অনেককে দুঃখ করতে শুনি এই বলে, আমার কোন ব্যাকগ্রাউন্ড নেই; অথবা আমার ব্যাকগ্রাউন্ড খারাপ। তারা এই ব্যাকগ্রাউন্ড দ্বারা বুঝাতে চাচ্ছেন, তাদের মামা-চাচার জোর।
ছেলে রাজনীতি করবে। কিন্তু রাজনীতিতে ভাল করছে না। দোষ কার? দোষ হল ব্যাকগ্রাউন্ড। মামা-চাচা নেই।
বড় চাকুরী করবে। হচ্ছেনা, দোষ কার? দোষ তাও মামা-চাচার।
ব্যবসায়ী হবে। তাও মামা-চাচার জোর নেই। কিছুতেই কিছু হচ্ছে না।
ব্যাকগ্রাউন্ড খারাপ। হতাশার ষোলকলা পরিপূর্ন।
সত্যিই কি তাই?
মামা-চাচা ছাড়া কিছু হবে না?
এটা ঠিক নয়।
আসলে মানুষের চিন্তাশক্তিই তার ব্যাকগ্রাউন্ড।
কথায় বলে, প্রত্যেকটি মানুষ তার চিন্তার সমান বড়। অর্থাৎ আপনি ততটাই বড় মানুষ যতটা আপনি চিন্তা করতে পারেন।
আইনস্টাইন তথা বিখ্যাত মানুষগুলো তাদের চিন্তার শক্তিই দ্বারাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।
মেয়র আনিসুল হক যখন জীবনের জার্নি শুরু করেন তখন তাঁর ব্যাকগ্রাউন্ড কি ছিল?
এরকম শতশত উদাহরন বিদ্যমান আছে।
শুধু ইতিবাচক চিন্তাশক্তি; আত্মবিশ্বাস। এটাই ব্যাকগ্রাউন্ড। যার এগুলো নেই তার কোন ব্যাকগ্রাউন্ড নেই। দোষটা নিজের। কারন ব্যাকগ্রাউন্ড নিজেকে তৈরী করে নিতে হয়।
তাই ইতিবাচক চিন্তাশক্তির উন্নয়ন করুন। ব্যাকগ্রাউন্ড শক্ত করুন।
স্বপ্ন দেখুন। নিজকে স্বপ্নের যোগ্য করে তুলুন।
পরিশেষে আপনার সন্তানের যত্ন নিন।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



