somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

খাদিজা হত্যা ও ছাত্রলীগ সদস্য

০৫ ই অক্টোবর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

খাদিজা কে কোপাইছে কে? ছাত্রলীগ এর পোলা(একটা ছেলে এই কথা বলেনা কেউ, ওর পরিচয় ও ছাত্রলীগ) ।
ছাত্রলীগ বলছে ও আমাদের না। বিশ্বজিৎ এর ক্ষেত্রেও ঠিক একই রকম ভূল করেছে বলে আমার মনে হয়। তারা অস্বীকার না করে যদি বলত, হুঁ এই কুলাঙ্গার আমাদের সদস্য ছিল বলতে আমরা লজ্জিত। ওর শাস্তি ডাবল হবে প্রথমত ওর অপরাধের জন্য, দ্বিতীয়ত ও আদর্শ দলের লোক হয়েও এরকম অপরাধ করেছে তাই। এতে মনে হয় জণগণ কিছুটা হলেও ছাত্রলীগ এর প্রতি আস্থা পেত।

আমি আদর্শ দল বলাতে অনেকে বিপরীত মত প্রকাশ করতে পারে। আরে ভাই এই দলটাই একাত্তর, নব্বই এ জয় এনেছে কিন্ত এখন কি হচ্ছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের অপকর্মের কথা আসে। এর কারণ কি??

এর অনেক কারন আছে। এর মাঝে প্রথম সমস্যা হচ্ছে দলে লোক নেওয়াতে। বেশিরভাগ ছেলেই রাজনীতি করে নিজের ক্ষমতার জন্য। আর সেই ক্ষমতার তারা অপব্যবহার করে। তারা জেলে গেলে তাদের লোক তাদের বাঁচাবে। রাস্তায় অবৈধ মোটরসাইকেল নিয়ে ধরা খেলে যেন ছাড়া পায়। কোন মেয়ে কেস আটকে গেলে ছাড়িয়ে আনা এরকম ব্যাক্তিগত সমস্যা সমাধানেই দলে যোগ দেয়। এরকম সদস্যই বেশি। এদের কারণে যারা দেশপ্রেমিক হয়ে রাজনীতি করে তারাও সমাজের চোখে দোষী হয়। প্রত্যেকেই তাদের নেতার বললে চলে।

গ্রামেতো আরো করুণ অবস্থা। যে খুশি সেই ই দল পায় এবং দলে যোগদান মানেই পদ। অনেকে আচগে পড়ালেখা ছেড়ে দিছে ক্লাস সিক্স -সেভেনেই তারপর রাজনীতি করে। তারা কি করে বিভিন্ন শো-ডাউনে যাবে বিনিময়ে কিছু পাবে। মারামারি করবে। গ্রামে চুরি করবে, গাঁজা,সিগারেট খাবে, ইভটিজিং করবে আর দোষ পড়বে দলের। দলের কেউ যদি এদেরকে ধরে এনে কানের নিচে দিত তাইলে কিছুটা উন্নতি হত।

দলে যোগদান এর জন্য কিছু যোগ্যতা নির্ধারণ করে দেওয়া উচিত । নাহ পড়ালেখা না তবে সমাজের অপরাধীদের ও না। বখে যাওয়া ছেলেদের চেয়ে ফার্স্ট বেঞ্চের স্টুডেন্ট এর দিকে নজর দেওয়া উচিত।

বেশ কয়েকমাস আগে আমার ছোটবোন কে ডিস্টার্ব করায় এক ছেলেকে থাপড়াইসি (ওরে প্রথমে বুঝাইসি)। ছেলেটা সিক্সে পড়ত। এখন সেভেনে থাকার কথা। কিন্ত পড়ালেখা ছেড়ে দিছে। তো ওর বাবার কাছে বিচার দিলাম। ওর বাবা আমাকে বলে, ছেলে আমার জন্যই লাঠি নেয় পারলে ওরে একটু শায়েস্তা করতে। ও কিন্তু এখন এলাকায় ছাত্রলীগ এর সকল ছবিতে থাকে।

যে কোন অপরাধী এবং অপরাধের যে স্বীকার তাকে সবার আগে মানুষ ভাবতে হবে।
আর ছাত্রলীগ এর মত একটা দল যেন টেন্ডারবাজীর টাকা নয় ভাল পড়াশোনা করে বৃত্তির টাকার জন্য যুদ্ধ করে তা নিশ্চিত করতে হবে। গণহারে দলে সবাইকে নেওয়া বাদ দিতে হবে। অপরাধ করলে দলের পরিচয়ে যাতে পার না পায় সেই ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলেই দল হিসেবে ছাত্রলীগ পূর্ন গ্রহনযোগ্যতার দিকে এগিয়ে যাবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা ভয়ংকর

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!

শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০১


জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

আমাদের দৃষ্টিতে, তথাকথিত "জুলাই" বাংলাদেশের জন্য কোনো গৌরবের অধ্যায় নয়; বরং এটি জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা, অর্থনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাংগুক অচলায়তন

লিখেছেন মাসুদ রানা শাহীন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯


ভয় পাবেন না
আশার পিদিম জ্বালিয়ে রাখুন
প্রাণের ধুকপুকি জাগিয়ে রাখুন
হেরে যাবেন না।

ঘাবড়াবেন না
নতুন স্বর ও সাহসী উচ্চারণে অনবদ্য হোন
ক্ষুরধার সৃষ্টির ঔজ্জ্বল্যে উদ্ভাসিত হোন
থামবেন না।

নগদমূল্যে বিকোবেন না
ক্লান্ত শিরায় নতুন রক্ত বইয়ে দিন
তাতিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×