somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মায়ের টেলিফোন

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৩:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ঘড়িতে সকাল ১০.৩০ মিনিট। ক্লাস শুরু হবে কিছুক্ষণ পরই। স্যারের অপেক্ষাই আমরা। এমবিএর ছাত্র হিসেবে ছাত্র আমাদেরকে আপনি সম্বোধন করে কথা বললেন। ক্লাসের নিয়ম নীতি সম্পর্কে অনেক গুলো দিক নির্দেশনার মধ্যে একটি ছিল ক্লাসে ফোনে কথা বলা যাবে না। ফোন সাইলেন্ট রাখতে হবে। স্যারের নির্দেশ পেয়ে পকেটে হাত দিয়ে ফোনটির সাউন্ড বন্ধ করে দিলাম। ইংরেজিতে লেকচার শুনছি কিন্তু অধিকাংশই বুঝতে পারছি না। তবুও একামত্ম অনুগত ছাত্র হিসেবে বসে আছি হঠাৎ ফোনের রিং টোন বেজে উঠল স্যারের ফোনে। আমরা চোখাচোখি করে হাসলাম।
স্যার সরি বলে ফোন রিসিপ করলেন। তারপর আমাদেরকে বললেন , আমার বাবা ফোন দিয়েছিল। আমি কথা বললাম কারণ আমার মা একদিন ক্লাসের সময় ফোন দিয়েছিল আমি ফোন রিসিপ করে বলেছিলাম মা তোমার সাথে পরে কথা বলছি। ক্লাস শেষে আমার মায়ের সাথে আর কথা বলা হয়নি। ততক্ষনে মা চলে গেছেন না ফেরার দেশে। ক্লাসে পিন পতন নিরবতা । আমার চোখ বেয়ে ঝরছে পানি । কত বার মায়ের ফোন ধরি না সামান্য ব্যসত্মতার কারণে হায় যদি আমার মাও চলে যায় না ফেরার দেশে, তবে মায়ের সাথে কথা বলা হবে না আর কোনদিন। তাই শত ব্যসত্মতার মাঝেও বাবা মায়ের ফোন পেলে কথা বলা উচিত এবং আমি মনে করি আমরা যারা বেচেঁ থাকার তাগিদে বাবা মাকে ছেড়ে অনেক দূরে আছি তাদের উচিত প্রতিদিন অনমত্ম একবার করে হলেও বাবা মায়ের সাথে কথা বলা। আপনার সুন্দরী বউ এর চাইতে হাজারো সুন্দরী বউ আপনি পেতে পারেন, আপনার সমত্মানের মত আরো সমত্মান আপনার পাওয়ার সম্ভবনা আছে কিন্তু পৃথিবীতে এমন কোন কিছু নেই যার বিনিময়ে আপনার বাবা ও মাকে আপনি ফিরে পেতে পারেন। তাই হৃদয়ের সমসত্ম ভালবাসা দিয়ে আসুন আমরা ভালবাসি মা ও বাবাকে।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৩:০৯
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভুলে যেও

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:০১

" ভুলে যেও "

একটু একটু করে চলে যাচ্ছি গভীর অতলে,
ধীরে সুস্থে হাটি হাটি পা পা করে এগিয়ে যাচ্ছি
অনন্তকালের ঘরে।
যেখানে থাকতে হবে একাকি
নি:স্বীম আঁধারে।

ভালো থেক ফুল,পাখি, লতাপাতা,
ভালো থেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ আকাশ বলতে কিছু নেই

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪২

অনেক হয়েছে । আর না ।
সেই পরশু রাত থেকে । এক-দুই-পাঁচ-দশবার নয় । তিরাশিবার ! হ্যাঁ, তিরাশিবার ঈশিতার নাম্বারে ডায়াল করেও কোনো রেসপন্স পায় নি অলক ।
ওপাশ থেকে একটা নারীকণ্ঠ... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতিভুক বৈশাখী মেলা আর হালখাতা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪১

স্মৃতিভুক বৈশাখী মেলা আর হালখাতা....

সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাঙালীর পহেলা বৈশাখ উদযাপন করার রীতিও বদলে গিয়েছে। অনেক ঐতিহ্য কালের গর্বে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, আবার যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন রীতি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোকেয়া পদক ২০২৫: ঘৃণা আর পুরস্কারের এক অদ্ভুত সহাবস্থান

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:০৭


২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর দেশে অনেক কিছু ঘটেছিল। কিছু আশার, কিছু উত্তেজনার, আর কিছু একেবারে হতবাক করে দেওয়ার মতো। হতবাক করার মতো প্রথমেই যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ- মেঘলা আকাশ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৩৮

তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস
সময় সন্ধ্যা ৭টা বেজে ৪০ মিনিট
জানালা থেকে ঐ বাঁ দিকে Lake Ontario -র জল আর আকাশের মেঘের মেলা মিলেমিশে একাকার


একটু আলোর রেখা
টরোন্টো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×