Happyplanetindex.org এবং UN sustainable development solution network দুটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে যার মধ্যে প্রথমটিতে বাংলাদেশের অবস্থান আর দ্বিতীয়টিতে ১১০ তম।হতাশাবাদীদের একজন আমাকে প্রথম রিপোর্ট যেমন আরো হতাশ করেছে পাশপাশি দ্বিতীয়টি এনে দিয়েছে শান্তি।যাক! বাবা ১১০ তম মানে দেশের অধিকাংশ মানুষ আমার মতো অসুখী!
কিন্তু দুটি রিপোর্টে এতো ব্যবধান ক্যান?আর আসলেই সুখ কি জিনিস বা তা মাপার ব্যবস্থা কি রুপ? happyplanet সুখ মাপার ক্ষেত্রে যেসব বিষয় আমলে নিয়েছে তা কিঞ্চিৎ এমনঃ
১।তুষ্টতা
২।আয়ু
৩।আয়ের অসামঞ্জস্যতা
৪।এসব অর্জনে পরিবেশের ঊপর এর প্রভাব
বলতে বাধা নেই আমরা বাংলাদেশিরা খুব অল্পতেই পরিতৃপ্ত,গড় আয়ু প্রয়োজন মতোই আর আয়ের ক্ষেত্রে খুব বেশি তফাত নেই।তবুও আমরা কি আসলেই পরিতৃপ্ত?বাংলাদেশের অধিকাংশ নারীই জানে না সে আসলে কি চায়।সুখী নাকি দুখি তা না বুঝে তারা ভালো আছি কিংবা বিপদে আছি এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ।তাদের কি আসলেই তুলে ধরা হয়?চাহিদা্র অপূর্ণতা নিয়ে আদিম মানবদের মতো জীবনযাপন করে গুটিকতেক শিল্পপতি ছাড়া বাকি মানুষগুলো।পুঁজিবাদী অর্থনীতির একটি দেশের মতো বাংলাদেশ টাকা ছাড়া কিভাবে সুখী হতে পারে?মাথাপিছু আয় যাদের ৩১৯১ ডলার।
বিশ্বায়নের এই যুগে আমরা সারা বিশ্বের মানুষ কিভাবে জীবনযাপন করে তা দেখে থাকি খুব সহজেই।সাথে সাথে খুব সহজেই আমরা হতাশ হয়ে পরি,অসুখি হই।আমরা সুখি হতে চাই তাদের মতো।
জাতিসংঘ যে রিপোর্টই দিয়েছে তাকে আমার অধিক ভালো লেগেছে।মাথাপিছু আয়,স্বচ্ছতা,কথা বলার অধিকার,আয়ু ইত্যাদি মানুষকে সুখী করে।পশ্চিমাবিশ্বে আত্নিক সুখ নেই,টাকা মানুষকে সুখ দিতে পারেনা ইত্যাদি কথা কখনই ঠিক বলে মনে হয়নি বরং তা ব্যর্থ কিছু মানুষের মুখের বুলি বলে ধরে নিয়েছি।আমার যেহেতু খুব বেশি টাকা নেই সেহুতু আমি অসুখী এবং মনে করি দেশের অধিকাংশ মানুষ আমার মতোই অসুখী।৮ম সুখী দেশ বলা আমার কাছে খোকাকে চাদে নিয়ে যাওয়ার কথা বলার মতোই স্বান্তনা বলে মনে হয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



