somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

১৫-৩০ হাজার মানুষের ইফতারীর আয়োজন প্রতিদিন_ আরব আমিরাতের শেখ জায়েদ গ্রান্ড মসজিদের ইফতারীর অভিঙ্গতা

১৯ শে জুন, ২০১৭ দুপুর ২:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শেখ জায়েদ গ্রান্ড মসজিদ বিশ্বের ৮ নং বড় মসজিদ। আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবীতে অবস্থিত। এখানে জনসাধারনের জন্য ইফতারীর ব্যবস্থা করাহয়।


১৫-৩০ হাজার মানুষের ইফতারী একটা ইলাহি কান্ড... ইফতারীর প্রস্তুতির উপরে একটা ভিডিও :)


গত সপ্তায় আমারও ইফতারীর জন্য গিয়েছিলাম। দুবাই থেকে যেতে আমাদের ২ ঘন্টার মতন লাগে... তাই আমরা ৪.২৫শে রওনা হয়ে ৬.৩০এর দিকে পৌছালাম। কাছে গিয়ে দেখি গেটে গাড়ীর লম্বা লাইন। পাকি`ং করে তাবুর দিতে যাবার সময় দেখলাম খোলা মাঠেও ইফতারী সাজানো আছে কিন্তু সেখানের মানুষ সবাইকে তাবুর দিতে যেতে ইসারা করছে। আমরাও গেলাম।

সকল স্তরের মানুষই এসেছে ইফতারীতে... স্থানীয়রাও এসেছে পরিবার নিয়ে এবং আমাদের মতন অনেকেই এসেছে। তাবুর কাছে যেতেই সমস্যা হলো নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্তা তার মানে আমরা একসাথে বসতে পারবো না। আর যদি আমি আমার মেয়েকে নেই তবে আমি তাবুতে যেতে পারবো কিন্তু আমার বন্ধুকে বাইরে বসতে হবে... তাই ডানা কে মায়ের কাছে দিয়ে আমি আর আমার বন্ধু বাইরে বসলাম। আমিরাতের রেড ক্রিসেন্টে এই ইফতারের দায়ীত্বে আছে।


* ব্যবস্তাপনা খুবই গোছানো, সপ্তাহের শুক্রবারে প্রায় ২০-২৫ হাজার লোক আসে, অন্যদিনে ১০-১৫হাজার লোক আছে।

* সবাই আসার আগেই সবকিছু গোছানো শেষ। ( বাইরে কাপেট` পেতে, সব প‌্যাকেট রেখে সব প্রস্তুত করে রাখা আছে)

* কয়েকটা এম্বুলেন্স আছে, পরিস্কারের জন্য দলও পস্তুত, শেষে ময়লা পরিস্কারের গাড়ী এসে সব কিছুই খুবই অল্প সময়ের মধ্যে সব খালি প‌্যাকেট নিয়ে যাবে।
* যদিও ইফতারীর ৫ মিনিট পরেই জামাত শুরু হয় যার ফলে বেশির ভাগ মানুষই মুসজিদে নামাজ পড়তে পারেনা। অনেকেই ইফতারীর স্থানেই নামাজ পরে এবং অনেকেই জামাতে নামাজ পরেছে।

নামাজের পরে অনেকেই মসজিদ দেখতে ভেতরে গিয়েছে।

আমরাও গেলাম, আমার স্ত্রী এবং ডানা এই প্রথমবার এসেছে।

আমি গতবারের কিছু ছবি দিলাম ( ২০১২) মসজিদের ভেতরের ছবি, ১৯৯৬ সালে কাজ শুরু করে ২০০৭এ কাজ শেষ হয়। মসজিদ দেখলে বোঝা যায় যে বাজেট কোন সমস্যা ছিলো না। ২ বিলিওন দিরহাম মানে 43875745536.00 টাকা চার হাজার তিনশত সাতাশি কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।




সুত্র:-
https://en.wikipedia.org/wiki/Sheikh_Zayed_Mosque
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুন, ২০১৭ দুপুর ২:২৫
১৩টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×