somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কম্পিউটার এবং আমি

২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কম্পিউটার হল বর্তমান যুগের সবচেয়ে বেশি আলোচিত এবং বহুল ব্যবহ্রত একটি যন্ত্র। আজকে আমি সহ পৃথীবির সব মানুয কম্পিউটার নামক যন্ত্রটার প্রেমে পড়েছে। এর মধ্যে আমি মনে হয় বেশি প্রেমে পড়েছি। আমিত আজ কম্পিউটার ছাড়া কিছুই ভাবতে পারি না। আমি তাকে ডাকি পুরবী বলে। পুরবী কতই না ভালবাসি তোকে, সেই সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আমি তোর সাথে প্রেম করি। তোকে এক পলক না দেখলে আমার খুব খারাপ লাগে। আমার মনে হ্য় যেন আমি কত দিন তোকে দেখি না। একটা পলক পরলেও মনে হয়, আমি কিছু মিস করেছি। কখন বা পড়ালেখার জন্য কখনও বা প্রোগ্রামিং এর জন্য আবার কখন মন ভাল করার জন্য। আমি যাই করি না কেন সেটা এই যন্ত্রটাকে নিয়ে। আমার কখন মনে হয়নি যে আমি খারাপ আছি। আমার সব সময় মনে হয় আমি ভাল আছি। আপনিই বলেন প্রেম কে কি কখন অবহেলা করা যায়? না যায় না আমি সেটাই মনে করি। আসলে এটা আমার ধারনা অন্যরা কি মনে করে সেটা আমি যানি না আর যানারও চেষ্টা করি না। আমার প্রেমকে নিয়ে আমি ভাল আছি। সময় চলে যাচ্ছে। খুব ভাল ভাবে চলে যাচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে আমি তত এটার প্রতি আরও গভীর প্রেমে পড়ছি। আজ যাকে আমি ভালবাসি তার ইতিহাস অনেক পুরনো। যুগ যুগ ধরে সেটা আবিস্কার হয়েছে। আর তাকে আমি না ভাল বেসে পারি। আমার মনে পড়ে আমি যখন এই যন্ত্রটা তে প্রথম হাত দেই তখন আমার এটা সম্পর্কে খুব বেশি ধারনা ছিল না। আমি কখনও এই যন্ত্রটাকে চোখে দেখিনি। সেই কত আগের কথা। আজ সেই দিনগুলি পিছনে ফেলে এসেছি। আর আজ আমি প্রেম করসি অর সাথে। বলতে পারেন গভীর প্রেম। আমি কখনও কল্পনা করতে পারিনি যে ওর সাথে আমি প্রেম করব। আসলেই এতাই ত প্রেম তাই না? প্রেম ত আর বলে কয়ে আসে না। আজ আমি এই কম্পিউটারের সাহায্য আমি আমার অনেক দুরের বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছি। মজা করছি আহঃ কি দারুন তাই না। কি করি না এই যন্ত্রটা দিয়ে আমি। সব সব কিছহু করতে পারি। যে যন্ত্র একদিন মানুষকে জয় করবে বলে এসেছিল আজ মানুযই তাকে জয় করেছে। আমার মনে হয় না পৃথীবির আর কোন জিনিসের আর এই ক্ষমতা আছে। সত্যি সে এক আজব যাদুকর। সত্যি সে আমার প্রেমিকা। আমি তাকে নাম দিয়েছিলাম পুরবী সেটাতো আমি আগেই বলেছি। আমি তাকে ডাকি পুরবী বলে। আমি জানি না কেম আমি তাকে এই নামে দেকেছি। এই নামে ডাকার বিশেষ কন কারন নেই। পুরবী আমি তোমাকে কখন ভুলিনি আর কখন ভুলবনা। তুমি চিন্তা কর না আমি তোমার সাথেই আছি। আজ আমার কণ্ঠে শুধু তোমারি জয় গান। আজ আমি উচ্চ কণ্ঠে বলতে পারি আমি তোমাকে ভালবাসি পুরবী।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:১৮
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্পঃ প্রত্যাবর্তন

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪


চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো  মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ  বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যুদ্ধে কেউ জয়ী হয়না, যুদ্ধ বন্ধ হলে মানবতার জয় হয়।

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩

যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছে?

আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না।
যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ষো-ল-ব-ছ-রঃ আর কি বর্ষপূর্তি পোস্ট লেখা হবে?

লিখেছেন আমি তুমি আমরা, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:০৬



অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।

দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।

ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কটা দুলাল

লিখেছেন শেরজা তপন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪১



বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন পর্ব -১

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ১৮ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫২



(শালবন ভ্রমণ)
২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×