
বাংলাদেশের পরাজয়ে আমি ক্ষুব্ধ।
লজ্জিত।
খেলায় জয় পরাজয় থাকবে; তাই বলে এ ভাবে? নবীন আফগানিস্তানের কাছে এমন অসহায় আত্মসমর্পণ?
টেস্টে?
এর কি মানে?
এতোদিনের অভিজ্ঞতার কি দাম রইলো?
আমাদের সামর্থ্যের অভাব? আত্মবিশ্বাসের অভাব? গলদ কোথায়?
ক্রিকেটারদের সকল রকম সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার পরেও কি কারণে তারা ব্যার্থ হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হোক।
দলের পঞ্চ রত্নের উপর নির্ভরশীলতা কমানো হোক। বয়স ভিত্তিক দলগুলোকে পরিচর্যা করা দরকার। পাইপলাইনে নতুন খেলোয়াড় আসুক।
'ভাব সাব' কমিয়ে খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও সুশৃঙ্খল জীবন যাপনের মধ্যে নিয়ে আসার চেষ্টা করা যায়। নিজের মূল কাজ যে দেশের জন্য খেলা এবং তার সাথে যে আমাদের দেশের মান সম্মান জড়িত তা কিছু দিন পর পর মনে করিয়ে দেয়া উচিত। এ বিষয়ে তাদের খেলার আগেই আলাদা একটা সেশন করানো যায়।
জিতলে ফ্ল্যাট গাড়ী বাড়ি পান তারা অথচ হারলে যে কেউ কিছু ফেরত চায় না তাদের কাছে এসব স্মরণ করিয়ে দেয়া দরকার।
একবার একা ইনজামাম উল হককে আউট করতে পারিনি বলে আমরা মুলতানের সেই টেস্ট জিততে পারিনি। সারাদিনেও তাকে আউট করা যায়নি। সে একা দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলো অথচ আজ আফগানিস্তানের মতোন দলের বিরুদ্ধে আমরা ৩/৪ উইকেট হাতে রেখে ১০টা ওভার খেলতে পারি না!!!
তাইলে আমরা কি শিখলাম?
আর কবে কি পারবো?
টেস্ট ক্রিকেট সেশন বাই সেশনের খেলা। প্রতিটা সেশন আলাদা পরিকল্পনা করে খেলতে হয়। সময়ের হিসাব করে শট খেলতে হয়। এই হিসাব সেই হিসাব মাথায় রাখতে হয়। আরো কত কি! সেই টেস্ট আমরা ১০ বছর আগে যেভাবে খেলতাম এখনো এই একইভাবে খেলি!
তাহলে উন্নতি কোথায়?
আমরা টিটুয়েন্টিতে শ্লগ ওভারে রান নিতে পারি না, টেস্টে ব্যাটিং পারি না, বোলিং এ এক জায়গায় দীর্ঘক্ষণ বল ফেলতে পারি না, ওয়ানডেতে ফিনিশিং ভালো না-
তাইলে পারলাম কি?
ছবি/ক্রিকইনফো

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


