অনেকদিন ব্ল্লগে আসা হয় না। তাই রোববারের ছুটির দিনে সময় কাটাতে কম্পিউটারের সামনে বসলাম। এখন ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়া শহরে দুপোর 2:18 মিনিট। সকাল থেকে বাইরে ছিলাম। দু'দিন থেকে এখানে খুব বৃস্টি হচ্ছে। এখানে শনিবার আর রোববারের দু'দিন ছুটি পাই। কিন্তু ছুটির দিনে মনে হয় কাজের ব্যস্ততা আরও অনেক বেশী। যেমন আজকের সকালটা। ঠিক সকাল সাড়ে নয়টায় বের হলাম বাজার করার জন্য। সাধারণত: বেলা হলে রোববার দিন বাজারে বেশ ভীঁড় হয়। তাই ভাবলাম তাড়তাড়ি বেরোই।
প্রথমেই গেলাম কোরিয়ান এক দোকানে। দেশী সব্জী ও তরকারী এখানে খুব সস্তা। তাই এশিয়ানরা আর স্প্যানীশরা এখানে ভালই ভীঁড় করে। দাম কম এবং যথেস্ট ফ্রেশ। অনেক ধরণের দেশীয় সব্জী কিনলাম। ছয়টা শশার দাম রাখল 1 ডলার। করল্ল্লার পাউন্ড 2 ডলার। কাঁচা মরিচের পাউন্ড 3.28 ডলার। ফুলকপি বড়ো সাইজেরটা 1 ডলার। লিচুর পাউন্ড 4 ডলার যদিও মিস্টি তেমন না। আদা রশুনের পাউন্ড 1.29 ডলার। সেখানে বাজার করে গেলাম বাংলাদেশী গ্রোসারীর দোকানে। আস্ত চিকেনের পাউন্ড 1.19 ডলার, গরুর মাংসের পাউন্ড 2.20 ডলার। 12টা মেক্সিকান আমের প্যাকেট কিনলাম 8 ডলার দিয়ে। দোকানের দু'জন কর্মচারী বেশ যত্ন করে চিকেন ও মাংস কেটে প্যাকেট করে দিল। কয়েক ডলার টিপস দেয়াতে তারা খুব খুশী।
সেখান থেকে বের হয়ে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি বারোটা বাজতে 15 মিনিট বাকী। বাসার কাছাকাছি এসে বাংলাদেশে ফোন করার জন্য 4 টা ফোন কার্ড কিনলাম 19 ডলার দিয়ে। একটা ফোন কার্ড দিয়ে ঢাকায় মোটামুটি 160 মিনিট কথা বলা যায়। ফেরার পথে দেখলাম গাড়ীতে তেল নেই। রেগুলার তেল নিলাম 2.93 ডলার গ্যালন করে। জানি না, তেলের দাম কবে কমবে এখানে। গাড়ী ফুল ট্যাংকি ফিল আপ করতে প্রায় 40 ডলার বেরিয়ে গেল। বাসায় ফিরলাম যখন ঘড়িতে বাজে 12:35 মিনিট। প্রায় 38 মাইল ড্রাইভ হলো সকাল থেকে। তারপর ভাত খেতে বসলাম। খেয়ে উপরে এসে এখন কম্পিউটারের সামনে। ছুটির দিন শেষ হয়ে গেল।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




