somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মত প্রকাশের স্বাধীনতা- একটি বিলাস পণ্য

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ দুপুর ২:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শ্রাবণ প্রকাশনীর রবিন আহসানরা ভাবছিল, এটা বিম্পি সরকার। আন্দোলন করে দৌড়ের উপ্রে রাখা সম্ভব হপে। সরকার যে বদল হয়, নতুনি আঙ্গিকে চালু হইছে, সেটা তারা মনেও রাখে না।

গত ৮ বছরে নগরে কোন প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক আয়োজন নাই, অপকর্মকের দলিলের প্রকাশনা নাই, পথ নাটক নাই, সাংস্কৃতিক জোটের সাংস্কৃতিক উৎসব এখন তেলের উপ্রে ভাসে--- সেখানে দুই একটা চিক্কুর মাইরা তারা ভাবতাছিলো--- অধীন মত প্রকাশের স্বাধীনতাতো ভালোই চলতাছে। তাদের গায়ের উপ্রে তো পড়ে নাই। এখন যখন পড়লো--- তখনো হুক্কাহুয়া-- বাক স্বাধীনতা নাই। মানুষ বাঁচতাছে না, গুম হইয়া আছে বছরের পর বছর---উনারা আইছে বিলাস পণ্য - বাক স্বাধীনতা ফেরি করতে।

একটা কথা শুনতে খ্রাপ লাগলেও বলি---খালি সরকার বদল হয় নাই; সরকারের মগজ ব্যবায়িক হয় নাই। পুস্তক বেপারীরা, নিজেরাও বদল হইছে। বই দোকান থেকে কাপড়ের দোকান খোলে, কাপড়ের দোকানের বিস্তারে বইয়ের মূল আকর্ষণ প্রচ্ছদ শব্দও ব্যবহার করে। এ এগুলান বইয়ের বিকাশে ছোটখাটো আগ্রাসন। আজিজ মার্কেট বইয়ের দোকান থেকে কাপড়ের দোকানে রূপানস্তর হইছে, কই বাক স্বাধীনতার রক্ষকরা কি করলেন!

তা যাই হোক , যে কোন বিচারেই শ্রাবণের স্টল নিষিদ্ধ করা ঠিক হয়নি। এটা কোন মতেই সমর্থণযোগ্য না।

একাডেমি যদিও বলছে, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সভায় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিজেও ছিলেন। মন্ত্রী নিজে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। আশা করি শ্রাবণ প্রকাশনীকে তাদের স্টল ফেরৎ দেওনের ক্ষেত্রে সরকার উদার হবে।

তবে ও বুঝতে হবে সরকারে কখন কে থাকে, কীভাবে কার সাথে কথা বলতে হয়। সবাইরে ফাঁপর দেওন যায় না। এটা স্বাধীনতা, অধীনতা যে নামেই হোক, বাপু।


খবরের লিঙ্কটা দিলাম-- Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ দুপুর ২:৩৮
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ মোহাম্মদপুরে কখনও বিচ্ছেদ হয় না

লিখেছেন রাজসোহান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪





আমার দোকানের নাম নিউ শাপলা কম্পিউটার ও ফটোস্ট্যাট। সাইনবোর্ডের শাপলা ফুলটা এঁকে দিয়েছিলো তাজমহল রোডের এক সাইনম্যান, দেখতে হয়েছিলো কচুরিপানার মতো। চৌদ্দ বছর ধরে ঝুলে আছে। রোদে রঙ উঠে... ...বাকিটুকু পড়ুন

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা তার সাথে কিছু রুঢ় সত্য যা বদলে দিয়েছিলো দেশের রাজনীতি।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৩৪





২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এই হামলায় কারা জড়িত ছিল সেটাও আজকের দিনে অজানা নয় একমাত্র নিতান্ত দলকানা ছাড়া। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪



ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা হয়েছিল- কে দেখেনি, কে জানে না, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×