
খালেদা জিয়ার সাজা হওয়ার আগে তার স্বামীর দল বিএনপি তাদের গঠনতন্ত্র সংশোধন করেছে। জিয়াউর রহমান, উনার ১৯ দফার একটা দফা ছিলো দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গঠন করা। সেটা তাদের গঠনতন্ত্রেও সংযুক্ত আছে। এখন তারা তাদের গঠনতন্ত্রের ৭ ধারার ক ও ঘ ধারা সংশোধন করেছে, এতে বলাছিল কোন দণ্ডিত ব্যক্তি দলের সদস্য,নেতা কিংবা এমপি হতে পারবে না আর দুর্নীতিবাজ দলের সদস্যপদ হারাবে। সুন্দর নিয়ম, এমন নিয়মটিকে তারা দুইজন ব্যক্তির জন্য সংশোধন করে ফেললো! তাদের করা পরিবর্তন কিন্তু সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক। আরো মজার বিষয় তারা এই সংশোধন তাদের গঠনতন্ত্র সম্মেলনের প্রায় দুইবছর পর নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিয়েছে। কিন্তু রিজভী সাহেব বলেছে তারা এটা করেছে সম্মেলনের সময়ই, জমা দিয়েছে এখন! এই মিথ্যাটুকু না বললেও হতো। এটা না বুঝার কিছু নেই যে, তাদের নেতার শাস্তির ব্যাপারটা আন্দাজ করতে পেরেই তারা এই বিবেকহীনতার কাজ করেছে।
এই পরিবর্তনের মাধ্যমে বুঝা গেলো তাদের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বেগম জিয়া ও তারেক জিয়ার থেকে নির্বোধ! দলে একটা সুযোগ এসেছিলো দলকে নতুন করে সাজানোর, গণমানুষের দল করে তোলার। এরা এই সুযোগ বুঝে উঠতে সক্ষম হয়নি। এখন মনে হচ্ছে এদের উচিত ছিলো গঠনতন্ত্রের ৭ এর "গ" ধারা বাদ দেওয়া, এতেকরে এদের নিয়ে কেউ কর্ণপাত করবে না, মানুষ তাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করে এদের কথাবার্তা শুনবে না।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


