

মহান জাতীয় স্মৃতিসৌধ জাতির বীর সন্তানদের সমাধি স্থল এবং তাদের স্মৃতির একমাত্র দৃশ্যমান মাধ্যম। কিন্তু প্রশ্ন হলো আমরা কতটুকু রক্ষনাবেক্ষন করতে পারি জাতীর এই বীর সন্তানদের স্মৃতিসৌধকে? অনেকেই দায়িত্বে আছেন এটি দেখার জন্য। প্রশ্ন হলো আসলেই কি এরা সঠিকভাবে স্মৃতিসৌধ কে দেখভাল করতেছে? স্মৃতিসৌধের ভিতরে ঢুকলে দেখা যায় বীর সন্তানদের কবরের উপর উঠে অনেকে সেলফি তুলছে। এটি কী জাতীর বীর সন্তানদের অপমান করা হয়না? দেশের জন্য যারা প্রান দিলো তাদের কবরের উপর উঠে আমি ছবি তুললাম! বিষয়টি একবার ভাবুনতো,এটি কতোখানী কলঙ্কজনক। এ দ্বারা তো মহান মুক্তিযুদ্ধ কে অবমাননা করা হয়। আবার জাতীয় স্মৃতিসৌধের দক্ষিন দিকের দেয়ালের পাশে দিনে দুপুরে প্রস্রাব করে একাকার করে দেওয়া হয়। ঐ স্থানটি দেখলে মনে হয় স্মৃতিসৌধ এখন যেনো প্রস্রাবাগার। অথচ স্মৃতিসৌধ প্রশাসন নির্বাক? কেনো এই গাফিলতি? প্রমানটি আমি নিচের ছবিতে তুলে ধরেছি। ছবিতে দেখুন একটি লোক স্মৃতিসৌধের পাশে প্রস্রাব করতেছে। ছবিটি গত মঙ্গলবার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ থেকে তোলা। ছবিটি তোলার সময় ঐ লোকটি আমাকে হুমকি দেয়,আমি পাল্টা হুমকি দিয়ে আমার পরিচয় তুলে ধরি। পরে লোকটি ভুল স্বীকার করে চলে যায়। এরপর আমি স্মৃতিসৌধ প্রশাসনের সাথে কথা বলার চেষ্টা করি। কিন্তু ব্যর্থ হই,কারন সন্ধা হওয়ার কারনে স্মৃতিসৌধের সবকটি গেইট বন্ধ করে দেওয়া হয়। মুলত এহেন কর্মকান্ড দ্বারা যেমন জাতীর বীর সন্তানদের অপমান করা হয়,ঠিক তেমনি স্মৃতিসৌধের পরিবেশও নষ্ট হয়। তাই এক্ষেত্রে সরকার তথা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের হস্তক্ষেপ জরুরি।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


