মেয়েদের একা পেয়ে অনেকে মন্তব্য করে,আবার অনেকে গায়ে পড়ে কথা বলতে চায়।
অনেকে ভয়ে প্রতিবাদ করেনা বা এড়িয়ে যেতে চায়। কারণ অনেক মেয়েদের একাই চলাফেরা করতে হয়। একদিন প্রতিবাদ করার পর অন্যদিন রাস্তায় একা পেয়ে যদি বড় কোন বিপদ ঘটিয়ে ফেলে।
সাংবাদিকরা তো সবসময় কোন মেয়ের সাথে সব সময় থাকতে পারবে না বা থাকবেও না। তাই অনেককে দেখেছি এরকম ঘটনাগুলোকে এড়িয়ে যেতে চায়।
আর পরচর্চাপ্রিয় মানুষরা তো খুব সুখে থাকে। খায় দায় এবং অলস মস্তিষ্ক নিয়ে চিন্তা-ভাবনাহীন সময় কাটায়। এই শ্রেণীর মানুষরা মেয়েদের কষ্ট দেখলে মজা পায়। তার ওপর রং চড়িয়ে মুখরোচক কাহিনী বানায়।এদের মধ্যে মহিলাদের সংখ্যাই বেশি। তাদের মহল থেকেই একজন মেয়ের স্বাধীন চলাচল নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়।
তাই আমার মনে হয়,মেয়েদের মধ্যে থেকে জাগরণ আসলে সেটা হবে দীর্ঘস্থায়ী।যতটা সচেতন না হলে মেয়েদের সঙ্কিত আর জীর্ণ দশা থেকে মুক্তি পায় ঠিক ততটা তাদের সচেতন ও সাবধান হওয়া উচিত।
মেয়েদের কষ্টের দিন যে কবে শেষ হবে কে জানে?
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



