
তুমি বলেছিলে,‘আমি যদি তোমাকে ভালবাসি, তুমি আমাকে কি দিবে?’
আমি বলেছিলাম,‘আকাশ দেবো, তুমি যতটুকু আকাশ দেখো ঠিক ততটুকু কিংবা তার চাইতে ও বেশি।’
তুমি হেসে হয়েছিলে কুটিকুটি। বলেছিলে,‘ওমা! আকাশ কেউ কাউকে দেয় নাকি?’
‘তুমি ভেবেছিলে কখনো কাউকে আকাশ দেবার কথা?’ বলেছিলাম আমি।
তুমি অবাক হয়েছিলে কিংবা মুগ্ধ।।
সন্ধার বাতাসে গা ভাসিয়ে চরম পরিতৃপ্তির ঢেকুর তুলে নীড়ে ফিরছিলো ধবল বকের সারি। পূর্নিমার চাঁদের মতো চোখ মেলে তুমি দেখালে আমায়। বললে,‘ঐ পাখিদের মালিকানাও কি তোমার? দেবে আমাকে?’
আমি তখন একেবারে দাতা কর্ণ; অথবা গৌরিসেন।
বললাম, ‘শুধু পাখি কেন? পাখিদের উড়ার মূহুর্তটুকুও তোমার, তাদের ডানা ঝাপটানোর ছন্দ, প্রতিটা পাখির বুকে জমে থাকা আগামীর উষ্ণতা, সবি তোমার, তোমাকে দিলাম।’
তুমি হয়ে গেলে নিশ্চুপ কিংবা নির্বাক।
তোমার নির্জনতায় অবাক হয়ে অগনিত ঝিঁ ঝিঁ পোকা শুরু করল হাঁকডাক। তাদের সে সপ্তমসুরে অনাদিকাল ধরে আমার যে সুর হয়েছিলো বেসুর তা আজ ঠাঁই পেলো সুরের সুরভিতলে।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


