somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ধর্ষণের বিচার চাওয়া এখন এক ক্লান্তির নাম!

০৫ ই মে, ২০১৭ বিকাল ৫:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



গৌরীপুর থানার ব্যারাকে ২ এপ্রিল নিজের কক্ষে শরীরে আগুন দেন কনস্টেবল হালিমা বেগম (২৫)। ওই দিন সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। হালিমা মৃত্যুর আগে তাঁর ডায়েরি ও একটি চিরকুটে আত্মহত্যার কারণ লিখে যান। হালিমা লিখেছেন, ‘আমার মরে যাওয়ার একমাত্র কারণ এসআই মোহাম্মদ মিজানুল ইসলাম আমাকে ধর্ষণ করেন। আমার অভিযোগ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গ্রহণ করেন না’।

খুলনায় মা ডেকে ঘনিষ্ঠতা তৈরির পর বাসায় নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় এক কলেজ ছাত্রী গত ১৫মার্চ এনামুল হক টিটোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। ওই দিনই এনামুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৩ এপ্রিল এনামুলকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। সকাল সাড়ে ১০টায় মামলা এজলাসে ওঠার কথা, কিন্তু আইনজীবীর কোনো খোঁজ নেই। বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে আসছি-আসছি বলে সময়ক্ষেপণ। অতঃপর নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা পর আইনজীবী যখন আদালতে হাজির, ততক্ষণে জামিন পেয়ে গেছেন আসামি।

ওপরের দুটি ঘটনাই সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমে উঠে আসে। ধর্ষণ যতটা না যৌনতার প্রকাশ, তার থেকেও অনেক বেশি পুরুষতান্ত্রিক ক্ষমতার চর্চা। ধর্ষণ করলে পুরুষ মনে করে পৌ্রুষের পরিচয় দেয়া গেলো। তাই অন্যায় অপরাধ জেনেও তারা ধর্ষণ করে। ধর্ষণ নারীর অধস্তনতা এবং নিপীড়নের ধারাবাহিকতা। একটা সমাজ কতটা সভ্য, তা নির্ভর করে ঐ সমাজের মানুষ কতটা নিরাপদ, তার ওপর। ধর্ষণ সংবাদের শিরোনাম-ই বলে দেয় যে, এটা এখন আর কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। অনেকাংশেই মনে হয় “নিরবিচ্ছিন্ন” ঘটনা। যেমন সাম্প্রতিক কালে গনমাধ্যমে উঠে আসা কিছু সংবাদের শিরোনাম ছিলো উত্তরায় কর্মজীবী কিশোরীকে গণধর্ষণ, রাজধানীতে আবার গণধর্ষণ, রাজধানীতে দুটি শিশু ধর্ষণের শিকার, গণধর্ষনের শিকার দুই পোশাক শ্রমিক, রাজধানীতে আবারও দুটি শিশু ধর্ষণ।

ধর্ষণকে যতটা না নারীর প্রতি কিংবা নারীর শরীরের প্রতি সহিংসতা বা কৃত অপরাধ হিসেবে দেখা হয় তার চেয়েও বেশি ধর্ষণকে সামাজিক নৈতিকতা, নারীর শারীরিক পবিত্রতা, সম্মান, সম্ভ্রম, সতীত্বের কাঠামোর মধ্যে দেখা হয়। এবং এই বাস্তবতায় ধর্ষণ মামলাগুলো প্রায়ই ভিকটিমের ‘চরিত্রহরণের’ ক্ষেত্র হয়ে ওঠে। ভিকটিমের বিগত যৌন ইতিহাস নিয়ে কথোপকথন ও জিজ্ঞাসাবাদের সংস্কৃতি চালু থাকার দরুন শতকরা ৯০ ভাগ মেয়েশিশু ও নারী ধর্ষণ মামলার অভিযোগ আনতে ভয় পান। কেউ কেউ মামলা মাঝপথে বন্ধ করে দেন। অনেক সময় আসামিপক্ষের উকিলের জেরায় ভিকটিম নারী মানসিক, সামাজিক ও শারীরিকভাবে ট্রমাটাইজড হয়ে পড়েন, এমনকি আত্মহননের পথ বেছে নেন। মোট ফলাফলে ধর্ষণের অভিযোগ বিচারের বাইরে রয়ে যায়। ধর্ষণের শিকার মেয়েশিশু ও নারীদের ‘টু ফিঙ্গার্স টেস্ট’ নামে একটি বিতর্কিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা এখনো বহাল আছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে পরীক্ষাটির কেতাবি নাম ‘পার ভ্যাজাইনাল টেস্ট’ হলেও এটি ‘টু ফিঙ্গার্স টেস্ট’ নামে প্রচলিত। এতে ধর্ষণের শিকার মেয়েশিশু বা নারীর যোনিতে চিকিৎসক আঙুল দিয়ে পরীক্ষা করে কতগুলো সিদ্ধান্ত জানান। বিশেষ করে নারী বা শিশুটি ‘শারীরিক সম্পর্কে অভ্যস্ত’ কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত টানেন চিকিৎসক।

আইন কমিশনের দেয়া এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে নারী ও শিশু- সংক্রান্ত মামলাসহ প্রায় ৩০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যদিও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বলা আছে, ১৮০ দিনের মধ্যে মামলা প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা লক্ষ্য করার মতো। ডিফেন্স ল’ইয়ারের মানসিকতাও এক্ষেত্রে দায়ী। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, সামাজিক অবস্থানের কারণে ধর্ষণের শিকার নারীদের অর্ধেকের বেশি আইনের আশ্রয় না নিলেও নথিভূক্তদের ৮৫ ভাগ পাইনা নায্য বিচার। ফলে এসব নারীদের সামাজিক নিগ্রহের পাশাপাশি ঘটছে নানা অনাকাঙ্খিত ঘটনা।

ধর্ষণ নারীকে নিয়ন্ত্রণের কৌশল এবং অবদমিত রাখবার প্রধান অস্ত্র। শুধু তাই নয় বরং বলা ভাল, ধর্ষণ নারীকে নিয়ন্ত্রণের নিরাপদ অব্যর্থ অস্ত্রও বটে। কেননা সমাজ নারীকে সত্বীত্বের নির্মিত মিথ্যে ধরনা দিয়ে বড় করে। একটি মেয়েকে ছোটবেলা থেকেই শিখিয়ে পড়িয়ে বড় করে যে “নারীর জীবনে সতীত্ব-ই হলো আসল”। প্রতিটি ধর্ষণের দায় নিতে হয় ধর্ষিতাকে। যে সমজে ধর্ষকের লজ্জা নেই, সেই সমাজে সব লজ্জ্বা ধর্ষিতাদের। ধর্ষণের পর ধর্ষকরা যদি তাকে দয়া করে হত্যা না করেন, তবে সে নিজেই যেন আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় এমন মন্ত্রনা চলে সর্বত্র। ধর্ষণের দায় থেকে মুক্তির পথ হলো ‘আত্মহত্যা’। কেননা তাকে কেউ বিয়ে করবে না, বেছে নিতে হবে অপমানের জীবন। নারীকে বোঝানো হয়, অপমানের জীবনের চেয়ে মৃত্যুই বাঞ্জনীয়। কিন্তু এই অপমানটা যিনি যা যারা করলেন, সমাজ একবারও মুখ ফুটে তাদের বারন করেননা। পরিবার ধর্ষণের মামলার আসামীকে বাঁচাবার জন্যই বরং দক্ষ আইনজ্ঞ নিয়োগে মরিয়ে হয়ে ওঠেন। অথচ নারীকে সম্মান করার শিক্ষাটা পরিবার থেকেই পাওয়ার কথা ছিলো।

নারীরা সেক্স অবজেক্ট নয়। একজন মেয়েকে কী কেবল শারীরিক ভাবে ধর্ষণ করা হয়? তাকে তো রোজ মানসিক ভাবেও ধর্ষিত হতে হয়। ধর্ষণকে অবশ্য অনেকেই অপরাধ বলে ভাবেনা। বল প্রয়োগ করে কতৃ্ত্ব প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে ঘটে শারীরিক ধর্ষণ আর জোর করে মতামত চাপিয়ে দিয়ে সিদ্ধান্ত বেছে নিতে বাধ্য করার মধ্য দিয়ে মানসিক ধর্ষণ। যাকে শাসনের নামে বৈধতা দেয়া হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ ধারায় ধর্ষনের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। উক্ত সংজ্ঞানুসারে যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বছরের অধিক বয়সের কোন নারীর সাথে তার সম্মতি ছাড়া বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তার সম্মতি আদায় করে, অথবা ষোল বছরের কম বয়সের কোন নারীর সাথে তার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করেছেন বলে গণ্য হবেন।

“চৌদ্দ বছরের কম বয়সী, ঋতুবতী হয়নি এমন মেয়েদের প্রতি যাদের যৌন আকর্ষণ, তারা মানসিক রোগী”-ভিয়েনার মনোরাওগ বিশেষজ্ঞ রিচার্ড ক্রাফট এবিং ১৮৮৬সালে এই মন্তব্য করেন। বিভিন্ন ধরনের ধর্ষক আছেন সমাজে। একশ্রেণী শুধু শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণ বোধ করেন তাদের বলা হয় পিডোফাইল। অন্য শ্রেনীগুলোর মধ্যে রয়েছে হেবেফিলিয়া, মানে ১১ থেকে ১৪ বছর বয়েসিদের প্রতি যৌন আকর্ষণ বোধ করেন। এফেবোফিলিয়া মানে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের প্রতি যৌন আকর্ষণ বোধ করেন। শিশু-কিশোরী এবং প্রাপ্তবয়স্ক দুজনের প্রতিই যৌন আকর্ষণ বোধ করেন। কেউ যৌন আকর্ষণ থেকে শিশু-কিশোরীদের ধর্ষণ করেন, আর কেউ কেউ সুযোগ পেয়ে ধর্ষণ করেন।

কেউ তার যৌন ক্ষুধা মেটানোর জন্য ধর্ষণ করেন এটা ঠিক না। ধর্ষণ তো যৌন সঙ্গম নয়। এটা আধিপত্য বিস্তার করা। যৌন আকাংক্ষা এবং যৌন বিকৃতি এক কথা নয়। যৌন নিপীড়নের কারনে নারীরা হৃদরোগে আক্রান্ত হন। বিষন্নতায়, হতাশায় এবং ভীতিতে ভোগেন। অনেক ক্ষেত্রে যৌন রোগে আক্রান্ত হন। বেশিরভাগ ধর্ষকের জীবনের ঘটনাবলি ঘাটলে দেখা যায়, তাদের প্রায় সবারই একটা অপরিচ্ছন্ন শৈশব। তারা বড় হয়েছে সহিংসতার এবং পারস্পারিক ঘৃণাবোধের মধ্যে।

বেসরকরি সংস্থা ব্রাকের এক জরিপে জানা যায়, “বাংলাদেশে নারী নির্যাতনের হার বেড়েছে ৭৪ শতাংশ”। মানবাধিকার বান্তবায়ন সংস্থার দেয়া তথ্যানুযায়ী, “প্রতিবছর অন্তত ২০ শতাংশ হারে বাড়ছে ধর্ষণের শিকার নারীদের সংখ্যা। যাদের মধ্যে ৬০ ভাগই শিশু।যার মধ্যে গণধর্ষন বেড়েছে ১৪ ভাগ। আর ঘটনাগুলোর ৮০ ভাগই নির্যাতিত হয় প্রতিবেশি ও আত্মীয়ের দ্বারা। মানবাধিকার সংস্থা গুলো বলছে, সামাজিক অবস্থানের কারণে ধর্ষণের শিকার নারীদের অর্ধেকের বেশি আইনের আশ্রয় না নিলেও নথিভূক্তদের ৮৫ভাগ পায়না নায্য বিচার। ফলে এইসব নারীদের সামাজিক নিগ্রহের পাশাপাশি ঘটছে নানা অনাকাঙ্খিত ঘটনা”। সরকারের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের পরিচালকের মনে করেন, নির্যাতনের সংখ্যা আসলে বাড়েনি বরং মানুষের প্রকাশ বেড়েছে। মিডিয়াতে সংবাদ গুলো প্রচার হওয়ায় মানুষ জানতে পারছে। বাংলাদেশ পুলিশের দেয়া অপরাধের পরিসংখ্যান অনু্যায়ী, সংখ্যার দিক থেকে মাদকের পর দেশে সবথেকে বেশি অপরাধ ঘটে শিশু ও নারী নির্যাতনের।

ধর্ষন একটি সামাজিক ব্যাধি। পুরুষ জন্মগত ভাবে ধর্ষক নয়। ধর্ষক হয়ে কেউ জন্মায় না। সমাজ তাকে ধর্ষক হতে সাহায্য করে। ঐতিহ্য লালন করতে পুরুষ ধর্ষণ করতে শেখে। এই পুরুষতন্ত্র, পিতৃতন্ত্র, স্তরতন্ত্র, ভুল শিক্ষা, খারাপ সঙ্গ, নারী বিদ্বেষ, ক্ষমতার অপব্যবহার, নারীকে নিয়ন্ত্রণের ইচ্ছা পুরুষকে ধর্ষক বানায়। পুরুষ তার প্রভুত্ব প্রকাশের এবং জারী রাখার জন্য অবদমন করে নারীকে। শুধু যৌনস্পৃহা নয় বরং পুরুষের শক্তিমত্তার প্রকাশ ঘটানো। ধর্ষকামী পুরুষ তার আধিপত্যের বাসনার বহিঃপ্রকাশ ঘটান। এই আধিপত্যের বাসনা পুরুষ শেখে সমাজের কাছ থেকে, প্রশ্রয় পাই পরিবার ও পরিচিত মহলে। পুরুষ শক্তিশালী এবং শ্রেষ্ঠ। অনেক ক্ষেত্রেই নারীকে ধর্ষণ করা হয় হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য। মনোবিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন যে, ধর্ষনের সাথে যৌন আনন্দের কোন সম্পর্ক নেই, আছে ক্ষমতা প্রদর্শনের আকাংক্ষা।

শাস্তি দিয়ে ধর্ষণ বন্ধ করা যাবে না। ধর্ষক’রা তো অন্ধকার ঘরের কালো বিড়াল। তাদেরকে খুঁজে বের করা, চাট্টিখানি কথা নয়!! ধর্ষণের মূল কারন গুলোকে নির্মূল করতে পারলে ধর্ষণ বন্ধ হবে। ধর্ষকদের বিচারে ফাঁসি চাওয়া হয়। সেই চাওয়াটা অনেক সহজ। তবে ধর্ষণ বন্ধে স্থায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০২০ ভোর ৬:০৩
১৫টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

থাক অহমিকায়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


তোমার রঙিন আকাশে নেই
যে অমাবস্যার- অন্ধকার
ঝলমল করছে শুধু চাঁদ-
ডুবছ ডুবছ সুখমারী রাত!
উড়ছ শঙ্খচিলের ডানায়;
তোমার আকাশে অমাবস্যা নাই।

আমি মাটি বন্দি হয়েছি
মরার আগেই- মরার আগেই-
স্বপ্ন দেখি শুধু হুতুম পেঁচা হব... ...বাকিটুকু পড়ুন

বঙ্গবন্ধু: একটি নাম- যাকে ঘৃণা করার আগে একবার থামুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৫০



বঙ্গবন্ধু: একটি নাম- যাকে ঘৃণা করার আগে একবার থামুন[

শেখ মুজিব ইতিহাসের খলনায়ক।
জাতীয় বেইমান।
পাকিস্তান ভাঙার অপরাধী।
- এই কথাগুলো আপনি বিশ্বাস করেন?
তাহলে আজ আপনাকে একটা অনুরোধ করব- একবার শুধু থামুন।

রাগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় কন্যা আমার- ৯৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৫

ফারাজা তাবাসসুম খান-
অনেকদিন তোমাকে নিয়ে লিখি না। খুব ব্যস্ত আছি। আমার সব সময় নিয়ে নিচ্ছে অফিস। আমি অফিস থেকে তোমাকে ফোন করলে তুমি কথা বলতে চাও না। আবার আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

Mystic River – জোয়ারে ফিরে আসে সবকিছু

লিখেছেন রাজসোহান, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৩১



১৯৭৫ সালের বোস্টন। শ্রমজীবী মানুষের সাধারণ পাড়া। রাস্তায় হকি খেলছিল তিনটে বাচ্চা ছেলে। হঠাৎ বল গড়িয়ে পড়ল ড্রেনে। খেলা ওখানেই শেষ। ফুটপাতের একপাশে তখন সদ্য ঢালা ভেজা সিমেন্ট। ছেলেগুলো কাঠি... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোলাপী এখন বাসে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২০


দেশে আজ থেকে পিংক বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। ঢাকা সহ আরও তিনটি বড় শহরে এই বাস চলবে। খবরটা শুনে মনে হলো, দেশ যেন হঠাৎ করেই এক ধাপ আধুনিক হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×