সবাই বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারলে নিজেকে অনেক বড় কিছু মনে করে। কিন্তু তাদের অবস্তা বাংলাদেশের চেয়ে অনেক খারাপ।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ক্যাপিটাল মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যায়ভাবে কিছু বাঙালি শিক্ষার্থীকে বের করে দেওয়া হয়েছে। দালালচক্রের কাছ থেকে মুনাফা লাভের আশায় কর্তৃপক্ষ যা ইচ্ছে তাই করছে।”
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, “অজানা কারণে এসব বহিষ্কারের ঘটনা ঘটায় আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। কোনো রকমে এখানে লেখাপড়া শেষ করে দেশে ফিরে যেতে পারলেই হলো।”
এ মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রায় অর্ধশত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। কিন্তু গত কয়েক মাসে এই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা ও অন্যায় সিদ্ধান্তের বলি হয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী। প্রচুর অর্থ খরচ করে অনেক স্বপ্ন আর আশা নিয়ে অভিভাকেরা রাজধানীর এই খ্যাতনামা এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সন্তানদের ভর্তি করালেও পরবর্তীতে পড়াশোনার মান দেখে হতাশ হচ্ছেন। কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তের জন্য অকালে ঝরে পড়ছে অনেক শিক্ষার্থী।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতি বছর এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কতিপয় শিক্ষার্থী বেশধারী দালাল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিভাগের যোগসাজশে ভর্তি বাণিজ্যে মেতে ওঠে। বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নানাভাবে বিজ্ঞাপন দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে বেইজিংয়ের এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির জন্য নেওয়া হয় মোটা অঙ্কের অতিরিক্ত অর্থ। যার কোনো লিখিত প্রমাণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরবরাহ করা হয় না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ক্যাপিটাল মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যায়ভাবে কিছু বাঙালি শিক্ষার্থীকে বের করে দেওয়া হয়েছে। দালালচক্রের কাছ থেকে মুনাফা লাভের আশায় কর্তৃপক্ষ যা ইচ্ছে তাই করছে।”
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, “অজানা কারণে এসব বহিষ্কারের ঘটনা ঘটায় আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। কোনো রকমে এখানে লেখাপড়া শেষ করে দেশে ফিরে যেতে পারলেই হলো।”
এ মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রায় অর্ধশত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। কিন্তু গত কয়েক মাসে এই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা ও অন্যায় সিদ্ধান্তের বলি হয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী। প্রচুর অর্থ খরচ করে অনেক স্বপ্ন আর আশা নিয়ে অভিভাকেরা রাজধানীর এই খ্যাতনামা এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সন্তানদের ভর্তি করালেও পরবর্তীতে পড়াশোনার মান দেখে হতাশ হচ্ছেন। কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তের জন্য অকালে ঝরে পড়ছে অনেক শিক্ষার্থী।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতি বছর এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কতিপয় শিক্ষার্থী বেশধারী দালাল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিভাগের যোগসাজশে ভর্তি বাণিজ্যে মেতে ওঠে। বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নানাভাবে বিজ্ঞাপন দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে বেইজিংয়ের এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির জন্য নেওয়া হয় মোটা অঙ্কের অতিরিক্ত অর্থ। যার কোনো লিখিত প্রমাণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরবরাহ করা হয় না।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



