবস্থানে অটল থাকলাম, হাসপাতালে আমি ভর্তি হব না।
একটা ব্যাপারটা অনেকেই জানে না। শেষ যেবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলাম সেবার আমার অবস্থা খারাপ। ইউনিভার্সিটিতে মাস্তানি করতে গিয়ে আমি আর অন্তু একবার চূড়ান্ত মার খেলাম। মাথা টাথা ফেটে সারা শরীর রক্তে ভেসে একাকার। কোন রকমে জান হাতে নিয়ে সেবার পালিয়েছি। মাথা দিয়ে ফিনকি দিয়ে রক্ত পড়ছে, এর মধ্যে শুনলাম অন্তুকে নাকি মারতে মারতে কোথায় নিয়ে গেছে, খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কথা শুনে আমার মাথা খারাপ হয়ে গেল। আমি ওই অবস্থাতেই অন্তুকে উদ্ধার করতে রওনা দিয়েছিলাম। কিন্তু আমার সাথের বন্ধুরা আমাকে জাপটে ধরে এ্যাম্বুলেন্সে তুলে একটা ক্লিনিকে নিয়ে গেল। ওখানে পৌঁছে আয়নায় নিজের চেহারা দেখে ওই অবস্থাতেই হাসলাম। অনেক সাহস ছিল তখন। ওরা যে আমাকে মেরে ফেলতে পারেনি সেই খুশিতেই হেসেছিলাম। লোকজন সাধেই আমাকে সাইকো ডাকতো না।
সেই ক্লিনিকে আমার মাথার যেখানে চামড়া কেটে রক্ত ঝরছিল সেখানে চেতনা নাশক কোন কিছু না দিয়েই এক লোক ঘস ঘস করে একটা ব্লেড দিয়ে মাথার চুল কামিয়ে দিল। ব্যথায় আমার পিলে চমকে গিয়েছিল। ওর মধ্যেই দেখলাম সবাই অন্তুকে ধরে বেঁধে নিয়ে এসেছে। ওর অবস্থা আরও করুন। সারা মুখ থেঁতলানো। ফুলে গেছে এখানে ওখানে। এতো রাতে সেই ক্লিনিকে ডাক্তার ছিল না। ফলে কোন রকমে গজ ব্যান্ডেজ দিয়েই আমাদের ছেড়ে দেয়া হল। বলা হল মেডিকেল নিয়ে হবে। হেড ইনজুরি, এখানে চিকিৎসা দেয়া ঠিক হবে না।
রাতের বেলাতেই আমাদের চিটাগাং মেডিকেলে ভর্তি করা হল। সেখানে অ্যানেস্থেসিয়া না দিয়েই মাথার কাটা ওয়াস করা হল। সে যে কি রকম ব্যথার অনুভূতি সেটা বলে বোঝানো যাবে না। ওয়াস করার পর সেই অবস্থাতেই ডাক্তার সেলাই করে দিল। ব্যথায় আমার অবস্থা ততোক্ষণে ত্রাহি বৃন্দাবন।
যাক, সেসব অনেক পুরনো কথা। বর্তমানে ফিরে আসি।
এর মধ্যে একজন ডাক্তার বললেন রিপোর্টগুলো নিয়ে ডাক্তার সেলিমুর রহমানকে দেখাতে। উনি পিজির হেপাটোলজির হেড। লিভার বিশেষজ্ঞ। আর আমার লিভারের রিপোর্টগুলোই যেহেতু খারাপ আসছে সেহেতু তার মাধ্যমেই চিকিৎসা নেয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। আমিও সায় দিতে বাধ্য হলাম যে উনি যদি বলেন হাসপাতাল তাহলে আমার আর কিছু বলার নেই।
প্রফেসর সেলিমুর রহমান যেহেতু পিজিতে বসেন সেহেতু সরাসরি পিজিতে গিয়েই তাকে ধরার প্ল্যান করা হল। বড় বড় ডাক্তারদের যে এভাবে ধরা যায় না সেটা আমরা পরে বুঝেছিলাম।
আমরা সকাল সকাল পিজির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে দিলাম। মাঝে কয়দিন বৃষ্টি হয়ে আকাশ পরিষ্কার করে দিয়ে গেছে। বাইরে বের হয়ে দেখলাম চমৎকার রোদ উঠেছে।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর আমাকে বসিয়ে রেখে ইলা এখানে ওখানে ছোটাছুটি শুরু করে দিল। আমি বসে বসে দেখছি। বেচারি। মনে হয় আমার অবস্থা দেখে ভয় পেয়ে গেছে। ভয় পাওয়ারই কথা। কারণ এমনিতে আমার স্বাস্থ্য খানিকটা ভেঙ্গে গেছে। গাল বসে গিয়েছে। আর চোয়ালের হাড় উঁচু হয়ে চেহারা হয়েছে নেশাখোরের মতো। শুধু তাই না হাই বিলুরুবিনের কারণে আমার গায়ের রং হয়েছে আফ্রিকান ডাইনীদের মতো, তার সাথে চুল দাঁড়ি না কাটায় আলাদা একটা সাইড ইফেক্ট এসেছে। কষ্ট করে শুধু আমার কাঁধে একটা আজদাহা সাপ ঝুলিয়ে দিলেই আমাকে যে কোন মন্দিরে কালীমূর্তির পাশে বসিয়ে রাখা যাবে। পূজারীরা কালীকে দেখে ভয় না পেলেও আমাকে দেখে পিলে চমকে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমাকে শুধু পূজারির দিকে তাকিয়ে দাঁত বের করে একটা হাসি দিতে হবে। ভয়ে ব্যাটা নেংটি খুলে পালাবে। হা হা হা। তার মধ্যে পিজিতে আসার সময় আমার কটকটে হলুদ চোখ ঢাকার জন্য ঢাউস একটা সানগ্লাস পড়ে এসেছি। ভাগ্যিস আয়নায় নিজের চেহারা দেখি নাই সেদিন। নিজের চেহারা দেখে ভিমড়ি খেয়ে পড়ার সমূহ সম্ভাবনা ছিল।
যাই হোক, এক সময় সেলিমুর রহমানকে পাওয়া গেল। ভদ্রলোক মহা ব্যস্ত। রিপোর্টগুলো তিনি তার জুনিয়রের হাতে দিয়ে বললেন দেখে দিতে। বলেই ছুটে বেড়িয়ে গেল। সেই জুনিয়র ডাক্তার আমাকে দেখে একই কথা বললেন, হাসপাতালে সিট পেলে ভর্তি হয়ে যান। আমি মাথা নেড়ে বললাম, কাভি নেহি। আমি ঠিক আছি। হাসপাতালে কেন ভর্তি হব?
ইলা আমার কথা অগ্রাহ্য করে সেদিনই হাসপাতালের একটা কেবিন ম্যানেজ করার জন্য আবার দৌড়াদৌড়ি শুরু করল। আমি একা একা ওয়েটিং রুমে বসে আছি। এমন সময় দুই পাঙ্কু এসে আমার পাশে বসলো। গায়ে স্কিন টাইট গেঞ্জি আর চকরা-বকরা জিনস। একজনের এক কানে আবার দুল ঝুলছে। দুই জনের মাথার চুলে দুই রকম ডিজাইন। মাথার চুলের এইটা কোন ডিজাইন আমি বুঝতে পারলাম না। সম্ভবত টর্নেডো স্টাইল। দূর থেকে দেখলে মনে হবে মাথার উপর দিয়ে ছোটখাটো টর্নেডো বয়ে গেছে। দুই দোস্ত খানিকক্ষণ ফুসুর ফুসুর আলাপ আর মোবাইল টেপাটেপির করল। তারপর উশখুশ করতে করতে তাদের নজর পড়লো আমার উপর। আমাকে দেখেই উৎসাহে তাদের চোখ জ্বল জ্বল করে উঠলো। বেচারাদের সময় কাটছিল না।
“ভাইজান কি গায়ে হলুদ মাখসেন?”
“হ্যাঁ ভাই। যেন তেন হলুদ না। আসামের মিরিঙ্গা হলুদ। কবিরাজি ক্ষমতা আছে।”
দুই বন্ধু একে অপরের দিকে বিস্ময়ের দৃষ্টিতে তাকাল। এরা সম্ভবত মিরিঙ্গা হলুদের নাম শোনেনি।
একজন আমার কাছে ঘেঁসে ফিসফিস করে বলল, “কবিরাজি ক্ষমতা?...মানে কাজটা কি?”
আমি তখন সানগ্লাস খুলিনি। সেই অবস্থাতেই ছেলেটার দিকে তাকিয়ে ইঙ্গিতপুর্ন একটা হাসি দিলাম।
ছেলেটা দুইটা কি বুঝলো কে জানে! তবে তাদের চেহারায় তেলতেলে একটা হাসি ফুটে উঠলো।
একজন আবার আমার কানের কাছে মুখ এনে বলল, “ভাই, কাজ হয়?”
আমিও ফিসফিসিয়ে বললাম, “কাজ নাহলে কেউ এই রকম হলুদ চেহারা নিয়ে রাস্তায় বের হয়? বোঝেন না?”
“তাও একটা কথা।”
“ভাই, ঠিকানাটা কি পাওয়া যাবে?”
আমি আবারো হাসি দিলাম।
“আপনার দরকার?”
ছেলে দুইটার মধ্যে দুলওয়ালা এতক্ষণ কথা বলেনি। লাজুক মুখে বলল,
“মাঝে মাঝে একটু সমস্যা হয় ভাই।”
“তাহলে তো সমস্যা।”
“হ্যাঁ ভাই। সমস্যা।”
“কিন্তু বছরের এই সময় তো সাধু বাবারে পাওয়া যাবে না।”
দুই বন্ধুর চেহারা নিমিষেই কালো হয়ে গেল। দুই জন এক সাথে বলল, “তাহলে উপায়?”
“কিচ্ছু করার নাই। সাধু বাবার মোবাইল নাই। তার কোন ঠিকানাও নাই।”
“আপনি উনার খোঁজ পাইলেন কিভাবে?”
“দরকার হইলে খোঁজ এমনিতেই পাওয়া যায়।”
“সেইটা অবশ্য ঠিক।” দুই বন্ধু এক সাথে মাথা নাড়ে। সাথে একটা দীর্ঘশ্বাস।
“আমি আপনাদের একটা বুদ্ধি দেই।”
“বলেন ভাই, বলেন।”
“সাধু বাবাকে বছরে মাত্র একবার পাওয়া যায়। তাও সেই শবে কদরের রাতে। শবে কদরের রাতে উনি মিরপুরের মাজারে আসেন। সাথে উনার জড়িবুটির ওষুধ নিয়ে আসেন। মাথায় জটা আর গেরুয়া পোশাক দেখে তাকে সহজেই চেনা যায়। সারা রাত মাজারের বাইরে বসে হিন্দিতে কি সব বলে বলে ওষুধ বিক্রি করেন। পরদিন তাকে আর কোথাও পাওয়া যায় না। কোথায় যেন চলে যান। উনাকে আবার সেই পরের বছর, আবার সেই সবে কদরের রাতে পাওয়া যায়। এর মধ্যে উনাকে পাওয়ার আর কোন চান্স নাই।”
“মিরপুর মাজারে? ওইখানে তো সব ধান্দাবাজের আখড়া।”
“এইটাই লোকে ভুল করে। সবাইকে এক ভাবে দেখা ঠিক না। লোকে বিশ্বাস করে দুই নম্বরিদের। আর ঠক খায়। খুবই আফসোসের কথা।”
দুই বন্ধু আবারো সম্মতিতে মাথা ঝাঁকায়।
“তাহলে তো ভাই ম্যালা দিন অপেক্ষা করতে হবে।”
“তা তো করতেই হবে। উপায় নাই। সবুরে মেওয়া ফলে।”
“তাহলে ভাই আজকে আসি। আপনার সাথে কথা বলে খুব ভালো লাগলো। আমরা দুই দোস্ত জনি আর রাহাত। গেন্ডারিয়া থাকি। ওইদিকে আসলে দেখা কইরেন। খুশী হমু। ফোন নাম্বারটা রাখেন।”
“আমার কাছে তো মোবাইল নাই। মোবাইল সাথে রাখা নিষেধ আছে।” আমার সাথে আসলেই মোবাইল ছিল না। আমি বললাম, “থাক ভাই। নাম্বার রাখার দরকার নাই। আল্লাহ চাইলে এমনিতেই দেখা হয়ে যাবে।”
“ঠিকই বলসেন ভাই।” দুই জনের মুখেই হাসি।
হ্যান্ড শেক করে দুই বন্ধু যেভাবে এসেছিল সেভাবেই ল্যাংচাতে ল্যাংচাতে চলে গেল।
এরপর আসলেন নেতাজী। নেতাজীর সাথে অসুস্থ হওয়ার পর এই প্রথম দেখা। ইলা আসার আগে হাসপাতালে ভর্তি, ডাক্তার দেখানো নিয়ে অনেক গোপন কথা হল। কথা বলতে বলতেই ইলা চলে আসলো।
আল্লাহর অশেষ রহমতে ইলার সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে সেদিন আর কেবিন পাওয়া গেল না। আমি ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে এলাম।
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এইচ এস সি রেজাল্ট ২০২৬ -ঢাকা বোর্ড

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৯

খুব অদ্ভুত ব্যাপার। আমাদের সময়ে চলে এলো নাকি? সেই চার দশক আগের মতন !
যা তথ্য পেলামঃ

In the 2026 HSC examinations, a total of 297,621 candidates appeared... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেখে শূন্য চাকত

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২


কেমন করে সাজাও তুমি?
কলমের সাথে- খাতার প্রেম,
মাটির সাথে মৃত্যুর লাশ,
ঘাসের গায়ে ঘাসফড়িংর কাশ।
শেষ বিকালে ভাবনার সাথে
চিন্তার হয় রে অবকাশ-
সবিই যেনো শূন্যে প্রেমে আশ
হাত গুটানো-জীবনের নাশ;
বাস্তবতার হয় নির্দয় স্বার্থপর
সময়ের শুধুই... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের হ্যালোইন উদযাপন

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩


আজ ছিল হ্যালোইন। এই উৎসব ফসল কাটার মৌসুমের শেষ ও শীতের শুরু - এই উপলক্ষে হলেও বছরের এ সময়ে কানাডায় ঠান্ডা পড়ে যায়। তবে আজ আবহাওয়া ছিল ভালো। সারাদিন রোদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫



সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

ফরাসি ভাষায় বহুল প্রচলিত একটি বাক্য- Cherchez la femme। অর্থাৎ, ‘সেই মেয়েটিকে খোঁজ’।

ফরাসি লেখক আলেকজান্ডার ডুমা (Alexandre Dumas) ১৮৫৪ সালে তাঁর উপন্যাস Les Mohicans de Paris-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দারিদ্র্য কি মানুষকে মহান করে তোলে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬


হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাদেশের শেষ জনপ্রিয় লেখক। তিনি ছিলেন একাধারে একজন গুণী লেখক ও নাট্যনির্মাতা। হুমায়ূন আহমেদ সমুদ্রবিলাস নামে একটি নাটক নির্মাণ করেছিলেন। সেখানে একজন শিক্ষক ছিলেন, নাম চ্যালেঞ্জার। তাঁর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×