
" আমার ধর্ম নিয়ে নোংরা কিছু লিখলে আমার সেন্টিমেন্টে লাগে, কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে এ ধরনের লেখা কিংবা কথা বলা যাবে না। "
প্রথম এই বানীটি,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সেন্টিমেন্টের কথা জনসম্মুখে তখনই প্রকাশ করেছিলেন যার কিছুদিন আগে সরকারী দলের ক্যাডাররা লক্ষ্মী পূজা উদযাপন করার দায়ে ফেনীর সংখ্যালঘু মায়ের(তুলসী দাস) পেটে লাথি দিয়ে গর্ভপাত করেছিল ।গণপ্রজাতন্ত্রীক বাংলাদেশের ধর্ম নিরপেক্ষ প্রধানমন্ত্রীর জনসম্মুখে প্রকাশ করা সেন্টিমেটে অন্য ধর্মের প্রতি যে অনুভূতি স্পষ্ট পরিলক্ষিত কিন্তু প্রকাশ নয়,
"কারো অনুভূতিতে আঘাত লাগে এধরনের কথা লেখা যাবে না,ধর্মনামের অজুহাতে বিধর্মী খুন হলে সরকারী দলের ক্যাডার দ্বারা লাথি দিয়ে সঙ্খ্যালঘু মায়ের পেটের বাচ্চা গর্ভপাত হলে দেশে সু-বিচার হবে না "
দ্বিতীয় বানীটি কিছুদিন আগে পদ্মাসেতুর ফিলার উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন জাতির পিতা বলেছিলেন,
“কেউ দাবায়া রাখতে পারবা না,আজকে সেটা প্রমাণ হয়েছে"
কিন্তু জাতির পিতা বলেছিলেন “বাঙ্গালী জাতিকে কেউ দাবায় রাখতে পারবে না” প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার কথার ‘বাঙ্গালী’ কথা না বলার কারন বর্তমানে বাঙ্গালী জাতিকে দাবিয়ে রেখেছেন জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা স্বয়ং নিজেই,যেমন ২০১৫ সালে ২২ দিন ফেসবুক বন্ধ রেখে জাতির ব্যাক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ ব্যাবহারে হস্তক্ষেপ করা, জাতির ব্যাক্তিগত কোন দিবস উদযাপন “থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন” করার ক্ষেত্রেও বাঙ্গালীকে দাবিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।
বিঃদ্রঃ উল্লেখিত এ দুই বানী আমার দৃষ্টিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২০১৫ সালে করা স্মরণীয় উক্তি যা জাতির পর্যালোচনার সহিত বিবেচনায় রাখা দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




