
বিয়ের সাজে মেয়েদের এতো সুন্দর লাগে কেনো? কারণটা কি বিউটি পার্লারের দামি মেক-আপ, নাকি এতোদিনের যত্নে লালিত ভালোবাসাকে পরিণতি দেবার আনন্দ? যে মেয়েটি ভালোবেসে বিয়ে করেনি, তাকেও ভয়ংকর সুন্দর দেখায়। আবার যেই মেয়েটি অন্য কাউকে পছন্দ করতো, কিংবা নিতান্তই পরিবারের পছন্দে বিয়ে করছে, তাকেও একইরকম সুন্দর দেখায়। দামি গয়না আর দামি শাড়ির চেয়েও, বরের পাশে ঘোমটা টেনে আধো লাজ আর অনাগত রোমাঞ্চের আধো উত্তেজনায় ভরা হাসিটাই তার আসল সৌন্দর্য্য, যা জীবনে একবারই হাসে মেয়েটি।

অপরদিকে ছেলেটাকেও যে কম সুন্দর লাগে তা নয়। টোপড় পড়ে ছেলেটি বসে মেয়েটির পাশে। আগের মতো এখন আর মুখে রুমাল চেপে ধরতে দেখা যায় না। বিয়েটা এখন আর লজ্জ্বার কিছু নয়, হওয়াও উচিৎ না। ছেলেটির সেই হাসিতে থাকে সাফল্যের প্রতিচ্ছবি, থাকে নতুন জীবন শুরুর চ্যালেঞ্জটাও। হিন্দুদের বিয়েতে অনেক সময় দেখা যায় হাসির বদলে পাত্র-পাত্রীর মুখভরা ক্লান্তি, উপোষ এবং রাত জাগার স্পষ্ট ছাপ। এজন্যই হয়তো দ্বিতীয়বার আর ঐপথ মাড়ায় না বেচারা এবং বেচারীরা!

আপনি যখন ছেলে, আপনার বয়স যখন ২৭ পেরিয়ে ২৮ ছুঁইছুঁই এবং আপনি যখন এই বয়সেও নিজেকে গুছিয়ে নিতে পারেননি অথবা মনের মতো কাউকে খুঁজে পাননি, তখন আপনার কর্তব্য হলো ফেসবুকে বসে বসে 'সদ্য-সফল' বন্ধু-বান্ধবির বিয়ের ছবি দেখা আর তাতে লাইক-ভালোবাসা দিয়ে শুভকামনা জানিয়ে কমেন্ট করা। তারপর পরক্ষণেই হালকা মুড়ি খেয়ে এক গ্লাস পানি গিলে ঘুমিয়ে পড়া।
--দেব দুলাল গুহ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

