somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর মোহাম্মদ নূরু
নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

সাবেক ছাত্র নেতা ও ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ভাষা মতিনের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক আব্দুল মতিন। ভাষা আন্দোলনের সকল ক্ষেত্রে সাধারণ ছাত্র ও জনগণের ভূমিকাকে প্রাধান্যে রাখার এক অনন্য রাজনৈতিক -সাংগঠনিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন ভাষা মতিন। একুশের তথা ১৯৪৮ পরবর্তীকালে ভাষা আন্দোলনের প্রকৃত নেতৃত্ব জনগণের নেতৃত্বে আনার মাধ্যমেই একুশ তথা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে সাফল্যমণ্ডিত করতে এবং নেতৃত্বের গণতান্ত্রিক ভূমিকার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন তিনি। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের বিজয়ের কারণে জাতি তার অন্যতম প্রধান সম্পদ ভাষাকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিল। জীবদ্দশায়একুশের পদক ছাড়াও অনেক পুরস্কার অর্জন করেছেন ভাষা মতিন। গত বছরে আজকের দিনে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। আজ তাঁর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। একুশে পদক প্রাপ্ত বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম ভাষা সৈনিক ভাষা মতিনের জন্য শ্রদ্ধাঞ্জলি।

আব্দুল মতিন ওরফে গেদু ১৯২৬ সালের ৩ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের চৌহালি উপজেলার ধুবালীয়া গ্রামে এক মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম আব্দুল জলিল এবং মায়ের নাম আমেনা খাতুন। জন্মের পর তাঁর ডাক নাম ছিল গেদু পরবর্তীতে সারা বাংলাদশে যিনি ভাষা মতিন নামে পরিচিত লাভ করেন। ১৯৩০ সালে গ্রামের বাড়ী যমুনা ভাঙনে ভেঙ্গে গেলে আবদুল জলিল জীবিকার সন্ধানে ভারতের দার্জিলিং এ চলে যান। সেখানে জালাপাহারের ক্যান্টনমেন্টে সুপারভাইস স্টাফ হিসেবে একটি চাকরি পেয়ে যান। ১৯৩২ সালে আব্দুল মতিন শিশু শ্রেণীতে দার্জিলিং-এর বাংলা মিডিয়াম স্কুল মহারাণী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিলেন এবং তখন সেখানেই তাঁর শিক্ষা জীবনের শুরু। ১৯৩৩ সালে আব্দুল মতিনের মাত্র ৮ বছর বয়সে তার মা অ্যাকলেমশিয়া রোগে মারা যান। মহারানী গার্লস স্কুলে ৪র্থ শ্রেণী পাশ করলে এখানে প্রাইমারি স্তরের পড়াশোনার শেষ হয়। এরপর ১৯৩৬ সালে দার্জিলিং গভর্মেন্ট হাই স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি হন। তিনি ১৯৪৩ সালে এনট্রেন্স (মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা) পরীক্ষায় ৩য় বিভাগ নিয়ে উত্তীর্ণ হন। আব্দুল মতিন ১৯৪৩ সালে রাজশাহী গভর্মেন্ট কলেজে ইন্টারমিডিয়েট প্রথম বর্ষে ভর্তি হলেন। ২ বছর পর ১৯৪৫ সালে তিনি এইচ এস সি পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ নিয়ে উত্তীর্ণ হন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে আব্দুল মতিন বৃটিশ আর্মির কমিশন র‌্যাঙ্কে ভর্তি পরীক্ষা দেন। দৈহিক আকৃতি, উচ্চতা, আত্মবিশ্বাস আর সাহসিকতার বলে তিনি ফোর্ট উইলিয়াম থেকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কমিশন পান। এরপর তিনি কলকাতা থেকে ব্যাঙ্গালোর গিয়ে পৌছান। কিন্তু ততদিনে যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। ফলে তিনি একটি সার্টিফিকেট নিয়ে আবার দেশে ফিরে আসেন। দেশে প্রত্যাবর্তনের পর তিনি ১৯৪৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাচেলর অব আর্টস (পাশ কোর্স) এ ভর্তি হলেন। ফজলুল হক হলে তাঁর সিট হয়। ১৯৪৭ সালে গ্র্যাজুয়েশন কোর্স শেষ করেন এবং পরে মাস্টার্স করেন ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন বিভাগ থেকে।

১৯৫২ সালে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে ভাষার দাবিতে বাঙালির আন্দোলনে নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিলেন আবদুল মতিন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ১৯৪৫ সালে। ভাষা আন্দোলনের পর তিনি ছাত্র ইউনিয়ন গঠনে ভূমিকা রাখেন এবং পরে সংগঠনটির সভাপতি হন। এরপর কমিউনিস্ট আন্দোলনে সক্রিয় হন। ১৯৫৪ সালে পাবনা জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সম্পাদক হন মতিন। মওলানা ভাসানী ‘ন্যাপ’ গঠন করলে তিনি ১৯৫৭ সালে তাতে যোগ দেন। ১৯৫৮ সালে তিনি ‘পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল ) গঠন করেন। চীনকে অনুসরণকারী বামপন্থি দলগুলোর নানা বিভাজনের মধ্যেও আবদুল মতিন সক্রিয় ছিলেন রাজনীতিতে। ১৯৯২ সালে তিনি বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ২০০৬ সালে ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে তিনি পদত্যাগ করেন। পরবর্তীকালে ২০০৯ সালে হায়দার আকবর খান রনোর নেতৃত্বে ওয়ার্কার্স পার্টি (পুনর্গঠন) গঠিত হলে আবদুল মতিন তাদের সঙ্গে যোগ দেন। হায়দার আকবর খান রনো বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিলেও আবদুল মতিন পুনর্গঠিত ওয়ার্কার্স পার্টির সঙ্গেই থাকেন।

আব্দুল মতিন কখনো অলস সময় পার করেননি। তাঁর দীর্ঘ জীবনে সংগ্রামের পাশাপাশি তিনি কিছু বইও লিখেছেন। এই বইগুলো তাঁর চিন্তা, চেতনা, সত্ত্বাকে ধারণ করে চলেছে।আব্দুল মতিন অসংখ্য বইয়ের লেখক। আব্দুল মতিনের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হচ্ছেঃ ১। ইউরোপের দেশে দেশে (১৯৬০), ২। কাস্তে (১৯৮৭), ৩। স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রবাসী বাঙালি (১৯৮৯), ৪। প্রবাসীর দৃষ্টিতে বাংলাদেশ (১৯৯১), ৫। শামসুদ্দিন আবুল কালাম ও তার পত্রাবলী (১৯৯৮), ৬। শেখ হাসিনা: একটি রাজনৈতিক আলেখ্য(১৯৯২), ৭। আত্মজীবনী স্মৃতিচারণ পাঁচ অধ্যায় (১৯৯৫), ৮। জীবনস্মৃতি: একটি বিশেষ অধ্যায় (২০১২), ৯। রাজনীতি বিষয়ক: জেনেভায় বঙ্গবন্ধু (১৯৮৪), ১০। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব: কয়েকটি প্রাসঙ্গিক বিষয় (১৯৯৩), ১১। খালেদা জিয়ার শাসনকাল: একটি পর্যালোচনা (১৯৯৭), ১২। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব: মুক্তিযুদ্ধের পর (১৯৯৯), ১৩। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব: কয়েকটি ঐতিহাসিক দলিল (২০০৮), ১৪। বিজয় দিবসের পর: বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ (২০০৯), ১৫। ইতিহাস বিষয়ক: রোমের উত্থান ও পতন (১৯৯৫), ১৬। মহানগরী লন্ডন (১৯৯৬), ১৭। ক্লিওপেট্রা (২০০০), ১৮। দ্বি-জাতি তত্ত্বের বিষবৃক্ষ (২০০১), ১৮। ভলতেয়ার: একটি অনন্য জীবনকাহিনী (২০০২), ১৯। কামাল আতাতুর্ক: আধুনিক তুরস্কের জনক (২০০৩), ২০। মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালি: যুক্তরাজ্য (২০০৫), ২১। ইউরোপের কথা ও কাহিনী (২০০৫), ২২। ইউরোপের কথা ও কাহিনী (২০০৭), ২৩। ইউরোপের কথা ও কাহিনী (২০০৯)। ভাষা আন্দোলন বিষয়ে তার রচিত বিভিন্ন বইয়ের মধ্যে রয়েছেঃ (ক) বাঙালী জাতির উৎস সন্ধান ও ভাষা আন্দোলন,(খ) ভাষা আন্দোলন কী এবং কেন এবং (গ) ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস। এছাড়া প্রকাশিত হয়েছে তার আত্মজীবনীমূলক বই জীবন পথের বাঁকে বাঁকে।

এক জীবনে আব্দুল মতিন দেশ ও দশের জন্য যে অবদান রেখেছেন তার মূল্যায়ন পুরস্কারের মাধ্যমে সম্ভব নয়। তবুও কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি অনেক সম্মাননা অনেক পুরস্কার অর্জন করেছেন। যথাঃ
১। ১৯৯৮ সালে দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা আব্দুল মতিনকে গুণীজন ও প্রতিভা সম্মাননা ১৯৯৮ প্রদান।
২। ২০০১ সালে তাঁকে জাতীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।
৩। ২০০১ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমী প্রদত্ত ফেলোশিপের জন্য সম্মাননা- প্রতীক
৪। ২০০২ সালে তাঁকে জাতীয় জাদুঘর থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান।
৫। ২০০২ সালে সিলেট থেকে ভাষা সৈনিক সংবর্ধনা পরিষদ তাঁকে সম্মাননা প্রদান করেন।
৬। ২০০৪ সালে শেরে বাংলা জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেন।
৭। জাতীয় প্রেসক্লাব কর্তৃক ২০০৪ সালের ১৩ আগস্ট উন্নয়ন অর্থনীতি স্বর্ণপদক -২০০৫ প্রদান।
৮। ২০০৫ সালের ১৪ মে, মুক্তিযুদ্ধ গণ পরিষদ কর্তৃক তাঁকে সম্মাননা প্রদান করে।
৯। ২০০৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী দৈনিক আমাদের সময় থেকে তিনি সম্মাননা পুরস্কার গ্রহণ করেন। উল্লেখিত পুরস্কার ছাড়াও তিনি অনেক পুরস্কার অর্জন করেছেন।

২০১৪ সালের ০৮ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আব্দুল মতিন। এমাসের ৪ অক্টোবর থেকে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিলো। মস্তিষ্কে স্ট্রোক হওয়ায় দেড় মাসের বেশি সময় ধরে তিনি বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। ০৮ অক্টোবর, বুধবার সকাল ৯টায় লাইফ সাপোর্ট খুলে নিয়ে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো অষ্টাশি বছর। তার মৃত্যু একটি জীবন্ত ইতিহাসের অবসান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই নিজের দেহ তিনি দান করে দিয়ে গেছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার জন্য আর চোখ দান করে গেছেন সন্ধানীকে। ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন মাতৃভাষার অধিকার আদায়ে যে অবদান রেখেছেন জাতি তা চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। আজ ভাষা সৈনিকের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। একুশে পদক প্রাপ্ত বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম ভাষা সৈনিক ভাষা মতিনের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

সম্পাদনাঃ নূর মোহাম্মদ নূরু
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:১৭
৮টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথঃ দ্য আয়নাঘর ফাইলস"..

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৯

"আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথঃ দ্য আয়নাঘর ফাইলস"
-একজন গুমের শিকার মানুষের চোখে একটি ভয়াবহ সত্যের দলিল।

“আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথ: দ্য আয়নাঘর ফাইলস”- নামটি যতটা আকর্ষণীয়, বইটির ভেতরের সত্য তার চেয়েও বেশি নির্মম, বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটা ফোন কলের দূরত্বে ১০ হাজার মানুষের চাকরি!

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



একটা ফোন কলের দূরত্বে ১০ হাজার মানুষের চাকরি!
বিষয়টি আপনি সমাধান করছেন না কেন, পিএম সাহেব? আপনার তো মাত্র একটা ফোন কলই যথেষ্ট—অন্তত ভুক্তভোগীদের এতদিনের অপেক্ষা দেখে সেটাই মনে হয়!
একটা ভুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

কার জন্য; কেন এতো লেখালেখি

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:২১

লিখে রাখো বৎস'রা ; এ দূর্মুর্খ আর বর্ন ব্লাইন্ড ও বেইমানদের বাংলাদেশ-এ ভালো কিছুই তৈরী হবে না ! লিখে রাখো বৎস'রা !!
যে যে ব্যক্তির মনে বিষাক্ত রাজনীতির বীজ ঢুকেছে;... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষের অহংকার ও বুদ্ধিমত্তার ভ্রান্ত ধারণা

লিখেছেন শেরজা তপন, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৫২


উৎসর্গঃ ব্লগার রাজীব নুর( ঈশ্বর বিশ্বাসের কোল ঘেঁষে যাওয়া কোন লেখা এলেই যিনি লেখককে ভীষন সন্দেহের চোখে দেখেন- ভাবেন; কি অদ্ভুত কথা- ইনি দেখি ঈশ্বর বিশ্বাসী!!))
ধর্ম ও বিজ্ঞান: সংঘর্ষ না... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঠেলায় নাম বাবাজি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:১৯


সময়টা সরকারের জন্য মোটেও ভালো যাচ্ছে না। একদিকে গ্যাস আর বিদ্যুতের সংকটে মানুষ প্রতিদিন কষ্টে দিন কাটাচ্ছে, অন্যদিকে সরকারের একের পর এক সিদ্ধান্ত নেটিজেনদের বাধার মুখে পড়ছে। ফলে সরকার নতুন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×