বর্তমান বাংলাদেশে চাকরির জন্য যতগুলো পরীক্ষা নেওয়া হয় তা আইওয়াশ ছাড়া আর কিছুই নয় । এসব পরীক্ষা ফরমালিটি রক্ষা করা ছাড়া আর অন্য কিছু নয় । কারন পরীক্ষার আগেই সিলেক্ট করা হয়ে যায় আসলে এই সোনার হরিন নামক চাকরিটা কে পাবে । যার মামা,খালু আর টাকার জোর আছে তার ঐ চাকরির পরীক্ষা দেওয়ার আগেই চাকরি হয়ে যায় । এরা টাকা দিয়ে আগেবাগেই তাদের চাকরি কনফার্ম করে রাখে । প্রাথমিক বি্দ্যালয়ে যারা সহকারী শিক্ষক হয়েছেন তারা সকলেই চার থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়ে চাকরি নিয়েছে । বর্তমানে সব মানুষের কমন ডায়লগ হলো বাংলাদেমে টাকা ছাড়া কোনো চাকরি নেই । কারো চাকরি হলেই তাকে প্রথমে জিঙ্গেস করা হয়-কত টাকা লাগছে তোমার চাকরিতে । শুধু প্রাথমিক বিদ্যালয় নয বরং পুলিশ,সেনাবাহিনী,নৌবাহিনী হতে শুরু করে বিসিএস পর্যন্তই টাকার খেলা ।আরে সাধারন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন দপ্তরিকেও তিন চার লাখ টাকা দিয়ে চাকরি নিতে হয়েছে । মূলত টাকা দিয়ে চাকরি নেওয়াটা বর্তমানে একটি ঐতিহ্যে পরিনত হয়েছে । যার কাছে চাকরির কথা বলি সেই বলে আগে টাকা জোগাড় করো তারপর চাকরির চিন্তা করো । তাহলে বুঝিনা লেখাপড়া করে কী লাভ হবে? কে দিবে আমাদের মত গরীব শিক্ষার্থীদের পাঁচ-ছয় লক্ষ টাকা? এমন দূর্নীতির কারনে আজ অনেক মেধাবীরা বেকারত্ব জীবন যাপন করছে । আর অযোগ্যরা টাকা দিয়ে চাকরি হাতিয়ে নিচ্ছে । এমন করে চলতে থাকলে দেশতো রসাতলে চলে যাবে । আমি আপনি সবাই কিন্তু জানি যে টাকা ছাড়া চাকরি হয়না । টাকা দি্লেই চাকরি হয় । তবুও সবাই নির্বাক । কেউ এর প্রতিবাদ করছে না,কেউ এর বিরুদ্ধে লেখালেখি ও করতেছে না । কিন্তু সবার এই নির্বাক থাকার কারন কী? কি এমন রহস্য লুকিয়ে রয়েছে এর মধ্যে? আসলে এই দূর্নীতি যারা রোধ করবে তারাই এই দূর্নীতি করতেছে । জানিনা কে দূর করবে এমন এতিহ্যবাহী দূর্নীতি? এ ব্যাপারে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করি । আশাকরি মানণীয় প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করলে এমন এতিহ্যবাহী দূর্নীতি দেশ থেকে দূর করা সম্ভব । সবিশেষে দেশ থেকে এমন ঐতিহ্যবাহী দূর্নীতি দূর হোক এবং বেকারগন টাকা ছাড়া তাদের মেধা দিয়েই চাকরি পাক সেটাই আমি-প্রত্যাশা করি ।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




