উই পোকা যেমন মরার আগে খুব জগ্রত হয়, আমাদের চেতনা ও তেমনি মাঝে মাঝে প্রবলভাবে জাগে ওঠে... ফেসবুকে মাথা কাটা ,গলা কাটা শিশুর ছবিসহ জ্বালাময়ী স্ট্যাটাস দেওয়া, লাইক দিয়ে একটা ক্রাইং "ইমো" দিয়ে কমেন্ট করা “Allah, please save them” যেন আল্লাহ তা’য়ালা সারাদিন শুধু ফেসবুকেই বসে আছে।... এরপর শত খানেক ইভেন্ট খোলা, গোইং দেওয়া, মাঝে মাঝে কিছু জ্বালাময়ী স্ট্যাটাস দিয়ে ইসরাইলী পন্যের গুষ্টি উদ্ধার করা... কেউ কেউ তো আবার শপিং মলের এসির মধ্যে বসেই আপলোড দিচ্ছেন কোমল শিশুর গালা কাটা ছবি... এর রেশ দুই একদিন চলার পর কেন আর্জেন্টিনাকে জড়িমানা করা হল তার বিচার বিশ্লেষন, আর্জেন্টিনা বা জার্মানীর বিশ্বকাপ জয়ের উল্লাস, তারপর ঈদের শপিং এর উল্লাস। তারপর ঈদের উল্লাস। এরপর গত ৭০ বছর ধরে চলা হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদ আল্টিমেটলি জিরো ই থাকবে...
---
এর মাঝে থেকে চেতনা ফুরিয়ে গেলে ঈদের ভুড়িভোজ শেষে সমানে চলবে Coca cola, Pepsi উৎসব... সত্যি বলতে আমরা এখানে থেকে কিছুই করতে পারব না । যাদের কিছু করার কথা তারাই চুপ।... মিশর, ইরান, সৌদিআরব, সিরিয়া, জর্দান, লেবাননের মত দেশ, যারা একাই পারে পুরো ইসরাইল কে মাটিতে গুড়িয়ে দিতে। তারা কিছু করবে না। তারা ইসরাইলের তেলে ডুবে আমেরিকার মাছ গিলছে...
---
ফেসবুকে হায়হুতাশ করে কোন কিছুই হবে না।... একটা শিশুর মাথায় বোম কম পরবে না।... আর ইসরাইলী পন্য বর্জন করে ও একটা চুল ও ছেড়া যাবে না ওদের। কারন আমাদের চেতনার আয়ু ৭ দিন। ...যেমন সাকিবের চেতনার মৃত্যু ঘটেছে ইতিমধ্যে, এটা ও তাই হবে। যা করতে হবে মধ্যপ্রাচের দেশগুলোকেই। আমরা জায়নামাজে বসে তাদের জন্য বড়জোর নামাজ পড়ে দোয়া করতে পারি... “ আল্লাহ ফিলিস্তিনবাসীদের রক্ষা করো”।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




