"মসজিদের পাশে আমায় কবর দিয়ো ভাই,যেন মুয়াজ্জিনের আযান শুনতে পাই"-ছোট বেলায় গ্রামের মসজিদে হুজুরের বয়ানে একথা গুলো শুনতে শুনতে কাজী নজরুল ইসলামের প্রতি আমার অসম্ভব শ্রদ্ধা ছিল।কি করেছেন জীবনে কিংবা জাতীয় কবি কি খায় না মাথায় দেয় এর কিছুই বুঝতাম না।শুধু বুঝতাম শুধু আযানের প্রতি তার ভালোবাসাটুকু।।ওমর কে নিয়ে লেখা কবিতা পড়ে গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যেত।আহা!ইসলামকে কতোটা ভালোবেসেছেন।
ভাগ্য ভাল সেই সময় আইএস কিংবা তালেবানি ধারনার কেউ আমাকে প্রভাবিত করেনি।করলে নিব্রাস কিংবা তামিম পন্থি হয়ে যেতাম খুব সামান্য চেষ্টায়।নজরুলের জীবনে তিন নারী কিংবা তার অসুস্থতা ও কিছু সত্য বই কেউ পড়তে দিলে অথবা মোর ঘুমও ঘোরে এলে মনে হয় গান আমাকে শোনালেও বিশ্বাস করতাম না।উলটো তাকে মৌখিক ভাবে হলেও তাকে আক্রমন করতাম।
আজকাল নজরুলকে খুব বেশি পরিমাণে হতাশ একজন ব্যক্তি বলে মনে হয়।একজন সন্দেহবাদীর মতো কাটিয়ে গেছেন সারা জীবন।নিজের মৃত শিশু পুত্রকে দেখতে শেষ পর্যন্ত বিশ্বাস করেছিলেন এক হিন্দু ধর্মগুরুকে।বহু গানে হিন্দু দেবীদের ব্যবহার করেছেন।স্রষ্টা সম্পর্কে নিশ্চিত না হলেই সাধারণত এমন করে বলে প্রতিয়মান হয়।
স্রষ্টা আছে কিনা জানি না তবে আজকাল যেসব হুজুররা মুসলমানদের নজরুলকে নিয়ে গর্ব করতে বলেন তারা ঠিক কি পরিমাণ সঠিক জানি না কিন্তু ঠিক এই সূত্র ধরে কবিগুরুকে অসম্মান করা তাদের উচিত নয় বলে মনে করি।এক্ষেত্রে তারেক মনোয়ারের কথা বিশেষ ভাবে মনে হয়।'৭৫ যাকে জানাজা পড়ানো ঠিক কিনা এ নিয়ে বসচা হয়েছিল,আজানের পরির্বতে যাকে আজ ঢাকার গাড়ি শব্দ শুনতে হয় তাকে সাম্প্রদায়িক করা থেকে কিছুটা দূরে থাকাটা বোধ হয় বেশি দরকারি।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



