আজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই যখন
নিউজ দেখলাম চলন্ত
মাইক্রোতে ধর্ষণ হয়েছে এক গারো উপজাতি তাও আমার দেশে তখন আসলেই কষ্ট লাগে,
মায়া লাগে। মেয়েটার জন্য যা
দেশটার জন্যও আরো বেশি। কারন মেয়েটা আমার বিবেকের সাথে জড়িত কিন্তু দেশটাতো আমার রক্তের সাথে জড়িত।মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করে হায়েনাদের কাছ থেকে আমাদের মা-বোনের ইজ্জত রক্ষা করছে, কিন্তু এখন যে নরপশুরা ইজ্জত নিয়ে খেলছে আমাদেরই কারো মা-বোনের তখন আমরা এর কি প্রতিবাদ করি? কিন্ত নিজেকেতো ঠিকই মুক্তিযোদ্ধার উত্তরসূরি ভাবি।
সরি, আমারতো ভুল হইছে আমারাও প্রতিবাদ করি, তা শুধুচায়ের দোকান, ফেসবুক, টুইটার,আর কিছু ব্লগেই সীমাবদ্ধ। কিন্তু যে নরপশুরা এগুলা করে তারাতো ব্লগ পড়েনা। তাদের কাছে আমাদের চায়ের দোকানের বানী যায় না। আর এই প্রতিবাদীদের মাঝেই ৮০% এর উপরে থাকি যারা শুধু ছেলেরা
মেয়েদের পোশাককে দোষী
করতে আর মেয়েরা ছেলেদের
বিবেক কে দোষী করতে পারি।।একদল বলি মেয়েরা বাহির হপিতে পারবেনা, বাহির হইলেই আমাদের দন্ডের তাড়না বেড়ে যায়,সুতরাং তারা না বের হলেই তো হয়।তাদের হাত দেখলে আমাদের আর সহ্য হয় না,তাদের পা দেখলে ও সহ্য হয় না(দায়সারা ভাব)। আর আরেকদল বলে বেড়ায় আমরা উলংগ হয়ে চলি আর যা হয়েই চলি পুরুষরা তাকাবে কেন? তাকালেও তাদের মনে কামভাব জাগবে কেন? তার মানে কি পুরুষ রা রাত্রে ছাড়া সকাল থেকে নপুংসক হয়ে থাকবে। নাকি রাস্তায় বের হতে লম্বদন্ড ঘরে রেখে আসবে(ফালতু যুক্তি)। একটু চিকিৎসা বিজ্ঞান পড়লেই আসলে জানবেন কেন আপনাদের প্রতি ভাবটা জমে,হয়ত কেউ সহ্য করে আর কেউ করপ্তে পারেনা। (দয়া করে এই সম্পর্কিত বিজ্ঞান টা পড়ে তারপর আমার সমালোচনা করবেন।)
তাহলে আমাদের মুক্তি কোনদিকে?? আসলে মেয়েদের শালীনতা ও পুরুষদের বিবেক দুইটাই ঠিক রাখতে হবে। এক পক্ষ ঠিক তো আরেক পক্ষ খারাপ হলে কখনই এই সমস্যা যাবেনা।দুজনকেই ভাল হতে হবে।পাশাপাশি আইনের লোকদের আরো ততপর হতে হবে।
আমার ফেসবুক ঠিকানা
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মে, ২০১৫ সকাল ১০:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



