

বন্ধুদের মাঝে আড্ডা মারার সময় কেও ১জন ভ্রমণের ইচ্ছা পোষণ করলে সবার মনে প্রথমেই যে নামটি চলে আসে সেটি অবশ্যই কক্সবাজার। আচ্ছা নামটি প্রথমে না আসলেও ২য়,৩য়,৪র্থ তে তো অবশ্যই আসবে কারন এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ সমুদ্র-সৈকত । আমরা কক্সবাজারের কথা বাদ দেই কারন এর কথা কম বেশি সবাই জানি । আমরা বরং খাবারের প্রসঙ্গে চলে যাই । এমন একটি কথা আছে যে কক্সবাজার গেলে এমন কিছু খাবার আছে যা না খেলেইনয় । আদও কথা টা কি সত্য ! হ্যা কথা টা পুরোপুরি মিথ্যা না কারন এখানে এমন কিছু খাবার পাওয়া যায় যেগুলো দেশের অন্য কোথাও পাওয়া যায় কিনা আমার জানা নেই । এমন কয়েকটি খাবার হল – রূপচাঁদা, চিংড়ী, টুনা, কাঁকড়া, স্কুইড, শুঁটকি ইত্যাদি । আহা রূপচাঁদা নাম শুনলেই খেতে ইচ্ছা করে , চিংড়ীর তো তুলনাই হয় না আর টুনা জীভে পানি চলে এল বলে - কিন্তু কাঁকড়া আর স্কুইড এর নাম শুনলেই এখন মনে হয় কথা টা কি আসলেই সত্যি “যা না খেলেই নয়” । এটা শুধুমাত্র আমার কথা কাঁকড়া আর স্কুইড খেতে অনেকেরই ভাল লাগে, তো আপনারাও এর স্বাদ নিয়ে দেখতে পারেন। এগুলো সাধারনত তেলে ভেজে বিক্রি করা হয়ে থাকে। আর শুঁটকির কথা নাই বললাম এটা নিজে টেস্ট করে দেখাই ভাল । কক্সবাজারের অনেক যায়গায়ই রূপচাঁদা, চিংড়ী, টুনা, কাঁকড়া, স্কুইড, শুঁটকি এগুলো পাওয়া যায় কিন্তু সবচেয়ে ভাল টি পেতে হলে আপনাকে যেতে হবে সুগন্ধা বিচে । এখানে রূপচাঁদা গুলো ১০০-৩৫০টাকা, চিংড়ী ৫-২০০টাকা, টুনা ১০০-৮০০, কাঁকড়া ২০-৩০০, স্কুইড ৫০-২৫০, এবং শুঁটকি গুলো বিভিন্ন দামের হয়ে থাকে । কক্সবাজার গেলে বেশিরভাগ মানুষই ৯৫% সময় শুধু ঘুরে-বেরিয়েই কাটিয়ে দেয় এর ফলে অনেকেই এই খাবার গুলো থেকে বঞ্চিত হয় । তাই আমি বলব যারা কক্সবাজার ভ্রমণে যান তারা অন্তত ১৫% সময় খাবারের পেছনে ব্যয় করুন তাহলে আপনারাও এই খাবার গুলো থেকে আর বঞ্চিত হবেন না ।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০১৫ রাত ১০:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



