দেশের সব থেকে জনপ্রিয়,সব থেকে বেশি পুরস্কৃত ও সম্মানিত ব্যক্তিটাকে দেশের সরকারে বসিয়ে দিন । দেখবেন ১ সপ্তাহের মাঝে তার সমালোচনা করা লোকের অভাব হবে না । তাই বোধয় মেন্ডেলা ক্ষমতায় বসতই চাইনি । ১৯৭২ থেকে ৭৫ এ বঙ্গবন্ধুর সাথে এটাই হয়েছিল । এটার জন্য কারও উপর ক্ষোভ ঝাড়ার কিছু নেই । অবশ্য আমাদের দেশে কখনো কখনো এটা তোলা হয় অন্যকে বিব্রত করতে,যেমন জাসদকে । তাই বোধয় বঙ্গবন্ধুর দল ১৯৭২ থেকে ৭৫ এর অনেক সমালোচনা করি নেতাকেই এখনো শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করে । বর্তমানের সুচির অবস্থা দেখে এটা মনে পড়লো । আসলে কতোটুকু ক্ষমতা আছে সুচির হাতে এটা একটা বড় প্রশ্ন । আমার মনে হয় ক্ষমতাটা একটা চাকুরির মত,অনেক শর্ত থাকে এই চাকুরি করার আর চাকুরি ঠিক ভাবে শেষ করে অবসরে যাওয়াটাই সবার লক্ষ হওয়া উচিত । তাই সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়েই এগুতে হয় । এটাই নিয়ম । সুতরাং সুচির দোষ ধরবার তেমন কিছু নেই । সুচিকে রাষ্ট্রপ্রধান না করে পররাষ্ট্রে দায়ীত্ব দেয়া হয় অনেকটা মিয়ানরমার সেনাবাহিনীর কলকাটি নাড়ার করনেই । খুব সম্ভবত মিয়ানরমার ভেঙ্গে পড়া পররাষ্ট্রনীতিকে সুচির আর্ন্তজাতিক যোগাযোগ দিয়ে চাঙ্গা করার জন্য । যদি এটা সত্যি হয় তাহলে এটা ঠিক হয়ে গেলেই মিয়ানমারে আমরা আবার সামরিক শাসন দেখতে পাবো । তাই মিয়ানমার রাজনীতিবিদের উচিত দেশের ভেতরের সামরিক শাসন বিরোধী সংস্কার শুরু করা ।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ২:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



