জানতে পারলাম বাঙলাদেশে এখন বৈধ পতিতালয় আছে মাত্র দুইটি। একটি গোয়ালন্দে, অন্যটি টাঙাইলে। এ দুটোর টিকে থাকার কারণ হচ্ছে, এই দুই পতিতালয়ে যারা বসবাস করেন, তাদের জন্য বিভিন্ন উতস থেকে কোটি কোটি টাকা আসে, যার বখরা পেয়ে থাকেন সমাজের গণ্যমান্যরা।
সম্প্রতি ঈমানী জোশে বলীয়ান কিছু মরদ এই দুইটির ভেতরে একটি পতিতালয় উচ্ছেদের নোটিশ দিয়েছে। তাদের ভাষ্য পরিস্কার। শহরের ভেতরে এমন একটি ব্যবস্থাপনা চলতে পারে না। তারা চায়, পতিতারা যেন বিকল্প কর্মসংস্থান জোগাড় করে যেন এই পাপের পথ থেকে সরে আসে। আমি এই মনোভাবের জন্য উনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।
কিন্তু উনাদের মেনিফেষ্টোতে যে কথাটি নাই, তা হল, পতিতালয়ে গমনকারীদের অভ্যাস ছাড়ানোর জন্য উনারা বিকল্প কি ব্যবস্থা নিচ্ছেন। পতিতাদের উপভোগ কারা করে? তারা কোথাকার প্রানী? এদের ভেতরে ঈমানী জোশ-ওয়ালা মুসলমান কতজন আছেন? পতিতালয় উচ্ছেদ হলে সারা শহর কি পতিতালয় হয়ে উঠবে না? মনে রাখতে হবে, পুরুষদের লালসার শিকার হয়েই এই সব মেয়েরা অন্ধকার এই পথে আসতে বাধ্য হয়। সেই সব পশুরূপী পুরুষদের আবার সমাজে কদর অনেক বেশি। কষ্টের কথা হচ্ছে, ধর্ম আবার এই সব পুরুষদেরই পক্ষে কথা বলে।
নচ্ছাড় এবং বেয়াড়া এই ব্লগের জন্য ঈমানী জোশের লোকদের গালি আমার পাওনা হবে। তবে, উনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, পতিতাদের মত পতিতা-গমণকারীদেরও প্রতিরোধ করতে হবে। পতিতা উচ্ছেদের আগে পতিতা-গমণকারীদের সামাজিক ভাবে প্রতিরোধ করার কোন কর্মসূচী কি আপনারা নিয়েছেন??

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





