
তারানা হালিম ভদ্রমহিলা গায়িকা না অভিনেত্রী আমি ঠিক শিউর না অবশ্য গুগুল করে বের করা যেতো, তবে এমন অগুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানার জন্য এমবি খরচ করতে ইচ্ছে হচ্ছিলো না! যাইহোক ভদ্রমহিলা যেমন তর্জন গর্জন করে চেয়ারে বসলেন তেমন মিনমিনিয়ে চুপ হয়ে গেলেন! উনার অনেক প্রতিশ্রুতি ছিলো, কোনোটাতে হাত দিয়ে হাত সরিয়ে নিলেন , আবার কোনোকোনো প্রতিশ্রুতির দ্বারে কাছেই যেতে পারেননি। টেলিটক নিয়ে অনেক আশার বাণী শুনিয়েছেন কিন্তু কিছু উন্নতি করতে পারেননি তিনি। যতটুকু উন্নতি হয়েছে উনার, তারমধ্য চেহারার উজ্জ্বলতা বেড়েছে, স্বাস্থ্য ভালো হয়েছে!
এই বায়ুবীয় ব্যবসায় টেলিটকের যথেষ্ট সম্ভাবনা ছিলো টাকা গুলি ডলারে কনভার্ট হয়ে পাচার হওয়া থেকে বাঁচাতে পারতেন তিনি। তিনি আমাদের আশা দিয়ে পিছে হটলেন! ইন্টারনেট এর দামও তিনি ঠিক করে দিবে বলেছিলেন, সবাই যাতে কম দামে নেট চালাতে পারে তার একটা বন্দোবস্ত করে দিবে! উনি বোধহয় ফ্রি ওয়াইফাই চালাতে চালাতে ভাবলেন সবাই এমনি চালায়!
সে যাই হোক মূলকথা এটা না এসব সমাধান তারানা হালিম উনার মত সংস্কৃতিমনা দ্বারা হবে না কঠিন কাউকে লাগবে। ব্যাপার হচ্ছে সারাদেশে অপরিকল্পিত ভাবে মোবাইল টাওয়ার যে স্থাপন হচ্ছে তার দিকে একটু নজর দিন। কয়েকদিন আগে একটা জরিপে দেখলাম এসব টাওয়ারের কারনে অনেকগুলি প্রানীর প্রজননে ব্যঘাত ঘটছে বিশেষ করে বাদুরের (বাদুর শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে পথ চলে)এই টাওয়ার গুলি অনবরত বিশৃঙ্খলভাবে শব্দতরঙ্গ নির্গম করে যা মানুষসহ অনেক প্রানীর জন্য ভয়ংকর ভাবে ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞরা আশংকা করছেন আগামী দশ বছরের মধ্যে বাদুরের সংখ্যা বর্তমান সংখ্যার চেয়ে অর্ধেকে নেমে আসবে! এছাড়া যেসব ফলজ গাছ আকারে লম্বা হয় সেসব ফলের ফলন অনেক কমে যাচ্ছে যেমন তাল,দেশি জাতের বড় আম গাছের আম, জাম ইত্যাদি।
এখন কথা হচ্ছে এই সমস্যার সমাধান কার আন্ডারে তারানা হালিমের নাকি পরিবেশ মন্ত্রনালয়ের? অবশ্য গুগুল করে জেনে নেওয়া যেতো তবে এই অগুরুত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য এমবি নষ্ট করতে ইচ্ছে হচ্ছে না!
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে আগস্ট, ২০১৭ ভোর ৪:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




