বুদ্ধিজীবি হত্যার তাৎক্ষণিক ক্ষতি হয়তো অনেকেই নিরুপন করতে পারেননি। পারার কথাও নয়। তখন কেবল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একটা দেশ স্বাধীন পতাকা উঁচিয়ে স্বপ্ন বুনছিল জাতি। কিন্তু বুনন কাঠামোর ভিতরে ঢুকে পড়ে সুবিধাবাদি-মোসায়েবরা।
আজ বিজয়ে ৪৩ তম বার্ষিকী উদযাপনের ঠিক দুদিন আগে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালন করছি আমরা। কিন্তু বুুদ্ধিভিত্তিক আন্দোলনের মাধ্যমে পরাশক্তির মোকাবেলা, দেশীয় অপশক্তির দমন, আর প্রকৃতি-জীবন রক্ষার যে তাগিদ অনুভব করার কথা ছিল; সেখানে আমরা কোমর খাড়া করে দাঁড়াতে পারিনি।
সবাই আমরা পণ্ডিতজন। বিদগ্ধজন। বড়ই করুণা হয় দেশের শ্রমিক নেতাও যখণ একটি সীমাহীন সফল নিব্বাচনে বিজয়ী হওয়া সক্কার বাহাদুরের মুন্ত্রী হন এবং বলেন তেল পড়েছে তাতে সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি হবে না।
এমন সনদ যদি উনি দিতেই পারেন; তাহলে আমাদের দেশের পরিবেশ বিষয়ে পড়াশোনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা; আলাপ আলোচনা হয় তার পেছনে টাকা ঢালার যুক্ত কোথায়। সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগ থাকারও প্রয়োজণীয়তা কি।
আমাদের পথ দেখানোর আলোর দিশারী মানুষগুলোকে খুন করে পাপিস্তানি ও তাদের দেশীয় দোসররা যে সীমাহীন ক্ষতি করলো এবং এ ক্ষতি থেকে যে সব হাইব্রিড লোকরা লাভবান হলো- তারা এখন দেশপ্রেমিক।
খুবই উৎসাহ জনক হলেঅ দেশের শীর্ষ ব্যাক্তিদেরই আস্থাভাজন আছেন অনেকে। চাইলে অনেক কিছুই করতে পারেন। বর্জন করতে হবে এ সব লোকদের। রক্ষা করতে হবে সুন্দরবন।
বাঘের গর্জন যে সুন্দরবন থেকে আসে; সেই সুন্দরবনকে আমরা হারাতে পারি না। তেল ওঠানোর জন্য এখনো সরকারের দৃশ্যমান পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। রাষ্ট্র গড়েছেন বঙ্গবন্ধু; তার দলের লোকরা সে রাষ্ট্রকে ফোকলা করে দিচ্ছেন; জেনে বা না জেনে। বুঝে বা না বুঝে।
এভাবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হতে পারে না। বঙ্গবন্ধু ; যার জীবন কেটেছে নিপীড়নে নিষ্পেষণে অধিকার বঞ্চিত মানুষের জণ্য জীবন উৎসর্গ করে। তার প্রতিষ্ঠিত সেই দেশে এ সব লোকের আওয়াজ কি প্রধানমন্ত্রী বন্ধ করতে পারেন না। মনে বড় প্রশ্ন জাগে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


