
লেখকের উপস্থাপন কৌশল ঘটনাগুলোকে জীবন্ত করে তুলেছে। এমনটা মনে হওয়ার কারণ হতে পারে আমার ইন্টারেস্টের কারণ থেকেও হতে পারে।
যাহোক বাংলাদেশে ‘র’: আগ্রাসী গুপ্তচরবৃত্তির স্বরূপ সন্ধান বইয়ের মূল কয়েকটি পয়েন্টঃ
১️. র (RAW)-এর কৌশলঃ
★ভারতের আঞ্চলিক স্বার্থ রক্ষা ও প্রভাব বিস্তার ও পলিসি নির্বাচন।
★দক্ষিণ এশিয়ায় ভূ-রাজনৈতিক কৌশল।
★প্রতিবেশী রাষ্ট্রে গোপন তথ্য সংগ্রহ।
২️.বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রভাবঃ
★স্বাধীনতার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক মোড়কে পরোক্ষ ভূমিকা রাখা।
★নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ।
★নির্বাচন ও নীতিনির্ধারণে প্রভাব বিস্তার।
৩️. সামরিক ও নিরাপত্তা বিষয়ঃ
★নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও ট্রাপে ফালানো।
★সীমান্ত ও সন্ত্রাসবাদবিরোধী সহযোগিতার আড়ালে গোয়েন্দা তৎপরতা।
৪️.সীমান্ত সমস্যাঃ
★সীমান্ত নিরাপত্তা, বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও আঞ্চলিক অস্থিরতা তৈরীতে তৎপরতা।
★পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতাকে কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে দেখান।
৫️.গণমাধ্যম ও সিভিল সোসাইটিতে এজেন্ট তৈরী
★মিডিয়া, বুদ্ধিজীবী ও নীতিনির্ধারণী মহলে প্রভাব বিস্তার
★জনমত গঠনে কূটনৈতিক ও গোয়েন্দা ভূমিকা।
৬️.সাক্ষাৎকার ও অভ্যন্তরীণ তথ্য
★সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকার
★অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণভিত্তিক বিশ্লেষণ
লেখক নিজে একজন সামরিক বাহিনীর সাবেক সদস্য হওয়াই ভারতের র এর কৌশল, এজেন্ট ও কর্মতৎপরতা সম্পর্কে সম্যকধারণা লাভ করা যায়।
বইয়ের নামঃবাংলাদেশে গোয়েন্দা সংস্থা র এর আগ্রাসী গুপ্তচর বৃত্তির স্বরূপ সন্ধান"
লেখকঃ আবু রুশদ
পৃষ্ঠাঃ ২৯৬
মূল্যঃ ৬০০
প্রকাশনীঃরেডিয়েন্ট লিফ পাবলিশিং
ISBN: 978-984-311-438-9
প্রাপ্তি স্থানঃদেশের অভিজাত লাইব্রেরি ও অনলাইন প্লাটফর্ম(রকমারি.কম, প্রথমা.কম ইত্যাদি)
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


