somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যে কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্র গুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৪ দুপুর ২:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গত তিন বছর ধরে প্রবাসে থাকা বিএনপি-জামাতের একটিভিটিস্টরা (ইলিয়াস, পিনাকি, ইত্যাদিরা) হুন্ডিতে টাকা পাঠাতে উৎসাহিত করলো। যেটা পশ্চিমা আইনেই অপরাধ—মানি লন্ডারিং। তাতে যোগ দিলো সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসীরা। ফলাফলে রেমিট্যান্স আসা কমে গেলো।
কোভিড, ইউক্রেন যুদ্ধ অর্থনৈতিক সংকট তৈরি করেছে। হুন্ডি তাতে আরো ঘা তৈরি করলো। লাভ হইলো দুর্নীতিবাজদের যারা হুন্ডিতে বিদেশে টাকা পাচার করলো। সমস্যায় পড়লো দেশের মানুষ। জিনিসপত্রের দাম আরো বাড়লো। এত কিছুর পরেও শেখ হাসিনা যখন ভারত চলে গেলেন তখন বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে রিজার্ভ ছিল ২৪ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বব্যাংকের মানদন্ড অনুসারে ২১ বিলিয়ন ডলার
এখন প্রবাসীদের অনেকে বৈধ পথে ফের টাকা পাঠাচ্ছেন। তবে অনেকেই এখনো হুন্ডিতে পাঠাচ্ছেন কারন তারা সামান্য কিছু বেশি টাকা পাওয়ার মজা পেয়ে গেছেন। অন্যের জন্য গর্ত খুঁড়লে তাতে নিজেকেই পড়তে হয় প্রবাদটা খুবই সত্য। এনজিওগ্রাম সরকারের আমলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়লেও তা বৈদেশিক আমদানি বিল, বিদ্যুতের জ্বালানী বিল পরিশোধে যথেষ্ট নয়। কারন উল্টা দিকে গার্মেন্টস শিল্পে অর্ডার কমে গেছে। বিদেশীরা বিকল্প সাপ্লাই চেইনের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে ক্রমাগত।

আপনি জেল থেকে সমস্ত হিজবুত ছেড়ে দিবেন, আনসার-উল্লাহ ছেড়ে দিবেন, ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দিবেন বলবেন, আর বিদেশীরা বুঝবে না বাংলাদেশ অচিরেই পাকিস্তানের মতন আরেকটা অস্থিতিশীল দেশে পরিনত হবে তা তো হয় না। পত্রিকা-টিভিতে আপনি খবর আসতে দিবেন না কিন্তু বিদেশী বিজনেস ইন্টেলিজেন্স তো আর নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন না।
এখন এসবের ফলাফল আসতে শুরু করেছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে জ্বালানি এবং মেইনটেনেন্সের অভাবে। গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। এতে উৎপাদন খরচও বাড়ছে। সাথে আবার উৎপাদনও কমছে। যার ফলাফলে বাড়বে জিনিসপত্রের দাম। এনজিওগ্রাম সরকার যদি এখন আমেরিকাকে আব্বাও ডাকে খোদ আমেরিকার পক্ষেও সম্ভব হবে না এখানে কোন সমাধান দেয়া। এরা এমন এক গর্ত খুঁড়েছে যে বাংলাদেশ বহুদিনের জন্য পয়েন্ট অফ নো রিটার্নে চলে গেছে

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৪ দুপুর ২:৫০
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'বাবু': একটি শব্দের উদ্ভব ও এগিয়ে চলা

লিখেছেন আবু সিদ, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০৮

'বাবু' আমাদের প্রতিদিনকার জীবনে বহুল ব্যবহৃত একটি শব্দ। কয়েক শ' বছর আগেও শব্দটি ছিল। বাংলা ভাষাভাষীরা সেটা ব্যবহারও করতেন; তবে তা ভিন্ন অর্থে। 'বাবু' শব্দের উৎপত্তি ও বিবর্তনের ধাপগুলো এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

গণভোটের ব্যালটটি দেখতে কেমন হবে?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



সামনের গণভোট ঘিরে অনেক অপপ্রচার চলছে বলে শোনা যাচ্ছে। অনেকেই জানতে চাঁচ্ছেন, গণভোটের ব্যালটটি দেখতে কি রকম হবে? নির্বাচন কমিশনের ওয়েসবাইট থেকে জানতে পারা গিয়েছে যে, গণভোটের ব্যালটটি উপরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুহতারাম গোলাম আযমই প্রথম We Revolt বলেছিলেন !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৫৮


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের দলীয় ইশতেহার প্রকাশ করেছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘জনতার ইশতেহার’। দলটির দাবি, অ্যাপভিত্তিক প্রচারণার মাধ্যমে সংগৃহীত ৩৭ লাখের বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল্লাহ্‌কে কীভাবে দেখা যায়?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৩

যে কোন কিছু দেখতে হলে, তিনটি জিনিসের সমন্বয় লাগে। সেই জিনিসগুলো হচ্ছে - মন, চোখ এবং পরিবেশ। এই তিন জিনিসের কোন একটি অকেজো হয়ে গেলে, আমরা দেখতে পারি না। চিন্তা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শতরুপা

লিখেছেন মোঃ ফরিদুল ইসলাম, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫২

তুমি কি কোন স্বপ্ন রাজ্যের পরী?
কিভাবে উড়ো নির্মল বাতাসে?
ঢেড়স ফুলের মতো আখি মেলো-
কন্ঠে মিষ্টি ঝড়াও অহরহ,
কি অপরুপ মেঘকালো চুল!
কেন ছুঁয়ে যাও শ্রীহীন আমাকে?
ভেবে যাই, ভেবে যাই, ভেবে যাই।
তুমি কি কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×