খাসির মাংসের তেহারি বলে নাকি চালিয়ে দেয়া হয়েছে গরুর মাংস! এইতো, চলতি রাতের ঘটনা। ঘটেছে দেশের সর্বোচ্চ প্রকৌশল বিদ্যাপিঠ বুয়েটে। ছাত্ররা বলছে, পাঁচ দিনের সিভিল সামিটের আজ চতুর্থদিন রাতের গ্র্যান্ড ডিনারের গ্র্যান্ড খানাপিনায় নাকি ঘটেছে এই কান্ড! খাবারের দায়-দায়িত্ব নাকি আনোয়ার গ্রুপের। ওদের দুর্ভাগ্য। ওরা কি আর জানতো, হিন্দুরা অনেকেই এখন গরুও খায়, তাই খাসি আর গরুর পার্থক্যটা বুঝে ফেলবে?
যতক্ষণে বিষয়টা বোঝা গেছে, ততক্ষণে যা হবার তা হয়ে গেছে। চেটেপুটে খাওয়া শেষ। জানতে পেরে বমিও করেছে অনেকে। পরে মিছিল হয়েছে। কাল নাকি ক্লাস বর্জন। বিচার না পেলে পরশু থেকে অনির্দিষ্টকালের ছাত্র ধর্মঘট ডাকা হবে বলে জানা গেছে। আর কেবল এক শিক্ষক ছোটভাই জানালো, আনুষ্ঠানিকভাবে ঐ গ্রুপকে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দেয়া হবে বুয়েট থেকে।
গরুর মাংস খেলেই জাত যায় না ভাইসকল। কিন্তু ধর্মীয় কুসংস্কার হোক আর যা-ই হোক, যেহেতু তারা গরুকে মায়ের মতো ভক্তি করেই তো করুক না, না খেলে না খাক। আবার কারো হার্টের সমস্যার কারণেও তো না খেতে পারে। কেনো তাকে আপনার যেকোন উপায়ে সেটা খাওয়াতেই হবে? বিশেষ কোনো লাভ কি আপনার আছে এই কাজ করে?
যারা খায় তারা খাক, যারা খায় না তারা না খাক। না খেলে আপনার কি কোনো ক্ষতি হচ্ছে? ভাই, অন্যের ভালোলাগা পছন্দকে সম্মান না জানালে আপনি কি করে তার কাছে সম্মান পাবেন বলুন? যদি আজ উল্টোটা হতো, তবে এতোক্ষণে আপনারা কী কী করতেন বলতে পারেন?
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৩:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




