গাজীপুর কালিয়াকৈর উপজেলার হরিনহাটি এলাকায় এপেক্স কারখানায় কাজ করেন হামিদা আক্তার। আজ 'মা দিবসে' তিনি ও মা হওয়ার কথা, হয়েছিলেন । আজ সকালে কারখানার টয়লেটে তিনি তার বাচ্চা প্রসব করেন। তবে এখন আর মা নেই। পেটের দায়ে পেটের বাচ্চাকে নিয়ে তিনি কাজ করতেন কারখানায় যদিও নিয়মানুযায়ী তিনি ছুটি পাবার কথা। আমরাতো আমাদের স্ত্রী দেরকে সাত মাসের পর আর হাটতেও দেইনা। সুতরাং আমরা বুঝবনা তার কস্ট। আজ সকালেও তিনি কাজ করতে এসেছেন। দুপুরে ব্যাথা উঠেছে। অসহ্য ব্যাথা। গেলেন সুপারভাইজার রতনের কাছে "ভাই আমার ছুটি লাগব'। আমি আমার সন্তানেরে এই দুনিয়ার মুখ দেখাব। আজ মা দিবসে আমিও মা হব। কিন্ত এই কিছুক্ষন সময় ও ছুটি দিতে নারাজ রতন মিয়া। তিনি হামিদাকে কাজে মনযোগ দিতে বললেন। হামিদা কাজে গেলেন। ব্যাথা সহ্য করতে না পরে বাথরুমে গিয়ে সেখানে অজ্ঞান হয়ে গেলেন। আর সেখানেই প্রসব করলেন তার আদরের সন্তানকে যাকে ১০ মাস ১০ দিন নিজের শরীর খাওয়াইছে, নিজের ছামড়া দিয়ে ডেকে রাখছে। জয় হয়েছে মা দিবসের।
(পরে তাদেরকে হাসপাতালে নিলে মা বাঁচলেও ছেলেকে আর বাঁচানো যায় নি)
[আমি জানিনা লেখাটা পড়ে কার কি মনে হয়েছে তবে আমার শুধু চোখ দিয়ে জল পড়েছে,আর রতন মিয়ারে পাইলে,,,,,, ]
সূত্র : Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


