মানুষের মনুষ্যত্ব নিয়ে মাঝে মাঝে আমাদের অনেককেই প্রস্ন তুলতে হয়। প্রস্ন চলে আসে মনুষ্যত্ব বলতে আমরা কি বুঝি। আসলেই কি আমরা মনুষ্যত্ব নামক জিনিসটার চর্চা করতে পারি?
হঠাৎ এই কথাগুলো পড়ে হয়তো সবার চোখ ছানাবড়া হয়ে যাবে। কিন্তু মনুষ্যত্ব নিয়ে কথা বললে তো আর প্রমাণ ছাড়া কিছু বলা যাবে না। এবার আসল ঘটনায় আসি।
গত শুক্রবার বিকালে (১৬-১০-১৫) আমি আর আমার বন্ধু একটা ভিড় দেখতে পেলাম। দেখতে পেলাম। কৌতূহলবশতঃ সেটা দেখার জন্য গেলাম। একটি ছোট শিশুকে দেখা গেল বাটি হাতে। শিশুটির নিষ্পাপ মুখের দিকে তাকিয়ে অনেকেই বাটিতে ছুড়ে দিচ্ছেন ২, ৫ বা ১০ টাকা। সেও টাকাগুলো ভালোভাবে তার পায়ের আঙ্গুলে গুছিয়ে রাখছে। শিশুটির আশেপাশে তার অভিভাবক বলতে কেউ ছিলনা। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ছবিতে আপনারা যাকে দেখতে পাচ্ছেন-

এরকম বয়সের একটি শিশু কিভাবে টাকা গুছিয়ে রাখে? অবশ্যই শিশুটিকে দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত চেষ্টা করা হচ্ছে। এর ফলে সে এ কাজটি করতে পারছে। কিন্তু শিশুটি কিছুই জানে না। আরেকটি প্রশ্ন হতে পারে- এই টাকা কোথায় যাবে, কে নিবে? প্রশ্ন হওয়াটাই যৌক্তিক। কারন কোন অভিভাবক আমরা পাই নি। এর সঠিক উত্তর আমরা দিতে পারব না হয়তো। এর উত্তর পেতে হলে কয়েকদিন গবেষণা করতে হবে।

আমাদের দেশের দারিদ্র্যতা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে। অথচ এখনও এগুলো দেখা যায়। কে জানে সারা দেশে এরকম কতজন আছে?
এতে কি আমাদের মানবাধিকার প্রশ্নবিদ্ধ হয় না?
ও….ও আরেকটি কথা। আপনারা শিশুটির হাতে সবুজ রঙের কিছু দেখতে পাচ্ছেন হয়তো। ঐ প্যাকেটে ছিল মটর ভাজা। মটর ভাজার কাহিনি বলে লেখাটাকে দীর্ঘ করতে চাচ্ছি না।
অনেকেই বলবেন শিশুটির নাম, পরিচয় কি? একটু ভাবলেই বুঝতে পারবেন যে কেন আমরা শিশুটির নাম, পরিচয় দিতে পারি নি।
লেখাটি লিখেছেন আমার খুব ভাল একটা বন্ধু s.r Toshar ..।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



