পাঠ প্রতিক্রিয়া-০১
বইয়ের নাম:দহনকাল
লেখকের নাম:হরিশংকর জলদাস
প্রকাশনী:মাওলা ব্রাদার্স
প্রান্তজনের প্রতি অশেষ ভালোবাসা নিয়ে হরিশংকর বাবু লেখতে বসেন।হরিশংকর জলদাস সরকারী চাকরী করা'র ফাঁকে সময় করে লেখতে বসেন একে বারেই নিজের তাগিদে।মাথা থেকে বোঝা নামাবার জন্য।শাদা কাগজে কলম চালান একধরনের দায় থেকে।এই দায়ের নাম মানসিক দায়,সামাজিক দায়।
'দহনকাল'হরিশংকর বাবুর লেখা প্রথম উপন্যাস।১৭৬ পৃষ্ঠার এই উপন্যাস কে পতেঙ্গার মাছ মারা সম্প্রদায়ের জীবনালেখ্য বলা যেতে পারে।১৯৭১ সালে বাঙ্গালীদের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম পরোক্ষভাবে উঠে এসেছে এখানে।
হরিশংকর জলদাসের প্রধান বৈশিষ্ট হচ্ছে প্রাঞ্জলতা।সমাজের নিচুতলার মানুষগুলো নিয়ে তিনি লেখে চলেছেন অহর্নিশি।
মাওলা ব্রাদার্স থেকে প্রকাশিত 'দহনকাল'প্রথম আলো বর্ষ সেরা বই ১৪১৬ এর সন্মান জিতে নেয়।'দহনকাল'য়ে মুক্তিসংগ্রাম থেকে উঠে এসেছে জেলে সম্প্রদায়ের জীবন সংগ্রামের কথা, অন্তদ্বন্দের কথা,শরীরের কথা,মনের ব্যাথা।রাধানাথ জলদাস কিংবা হরিদাস জলদাস কাউকেই এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বলা চলে না।জেলে সমাজের প্রতিটা চরিত্রই এখানে মূখ্য।
অদ্বৈত মর্লবর্মনের পর হরিশংকর বাবু কলম ধরেছেন নিজ সম্প্রদায়ের কথা মানুষের কাছে পৌছানোর জন্য।তার এই লেখায় কোন প্রকার রাখ ঢাক নেই।নেই কাউকে খুশি করার প্রচেষ্টা।
ব্যাপক আলোচিত অসাধারণ এই বইটির প্রশংসা করেছেন,খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।এই বইটি সমন্ধে চমৎকার প্রবন্ধ ও পাঠ করেছেন।
সাসপেন্স হীন এই বইটি তাগিদ দেয় টিকে থাকার।কালো মলাট বন্দি ১৭৬ পৃষ্ঠার এই গল্প শেখায় মাথা তুলে দাঁড়াতে।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
