somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর আলম হিরণ
ভাগ্যক্রমে আমি এই সুন্দর গ্রহের এক বাসিন্দা! তবে মাঝেমধ্যে নিজেকে এলিয়েন মনে হয়। তবে বুদ্ধিমান এলিয়েন না, কোন আজব গ্রহের বোকা এলিয়েন! [email protected]

আমেরিকা গিয়েও এ ধরনের সার্কাস দেখানোর মানেটা কি? ★★

০৫ ই মে, ২০২৩ সকাল ১০:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ব ব্যাংকের আমন্ত্রণে যে সফরে গিয়েছেন সেখানে রাস্তার দুপাশে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির লোকজন বিশ্বব্যাংকের অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল। আওয়ামীলীগের লোকজন না হয় তাদের নেত্রীকে দেখার জন্য, একটু কথা বলার জন্য দাঁড়িয়ে ছিল, বিএনপির লোকজন সেখানে কেন গিয়েছে! আসলে বিএনপির লোকজন গিয়েছে সেখানে একটি ক্যাচাল সৃষ্টি করার জন্য। হয়েছেও তাই; দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি মারামারি হয়েছে। আমেরিকান পুলিশ পরবর্তীতে তাদেরকে থামিয়েছে।
এই যে ঝামেলাটি হয়ছে এতে কি লাভ হয়েছে? শেখ হাসিনা কি দেশে এসে মির্জা ফখরুলকে ডেকে আলোচনায় বসবেন, নাকি যুক্তরাষ্ট্রের সেইসব আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদেরকে কিছু নগদ ডলার দিয়ে এসেছেন! এর কোনোটিই হয়নি, যা হয়েছে বাংলাদেশীদের সম্পর্কে সেখানে নেতিবাচক ধারণা গুলি আরেকটু শক্ত হয়েছে।

বাংলাদেশের যে বৃহৎ দুটি রাজনৈতিক দল আছে তাদের গঠনতন্ত্রে বিদেশে এ ধরনের রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করার জন্য শাখা খোলার অনুমতি নেই। তারপরেও এসব সংগঠনের অস্তিত্ব দিন দিন বেড়েই চলেছে। শেখ হাসিনাও কিছু বলছেন না, বেগম জিয়া তো কিছু বলার অবস্থায় নেই। আর উনার ছেলে তো এটাকেই অবলম্বন করেই বেঁচে আছে!
আসলে এই ধরনের সংগঠনগুলি সম্পর্কে কেন্দ্র থেকে কিছু বলে না, কারণ এদেশের নেতা-নেত্রীরা যখন বিদেশে যায় তখন তাদের কাছ থেকে তারা অনেক সুবিধা নেয়। ভালো হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করে, ভালো খাবার দাবার দেয়, দর্শনীয় স্থান ঘুরিয়ে দেখায়, চামচামি তো থাকেই। শেষমেশ বাড়ি ফিরে আসার সময় এদের কাছ থেকে উপহার, উপঢৌকন নিয়ে আসে। আর বলদ গুলিও নেতা-নেত্রীর সাথে একটি সেলফি তুলতে পারলেই পয়সা উসুল মনে করে!

যাইহোক, বিদেশে এ ধরনের সংগঠনগুলি যেসব কাণ্ডকারখানা করে এতে বাংলাদেশিদের ইমেজ অবশ্যই খারাপের দিকে যায়। বিদেশে এরা গিয়েছে কাজ করার জন্য, কাজ কাম ফেলে রেখে এরা এসব করে নিজেদের বাঙালীপনার পরিচয় দেয়। যাদের সেখানে সময় আছে, স্থায়ীভাবে বসবাস করে তারা রাজনীতি করার ইচ্ছা থাকলে সেখানে স্থানীয় রাজনীতি করলেই তো পারে। আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট, চারজন সিনেটর, লন্ডনের কাউন্সিলর, যুক্তরাষ্টের প্রেসিডেন্ট এরা সবাই ভারতীয় বংশোদ্ভূত। ওরা সেখানে রাজনীতি করে আর আমাদের লোকজন সেখানে মারামারি করে!
বাঙ্গালীদের এই ধরনের আচরণের জন্য বাংলাদেশী কমিউনিটিকে সেখানে বসবাসরত অন্য লোকজনেরা কি ভাবে কে জানে! ব্লগার সোনাগাজী ভালো বলতে পারবেন! উনার কাছে হয়তো এই নিয়ে গল্পও থাকতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০২৩ রাত ৯:০৪
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪



“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

এই বক্তব্যের মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দর্শনে। গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ সময়ের ব্যবধানে তারা দুজন

লিখেছেন সামিয়া, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৩



কোর্টের সামনের চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। দুপুরের রোদটা তখন কিছুটা নরম হয়েছে। মানুষের ভিড়, আইনজীবীদের কালো কোট, চায়ের দোকানের ধোঁয়া আর ফাইল হাতে ছুটে চলা লোকজন মিলে জায়গাটা যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×