somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্বপ্ন

০২ রা এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দুপুর ২টা বা ৩ টা অথবা বিকাল ও হতে পারে, সম্ভবত আকাশ মেঘলা ছিল, আমি ট্রেন এ যাচ্ছি ৩ নম্বর বগিতে। যাত্রী বলতে আমি একা। হটাত দেখি একটা লরি ট্রেনের দিকে ধেয়ে আসছে, আমি ভয়ে দম বন্ধ করে ফেলি,না বেঁচে আছি, একটা বাক নিয়ে লরি চলে যায়।
পরিতাক্ত আর্মি বেস, একটা বিল্ডিং এ মেডিকেল রিসার্চ হয়,অল্প কয়েক জন গার্ড, ২ জন নার্স, একজন ডাক্তার। সন্ধ্যা হয় হয়, আমি দেখি দূরে একটা বড় গ্রুপ, এদিকেই আসছে, সাথে বাদ্য , দেখে মনে হয় কোন উৎসবে যাছে। কে যেন পাস থেকে বলল হিন্দু বিয়ে হবে।
তাহলে ক্যামেরাটা নেয়া যাক, কিছু ভিডিও করা যাবে। ২ টা ক্যামেরা আগে পিছে রাখা, কি মনে করে পেছনের টা নিলাম, এইটাই আগের কি যেন ভিডিও করা আছে, কিছু একটা যেটা মেডিকেল রিসার্চ এর সাথে জড়িত, সব চায়তে বড় কথা কামেরা টা হাতে নিয়ে বুজলাম এটা ব্যাবহার করে অফ না করেই রাখা হয়েছে।
এর পর আমি ব্যাটারি কতটুকু আছে দেখার জন্য ভিডিও করা শুরু করি,আসে পাসের সব কিছু, এর মাঝে এক কলিগ কামেরার ফ্রেমে ধরা পরে, বয়স ২২/২৩, গোল ফর্সা মুখ,উচ্চতা ৫ ফুট ১ বা ২ ইঞ্চি। পরনে ছিল লাল খইরি সুতি শারী । আমি বলি হাই সুইট হার্ট, উত্তরে কলিগ কিছু একটা বলে হাসি দেয়।সে চলে যায়। ক্যামেরা ঘুরাই ডান দিকে কেউ একজন কমেডি কিছু একটা দেখছিল, এর পর ক্যামেরা বামে নিয়ে তাকাই দরজার বাইরে, বল্ডিং এর সামনে ওই বড় গ্রুপ টা ১০০ থেকে ১৫০ জন মানুষ গোল হয়ে দাড়ায় আছে। মাজে আগুন জ্বলে , কিছু একটা প্রথনা করছিল। আমি দর্জা দিয়ে বের হতে যাবো এমন সময় ভেতর থাকে মেয়ে চিৎকার শুনি, দৌড়ে যাই ভিতরে ,স্যাম্পল রাখার ঘরটার দরজা খোলা, দজায় হলুদ মোটা টেপ ( প্যাকিং টেপ) দিয়ে ব্লক করা , ভিতরে যে মানুষের লাশ টা ছিল সেটা নেই।সবাই ছুটে আসলে আমি দৌড়ে যাই গার্ড দের ডাকতে, গার্ড আসলে তাদের সব খুলে বলি, তারা ভেতরে চলে যায়। আমি বেরহই বাইরে , হটাত এক যাক কাল কাক আক্রমন করে আমাকে, আমি মাটিতে পরে যাই, সাথে কে যেন ছিল সেও পরে জায়।আমি বাচার জন্য চেষ্টা করতে থাকি,হাতে থাকা ক্যামেরা টা দিয়ে কাক গুলাকে আঘাত করতে থাকি।
কাক গুলো চলে যায়, উঠে দেখি গ্রুপ টা চলে গেসে।ফাকা জইয়গার পাশে একটা ২ তলা বাসা।আমি সেই বাসাই জাই।বাসার নিচ তলা মাজারি একটা রম,রমের জানালার কিছু অংশ কাঠের কিছু অংশ কাচের।বাইরের হাল্কা আলতে দুরের বিস্তীর্ণ খোলা মাঠ দেখা জায়,মাঠে কাজাছে।বাসা র মাঠের মাঝে একটা ২ ফিট ড্রেন আছে র মাঠের অয়াল টা ড্রেন এর সাথে লাগান।মাঠ থেকে বাসার জানালা ১৫ ফিট উঁচা।আমি প্রচণ্ড ভয়ে এবং আতঙ্কে জানালার পাশে দাড়াই আছি।আমার সাথে একজন লোক আছে , তার হাতে কি একটা যন্ত্র , কানে হেড ফোন এর মতো কি লাগান। সে আমাকে বলল , কিছু আসলে আমাকে জানাবে। এই সময় আমি দেখলাম আসছে এবং হটাত করেই আবার আক্রমন শুরু হয়।এবার শুধু কাক নয় সাথে যোগ হয়েছে কাল কুকুর চেহারা অনেক টা নেকড়ে দের মতো। তার একের পর এক ধাক্কা দিচ্ছে আর নিচের ড্রেন এ পরে যাছে।আমি ভয়ে জানালার পাল্লা সক্ত করে চেপে ধরি, যেন ভেঙ্গে ভেতরে না আসতে পারে র বলতে থাকি , স্টপ ইট, প্লিস স্টপ ইট।
কিছুখন পরে থেমে যায়। আমার সাথে থাকা লোকটি আমাকে বলে, আমি তো এখানে কাজে এসেছিলাম কিন্তু আমি তোমাকে সাহায্য করতে চাই। তোমার কামেরা টা আমাকে দাও , আমি শুনে দেখি কি ব্যাপার। আমি ক্যামেরা টা উনার হাতে দিয়ে রম থেকে বের হই, দাখি আমার বাবা মা দাঁড়িয়ে আছে, দুই তলার রুম এ এক কাকা থাকেন। আমি বাবা কে বললাম কাকার কি খবর , বাবা বল্ললেন উনার জানালাতেও কিছু আঘাত করেছে কিন্তু উনি ভয় পান নাই। নিচের ড্রেন নাকি ব্লক হয়ে গেছে মৃত দেহ দিয়ে, আমি এই কথা শুনে আবার রুমে আসি দেখি লোকটা বিছানায় শুয়ে আছে , গায়ে সাদা লেপ বা এই টাইপের কিছু একটা দিয়ে গলা পর্যন্ত মোড়ান , কানে হেডফন , চোখ বন্ধ তবে চোখ দুটি সাদা।। এরপর আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনীকে এতো ভয় কেন?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:১৪

শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনীকে এতো ভয় কেন?
--------------------------------------------------------------------
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রিকে কেন্দ্র করে ইউপিএলের বাংলাবাজার বিক্রয়কেন্দ্রে তালা, কর্মীদের আটকে রাখার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ
একটি বইকে কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

Extra Long - Dual Coverage!

লিখেছেন মুনতাসির, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৫

আজান দিলে আমাদের দেশের অনেক নারীর মাথায় কাপড় দেওয়ার একটা দীর্ঘদিনের অভ্যাস আছে। আজান শুরু হলো, ওড়না মাথায় উঠল। ব্যাপারটা এত দ্রুত ঘটে যে মাঝখানে চিন্তাভাবনার বিশেষ সুযোগ নেই।

সমস্যা হচ্ছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬




প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।


গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

জল-জলন্ত

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
অলকা থাকে আমেরিকার ফারগো নামক শহরে। খুবই ছোট শহর। শহরটি ছবির মতন সুন্দর। শীতের সময় প্রচণ্ড শীত পড়ে। এলিন নামের এক বৃদ্ধার কাছ থেকে অলকা দুই রুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন

৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনে কোটি কোটি মানুষকে টাকা দেওয়া হয়েছিলো?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

গানঃ হাল্লাজের কাপড়
গানের লিংকঃ https://on.soundcloud.com/Vctd83PVm40VJ64T16



১) ৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনকে অনেকে আম্রেকিয়া আর শিবিরের প্ররোচনায় হয়েছে বলে প্রচার করেন। আমার প্রশ্ন, আম্রিক্যা ও শিবির কাউকে কাউকে হয়তো 'ভাড়া' করে থাকতে পারে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×