somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ - গাছে তুলে মই সরিয়ে নেয়ার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে ইতিহাসের পাতায়

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সকাল ৯:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



পূর্ব ইউরোপ ও রাশিয়ার পশ্চিম সীমান্তে অবস্থিত প্রায় ৬ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের ইউক্রেন বর্তমানে রাশিয়ার পরেই ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। ইউরোপের ‘শস্যক্ষেত্র’ হিসেবে পরিচিত দেশটির বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ৪০ লক্ষ। কৃষি, শিল্পে সমৃদ্ধি ও প্রচুর খনিজ সম্পদ থাকলেও দেশটি বর্তমানে ইউরোপের অন্যতম দরিদ্র দেশ। পূর্বে অল্প কয়েক বছরের জন্য ইউক্রেন স্বাধীন ছিল। তবে ১৯৯১ সালেই প্রথমবারে মতো বর্তমান ভূ এলাকা নিয়ে সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র ভেঙ্গে যাবার পরে স্বাধীন হয় ইউক্রেন।

এর আগেও ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের ক্রিমিয়া অঞ্চলটা দখল করে নেয়। সেটা নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলো তখন নিন্দা জানানো এবং অবরোধের বেশী কিছু করেনি। এভাবে বিনা বাঁধায় ক্রিমিয়া দখল করে ফেলাটা প্রেসিডেন্ট পুতিনকে আরো আগ্রাসী করে তুলেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগেও ঠিক একই ধরনের পরিস্থিতি ছিল। ইতিহাস সাক্ষী দেয়, অনেক জার্মান ভাষাভাষী আছে এই যুক্তি দেখিয়ে হিটলার চেকস্লোভাকিয়ার একটা বড় অংশ দখল করে। এরপর পুরো চোকোস্লাভাকিয়া, তারপর পোল্যান্ড। সুতরাং ছোটখাট ছুতা দেখিয়ে এইসব ঘটনা ঘটা ইতিহাসের পাতায় নতুন কিছু নয়।

কিন্তু কেন এই সংঘাতের পথ বেছে নিলো রাশিয়া?
কোন আশঙ্কা থেকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অবশেষে ইউক্রেনে হামলার সিদ্ধান্ত নিলেন?
রাশিয়া ও ইউক্রেনের এই সংঘাতের নেপথ্যে মূল কারণ হিসেবে রয়েছে ন্যাটোর সম্প্রসারণ। ন্যাটোর বর্তমান আওতায় রয়েছে ৩০টি দেশ। ইউরোপের ক্ষমতাধর রাষ্ট্র যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জার্মানিও ন্যাটোর সাথে জড়িত। অল্প কিছুদিন ধরে এই ন্যাটোর গোষ্ঠিভুক্ত হবার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে ইউক্রেন। এই ঘটনা নিয়েই মূলত দেশ দুটির মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। বিভিন্ন ইস্যুতে আগে থেকেই রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ তলানিতে রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রই রয়েছে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলির মূল চালিকাশক্তি। ইউক্রেন চাইছে যুক্তরাষ্ট্র মদতে ফ্রান্স, জার্মানির মতো দেশগুলোর সঙ্গে তারাও ন্যাটোর আওতায় চলে আসুক। তবে এই গোষ্ঠিতে নিজের একান্ত প্রতিবেশী ইউক্রেনকে দেখতে নারাজ রাশিয়া। ন্যাটো ইউক্রেনের প্রবেশের জন্য নিজের সদর দরজা খুলে রেখেছে। এই ঘটনা মস্কোকে কোনভাবেই স্বস্তি দেয়নি।

কেন ন্যাটোতে ইউক্রেনের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে রাশিয়া ক্ষুব্ধ?
কেন ইউক্রেনের এই পদক্ষেপকে আটকাতে চাইছেন পুতিন?
এর নেপথ্যে রয়েছে আসলে অক্ষশক্তিয় ক্ষমতার দ্বন্দ্ব। কারণ ন্যাটোভুক্ত যে কোনো দেশ বহিরাগত আক্রমণের ক্ষেত্রে বাকি সদস্যদেশগুলোর সহায়তা পেয়ে যায়। রাশিয়ার প্রতিবেশী ইউক্রেন যদি ন্যাটোতে প্রবেশ করে, তাহলে তাকে সহায়তা করতে আসবে বাদ বাকি ৩০টা দেশ (যুক্তরাষ্ট্র সহ) সদস্য দেশগুলো। এতেই প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছে রাশিয়া। নিজের সীমানার পাশেই এই ধরনের ন্যাটোর আক্রমনাত্মক ভূমিকা রাশিয়াকে বাধ্য করেছে নিজের ভবিষ্যত নিরাপত্তআর কথা ভেবে অল্টারনেট অপশন নিয়ে এগিয়ে যাবার।

বর্তমান ঘটনায় ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকা নেতৃবৃন্দদের ভূমিকাঃ
ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকা নেতৃবৃন্দ চলমান এই ঘটনায় কিছু বিষয়ে মোটেও বিচক্ষণতার পরিচয় দেয়নি বরং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চরম নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়েছে। নিজ দেশের সকল জাতিগোষ্ঠিকে একই ছাতার নিয়ে এসে একসাথে চলার নেতৃত্ব দেওয়ার মতো উদার, বিচক্ষণ ও বাস্তবতাবাদী নেতৃত্বের মারাত্মক অভাব দেখা গেছে ইউক্রেনে। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর ইউক্রেনের ইতিহাস থেকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও রুশ সংস্কৃতি মুছে ফেলার বিভিন্ন নোংরা অপচেষ্টা চলছিল। বর্তমানে বিভিন্ন পার্ক এবং যাদুঘর থেকে সরিয়ে ফেলা হচ্ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন আমলের ইতিহাস সম্পর্কিত বিভিন্ন উপকরন। এই ধরনের অতি জাতীয়তাবাদী কর্মকান্ড রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরো নষ্ট করছে, তিক্ততায় ডুবিয়ে দিয়েছে।

অথচ ২য় বিশ্বযুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে অস্ট্রিয়া ও ফিনল্যান্ড নিজেদের স্বাধীনতা ও ভবিষ্যত সমৃদ্ধির কথা বিবেচনা করে কোনভাবেই শত প্রলোভন সত্ত্বেও ন্যাটোতে যোগ দেয়নি। তারা মনে করেছিল, এই জোটে গেলে সোভিয়েত ইউনিয়ন বা রাশিয়ার ক্রোধে পড়তে হবে। কিন্তু ইউক্রেনের বর্তমান সরকার সেইরকম কোন বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে পারেনি। এই প্রায় একতড়ফা যুদ্ধ শেষে ইউক্রেনের জনগনের যুদ্ধের বিভীষিকা, দূর্গতি ও দুঃখ কখনোই শেষ হবে না। অবস্থানগত কারনে, বিশেষত বিদেশী বাহিনীর আক্রমনের পথে অবস্থান থাকায় (উত্তর ইউরোপের সমতল ভূমি) হাজার বছর ধরে দেশটি বিদেশী বাহিনীর আগ্রাসনের শিকার হয়ে আসছে। কখনো নিষ্ঠুর মঙ্গল বাহিনী, তাতার বাহিনী, কসাক বাহিনী, পোলিশ বাহিনী, অটোমান বাহিনী, জার্মান বাহিনী এবং রুশ বাহিনী। মধ্যযুগে হাজার হাজার ইউক্রেনিয় নরনারী দাস ব্যবসার ভয়াবহ শিকার হয়েছিল। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে ইউক্রেনেই সবচেয়ে বেশী মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। স্তালিনের কঠোর শাসনামলে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষেও (হলোদোমোর) কয়েক লক্ষ মানুষ মৃত্যুবরন করে। ইতিহাস সাক্ষী দেয়, গত কয়েকশো বছরে রাশিয়ার উপর বিদেশী আক্রমন হয়েছে মূলত ইউক্রেন, বেলারুশ ও পোল্যান্ডের ভেতর দিয়েই অর্থাৎ ইউরোপের সমতল ভূমি দিয়েই।

ইউক্রেন হলো রাশিয়া ও ইউরোপের ন্যাটোভূক্ত দেশসমুহের মধ্যে একটা বাফার রাষ্ট্র। তাই রাশিয়া চেয়েছে ইউক্রেনে মস্কো-ঘেঁষা সরকার ক্ষমতায় থাকুক। মূলত রাজনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয় ২০১৪ সাল থেকেই। ইউক্রেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি বড় ধরনের বানিজ্য চুক্তি করতে চেয়েছিলেন। সাধারন ইউক্রেনিয়নগন এতে খুশী হলেও প্রেসিডেন্ট পুতিন বিচলিত হন। কারন এই চুক্তি হয়ে গেলে ইউক্রেনের ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য হওয়া সহজ হয়ে যাবে। ইইউ এর সদস্য হলে ইউক্রেন আবার ন্যাটোরও সদস্য পদ চাইবার জন্য আবদার করতে পারে ভবিষ্যতে। ভূ রাজনীতিতে বুদ্ধিমান পুতিন সাথে সাথেই ইউক্রেনের তখন ক্ষমতায় থাকা ইয়ানুকোভিচ সরকারের উপর এমন চাপ দিলেন যে, ইউক্রেন ইইউ এর সাথে সেই আলোচনা থেকে নিজেই প্রায় জোর করে বেরিয়ে এলো নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবে। এইজন্য ইয়ানুকোভিচ সরকারে অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে হবে যে এর কারনেই রাশিয়া ইউক্রেন নিয়ে পরবর্তিতে আর কোন অভিযোগ করার সুযোগ পায়নি।

কিন্তু বর্তমান ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকা নেতৃবৃন্দ সর্ম্পূণ স্বেচ্ছায় নিজেই খাল কেটে এই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কুমিরের পাল ডেকে নিয়ে এসেছেন। আগের ইতিহাস থেকেও শিক্ষা নেননি। এখন মিডিয়া এসে কান্নাকাটি করে কী লাভ?

রাশিয়ার ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অভিযোগঃ

রাশিয়ার দাবী দাবি, ইউক্রেন বর্তমানে পশ্চিমা দেশগুলোর হাতের পুতুল পরিনত হয়েছে এবং ইউক্রেন কখনোই প্রকৃত পক্ষে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ছিল না। এর কারণ হলো, ইউক্রেন স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতির লাভের পরেও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি দেশ হিসেবে রাশিয়ার সঙ্গে দেশটির গভীর সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে। সেখানে রুশ ভাষাও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। রাশিয়া মনে করে, ইউক্রেন আদতে কোনদিনই প্রকৃত অর্থে একটা রাষ্ট্র ছিল না। পুতিন অনেক আগে থেকেই দাবী করে এসেছেন যে বর্তমান ইউক্রেন আসলে 'প্রাচীন রুশ ভূখণ্ড’। ইউক্রেনকে ঘিরে এই সংঘাতের মূলে রয়েছে প্রেসিডেন্ট পুতিনের একটাই দাবি, ইউক্রেন যেন কোনভাবেই ন্যাটোর সামরিক জোটে যোগ দিতে না পারে, সেটার নিরংকুশ নিশ্চয়তা। ন্যাটো কিছুতেই সেই নিশ্চয়তা দিতে চাইছে না। আবার ইউক্রেনের এতবড় বিপদের সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সামরিক শক্তির সাহায্য নিয়ে নিয়ে ইউক্রেনের পক্ষে এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে সাহসও পাচ্ছে না।

ইউক্রেনের ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দিতে চাওয়ার ইচ্ছাই হচ্ছে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের মূল কারণ। অনেকদিন ধরেই এই বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছে রাশিয়া। রাশিয়ার দাবি, পশ্চিমা দেশগুলোকে নিশ্চয়তা দিতে হবে, 'ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগ দেবে না'। কিন্তু ন্যাটো এই নিশ্চয়তা কোনভাবেই দিতে চাইছে না বরং ইউক্রেনকে দাবার গুটি বানিয়ে রাশিয়া সামরিক চাপে ফেলতে চাইছে।

নিজের দেশের নিরাপত্তার জন্য রাশিয়াকে বাধ্য হয়েই এই ভয়ংকর কাজে নামতে হয়েছে বলেই সহজেই অনুমান করা যায়। এই অঞ্চলে রাশিয়ার আধিপত্য ঠেকাতে আমেরিকার মদতে ন্যাটো ধীরে ধীরে সেনা মোতায়েন বাড়াচ্ছে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর একের পর এক প্রাক্তন সোভিয়েত রিপাবলিকগুলো ন্যাটোতে যোগদান করা শুরু করে। পুতিন চাইছিলেন অন্ততঃ ইউক্রেন যেন ন্যাটোর সদস্য না হয়। তিনি পশ্চিমাদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে এ নিশ্চয়তা চেয়েছিলেন যে, ন্যাটো এই অঞ্চল থেকে নতুন করে আর কোন দেশকে ন্যাটোর সদস্য করতে পারবে না। কিন্তু পশ্চিমারা তাতে কিছুতেই রাজি হয়নি। পুতিন মনে করেছেন, পশ্চিমারা ন্যাটো বাহিনী দিয়ে চারদিক থেকে রাশিয়াকে ঘিরে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতে চাইছে। এই কারনে তিনিও পাল্টা ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

ভাল্লুককে নিয়মিত কোনঠাসা অবস্থার দিকে ঠেলে দিলে একসময় যেয়ে ভাল্লুক তো খেপবেই?
এটা কী ভাল্লুকের দোষ?
না তাকে যারা নিয়মিত বিনা কারনে উত্যক্ত করে যাচ্ছে তাদের দোষ?

ইউক্রেনবাসীর জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের কিছু দেশের মায়াকান্না এবং দরদ মুলত রাশিয়াকে রুখতে। এর আগে তথাকথিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অজুহাতে আফগানিস্তান, ইরাক ও লিবিয়া আক্রমনের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তি চরমভাবে কলঙ্কিত হয়েছে। ইউক্রেনকে ন্যাটো সদস্য করার অতি উৎসাহ দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে মিনস্ক চুক্তি না মানতে ওয়াশিংটনের উস্কানি আছে বলে অভিযোগ আছে। তাই বর্তমান ইউক্রেন পরিস্থিতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দায়ও কম নয়।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন নিজের দেশের নিরাপত্তা জন্য সঠিক কাজ করেছেন। ন্যাটো এবং আমেরিকার দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়ার জন্য পুতিন একাই যথেষ্ট। সাহস থাকলে এবার আমেরিকা ও ন্যাটো এসে এখানে রাশিয়ার সাথে লড়াই করুক। পুতিন দেশপ্রেমিক ও বুদ্ধিমান। আজ না হয় কাল এই যুদ্ধ হতোই। ন্যাটোতে যোগ দিলে শক্তিশালী হয়ে দুদিন পরেই আমেরিকা এবং ন্যাটোর ইস্কানীতে পায়ে পারা দিয়ে এই ইউক্রেনই রাশিয়ার সাথেন ঝামেলা পাঁকাতো। এটা পরিষ্কারভাবে বুঝা যায় যে আমেরিকা, ন্যাটো ও ইউক্রেনের উদ্দেশ্য মোটেও ভালো নয়। কাজেই বুদ্ধিমান পুতিন শুরুতেই এদের বিষদাঁত ভেঙ্গে দিতে চাইছেন।

আমেরিকার ইউকেন নিয়ে এত লাফালাফি কেন? সে তো আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া ও লিবিয়ার মত একের পর এক বিরোধীমতপন্থী দেশগুলিকে আক্রমণ করে ধংস করে দিয়েছে। কোটি কোটি মানুষ হত্যার জন্য এই আমেরিকা এবং এর তাবেদারী সংঘ ন্যাটো দায়ী। আজ সারা পৃথিবী জুড়ে বিনা কারনে কোটি কোটি মানুষকে বিনা কারনে মেরে ফেলার জন্য দায়ী পাশ্চাত্য দেশগুলির আজ মানবতার জন্য মায়াকান্না করা কি সাজে?

ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমনের জন্য একমাত্র দায়ী হচ্ছে আমেরিকা এবং ন্যাটো। আমেরিকাই হলো পৃথিবীর একমাত্র সন্ত্রাসী রাষ্ট্র এবং এর মদদপুষ্ট ইসরাইল হলো আমেরিকার তৈরি জারজ রাষ্ট্র মানে অবৈধ রাষ্ট্র। পশ্চিমারা হচ্ছে ভালো মানুষের লেবাসধারী শীর্ষ সন্ত্রাসী। আমি পুতিনের সমর্থক নই। তবে আমেরিকা গংদের চেয়ে কয়েকগুন পুতিন ভালো। আমেরিকা এবং ইসরাইল ধ্বংস হলে পৃথিবীতে এমনিতেই শান্তি ফিরে আসবে। ইউক্রেনের এই পরিনতির জন্য আমেরিকা তথা পশ্চিমারাই দায়ী।

পুতিন বার বার বলেছেন ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগদান না করলে এই দেশের কোন সমস্যা হবে না। ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার প্রয়োজনটা কি?
এখন ইউক্রেনকে কে বাচাঁবে?
ন্যাটো?
আমেরিকা?

ইউক্রেনে বর্তমান অবস্থাঃ
রাশিয়ার স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ছয়টার কিছুক্ষণ আগে প্রেসিডেন্ট পুতিন সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন। এরপরই ইউক্রেনের দক্ষিণে সামরিক অভিযানে ঝাপিয়ে পড়ে প্রস্তুত থাকা রুশ সেনারা। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, নাশকতাকারীরা কিয়েভে প্রবেশ করেছে। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ঢুকে পড়েছে রুশ সৈন্যরা। শুক্রবার ইউক্রেনের এক কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান। তবে ইউক্রেন সেনারা যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি টুইট বার্তায় জানায়, ‘শত্রুরা’ এখন ওবোলোনে পৌঁছে গেছে। এটি কিয়েভ শহরের কেন্দ্রস্থল, কিয়েভের পার্লামেন্ট থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে।
পূর্ব ইউক্রেনে সামরিক অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দিয়ে রাশিয়ার সেনাবাহিনী এখন উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব দিক দিয়ে দেশটিতে ঢুকছে। তারা এখন কিয়েভের একেবারে দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে।

এবার দেখা যাক রাশিয়ার আক্রমনের পর ভূরাজনৈতিক অবস্থাঃ
১) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদঃ
ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানের যে নিন্দা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে উঠেছে তা নাকচ করে দিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনে রুশ হামলার বিষয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে তোলা একটি খসড়া নিন্দা প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে রাশিয়া। এছাড়া ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছে চীন, ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ইউক্রেন ইস্যুতে প্রভাবশালী তিন দেশ নিন্দা প্রস্তাবে সায় না দেওয়াকে মস্কোর বিজয় হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ইউক্রেন ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়া তার ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করেছে। রুশ অভিযানের নিন্দার পক্ষে ১১টি, বিপক্ষে একটি এবং তিনটি ভোটদানে বিরত থেকেছে। চীন এ ব্যাপারে সমালোচনা করতে অস্বীকার করেছে। শুক্রবার নিউইয়র্ক সিটিতে জাতিসংঘের সদর দফতরে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। রাশিয়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। জাতিসংঘে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বর্তমানে এই মাসের কাউন্সিলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নিন্দা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভেটো দেয়া নামে এই নিকৃষ্ট কাজ বছরের পর বছর ধরে পাশ্চাত্য দেশগুলি ইজরাইলকে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য করে এসেছে। মিথ্যা অভিযোগে ইরাক, লিবিয়া আক্রমনের সময়ে করে এসেছে। সুযোগ করে দিয়েছে বাকি ক্ষমতাধর দেশগুলিকে এই ক্ষমতা অপব্যবহার করার। এখন রাশিয়া তো এটা সুযোগ বুঝে ব্যবহার করবেই।

২) আমেরিকাঃ
এই যুদ্ধ শুরু হলে বাইডেন সতর্ক করে বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র এটা নিয়ে কোন যুদ্ধে জড়াতে চায় না। সেইরকম কোনো পরিস্থিতির উদ্ভব হলে ইউক্রেন থেকে মার্কিন নাগরিকদের উদ্ধার করতেও কোন সেনা পাঠানো হবে না। উল্টো ইউক্রেনে থাকা মার্কিন সামরিক উপদেষ্টা ও পর্যবেক্ষকদের দ্রুত ফিরিয়ে এনেছেন। সাম্প্রতিক এক জরিপে (এপি-এনওআরসি‌ পরিচালিত) বলা হচ্ছে, ৭২ শতাংশ মার্কিন মনে করেন, রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের এ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা নেওয়া উচিত নয় বা নিলেও সেটা খুব গৌণ হওয়া উচিত। মার্কিন জনগণ এখন নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে বেশি চিন্তিত। বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ বেশি। আসছে মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে এখন এটাই বেশি মাথায় রাখতে হচ্ছে।

৩) যুক্তরাজ্যঃ
রুশ বাহিনীকে ঠেকাতে তাদের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে না যুক্তরাজ্য। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস বিবিসিকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন। ইউক্রেনের আকাশে ‘নো-ফ্লাই জোন’ তৈরির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ইউক্রেন যেহেতু ন্যাটোর সদস্য দেশ নয়, তাই এটা করা সম্ভব নয়। বেন ওয়ালেস বলেন, একটি ‘নো-ফ্লাই জোন’ করতে হলে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানকে সরাসরি রাশিয়ার যুদ্ধবিমানের বিপক্ষে পাঠাতে হবে। ফলে রাশিয়ার বিপক্ষে ন্যাটোকে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। সেটা (নো-ফ্লাই জোন) করা হলে এটাই ঘটবে। অথচ ইউক্রেনকে ন্যাটোতে নেওয়ার বিষয়ে ২০০৮ সাল থেকে ব্রিটেন সমর্থন করে আসছে। বিপদ উস্কে দিয়ে পিছন থেকে কীভাবে সরে পরতে হয় তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখালো যুক্তরাজ্য।

৪) ফ্রান্সঃ
গত জানুয়ারির শুরুর দিকে রাশিয়া ইউক্রেন ইস্যুতে উত্তেজনা যখন চরমে, সেইসময় কৃষ্ণসাগর ছেড়ে যায় ন্যাটোর সদস্যদেশ ফ্রান্সের একটি যুদ্ধজাহাজ। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা সামরিক জোটের কোনো জাহাজ এখানে ইউক্রেনের সমর্থনে আসেনি।


পরিশেষঃ
ইউক্রেনের আকাশে এখন গোলা-বারুদের গন্ধ। রুশ সেনাদের সঙ্গে ইউক্রেনের নিরাপত্তা বাহিনীর তুমুল লড়াই চলছে। ইতোমধ্যে কিয়েভের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে মস্কো। স্নায়ুযুদ্ধের প্রায় ৪০ বছর পর ফের দু’ভাগে বিভক্ত বিশ্ব। একদিকে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা এবং রাশিয়াকে সমর্থন করছে চিন। এই পরিস্থিতিকে অনেকেই ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধর’ আগের মুহূর্ত বলে ব্যাখ্যা করছেন।

এই যুদ্ধে পশ্চিমা বন্ধুদের পাশে পাননি বলেও জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। রাশিয়ার নৃশংস হামলা বন্ধ করতে এবং ইউক্রেনকে সহায়তার জন্য পশ্চিমা মিত্রদের কাছে তাই আবার আবেদন জানিয়েছেন জেলেনস্কি। তবে প্রথম থেকে ইউক্রেনকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেওয়ার হলেও যুদ্ধের মাঠে দেশটিকে সহায়তায় এগিয়ে আসেনি পশ্চিমারা। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ রাশিয়ার ওপর শুধু নিষেধাজ্ঞা দিয়েই থেমে গেছে। এ জন্য হতাশা প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। রাশিয়ার সেনাদের অগ্রগতি থামাতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়ায় বিশ্ব নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। নেতাদের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনে তিনি বলেন, এ ধরনের ভয়াবহ হামলা ইউরোপ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় দেখেছিল।

ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট ব্যক্তিগত জীবনে একজন জোকার ছিলেন। এখন রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিজের দেশকে এতবড় বিপদের মুখে ঠেলে দিয়ে তিনি প্রমান করলেন একজন জোকার দিয়ে আসলেই রাষ্ট্র পরিচালনা হয় না। ইউক্রেনের অনেক মানুষ আছে এখনো রাশিয়াকে মনে প্রানে চায়। অতি দ্রুত রাশিয়া ইউক্রেন পুরোপুরি দখল করে নিয়ে বর্তমান সরকার পরিবর্তন করে নিজের পছন্দমতন সরকার বসাবে। দেশ হিসেবে হয়তো দখল না করলেও রাশিয়ার আনুগত্য সরকার দিয়ে প্রদেশ হিসেবে ইউক্রেনকে রাখবে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ধরে উপযুক্ত বিচার করা দরকার কাদের স্বার্থে সে একটা আস্ত দেশকে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে। যাদের সে বন্ধু ভেবে এতদূর এসেছে আজ তারা কোথায়? অনেকেই ভাবছেন হুট করে পাশ্চাত্যের দেশগুলি এতবড় বেইমানী করলো?

প্রকৃতপক্ষে এদের যা স্বভাব তাই করেছে। সবচেয়ে উঁচু কন্টকময় গাছে তুলে মই নিয়ে বাসায় চলে গেছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে, পুতিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার মতো হ্যাডাম এদের কারো নাই। সম্ভবত ইউরোপের আমদানী করা গ্যাসের প্রায় ৪০% রাশিয়া থেকে আসে। এই গ্যাস লাইন ক্ষিপ্ত হয়ে রাশিয়া বন্ধ করে দিলে পুরো ইউরোপ ঠান্ডায় অকেজো হয়ে যাবে। ভুলেও পাশ্চাত্যের দেশ রাশিয়া আক্রমনের মতো এতবড় ভুল কাজ কখনোই করবে না।

ইউক্রেনের এই শিক্ষার দরকার ছিল। কে আপন আর কে পর এবার এরা বুঝবে।
বুঝবে চোখের সামনে মুলা ঝুলে থাকলেই সেই মুলে যে সবাই খেতে পায় এটা ঠিক না।

ইউক্রনকে এতবড় বিপদে ফেলে যুদ্ধের মুখে ঠেলে দিয়ে আমেরিকা সহ ন্যাটোর দেশগুলি যেই মই নিয়ে বাসায় নিয়ে চলে গেছে, সেই মই ইউক্রেন আর কখনোই নিচে বাস্তবতার ভূমিতে নামার জন্য ফিরত পাবে না।

সবাইকে ধন্যবাদ ও শুভ কামনা রইলো
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত @ নীল আকাশ, ফেব্রুয়ারী ২০২২




সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সকাল ৯:১২
১১টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইউরোপে ইমিগ্রেশন-বিরোধী, ডানপন্হীদের ক্ষমতায় আরোহণ

লিখেছেন সোনাগাজী, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:৫৩



**** মাত্র ৮টি মন্তব্য পেয়ে এই পোষ্ট আলোচনার পাতায় চলে গেছে, আমার কাছে ভালো লাগছে না। ****

আগামী মাসে ইতালীর নতুন প্রাইম মিনিষ্টার হতে যাচ্ছেন ১ জন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্যাটু প্রথা এবং......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:১৪

ট্যাটু প্রথা এবং......

যুগে যুগে, কালে কালে দুনিয়া জুড়ে রাজাদের ‘প্রয়োজন’ হত নতুন নতুন রাণির। কিন্তু এত রাজকুমারী তো আর পাওয়া সম্ভব ছিল না। তাই, সাম্রাজ্যের পথেঘাটে কোনও সুন্দরীকে পছন্দ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যার ইন ব্লগ রিভিউ সেপ্টেম্বর ২০২২। ভালোলাগার ৩০ জন ব্লগারের ৩০ পোষ্ট।

লিখেছেন ভার্চুয়াল তাসনিম, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৩১

মাসের সর্বাধিক পাঠক পাওয়া ৫ পোস্টঃ
১) যাপিত জীবনঃ ব্লগিং এর সমাপ্তি। - জাদিদ।
"শালীন হাস্যরস ভালোবাসেন। পোষ্টের গভীরতা অনুভব করে উপযুক্ত মন্তব্য করার ক্ষেত্রে তাঁর জুড়ি নেই। সবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্তর্বাস এবং পাকিস্তান এয়ারলাইন্স এর ক্রু

লিখেছেন শাহ আজিজ, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ রাত ৮:২৬

নেট


অন্তর্বাস বা ব্রা না পরার কারণে’ এয়ারলাইন্সের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে মন্তব্য করে এ নিয়ম চালু করেছে পিআইএ কর্তৃপক্ষ। বিমানবালা বা কেবিন ক্রুদের ‘ঠিকঠাক’... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রকৃতির খেয়াল - ০৬

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৫৩

১ : রংধনু রাঙ্গা মাছ


রংধনু রাঙ্গা এই মাছটির নাম Rose-Veiled Fairy Wrasse যা মালদ্বীপের সমূদ্রের ঢেউয়ের নীচের কোরাল প্রাচীর এলাকায় বসবাস করে। এটিকে জীবন্ত রংধনু বললে কোনো ভুল হবে না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×