somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর মোহাম্মদ নূরু
নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ এবং সমাজসেবিকা বেগম শামসুন নাহার মাহমুদের ৫৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

১০ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


দেশের নারী মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম নেত্রী, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ বেগম শামসুন নাহার মাহমুদ। মুসলমান সমাজে নারী শিক্ষা প্রসার ও অবরোধপ্রথা রহিত করার জন্য যাঁরা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন তাঁদের মধ্যে বেগম শামসুন নাহার মাহমুদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ৷বেগম শামসুন নাহার মাহমুদ নারী শিক্ষা এবং নারীদের ভোটাধিকারের আন্দোলনসহ মৌলিক কিছু কাজের জন্যে এদেশের নারী সমাজের কাছে খুবই আপন ও প্রিয়জন। এদেশের নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে, নারী জাগরণের প্রচার ও প্রসারে বেগম শামসুন নাহার মাহমুদ অনন্য কীর্তি ও অবদান রেখে গিয়েছেন। বেগম শামসুন নাহার যখন জন্মেছিলেন তখন মেয়েদের লেখাপড়া শেখা বা স্কুলে যাওয়াই ছিল নিষিদ্ধ। রক্ষণশীল সমাজের শাসনে মেয়েদের পর্দার অন্তরালে এক রকম বন্দী জীবন যাপন করতে হতো। এমনি অবস্থায় বেগম শামসুন নাহার রক্ষণশীল সমাজের সকল ভ্রূকুটি ও শাসন উপেক্ষা করে উচ্চশিক্ষা লাভ করেছেন এবং নিজ সমাজের অসহায় ও দুর্গত নারীদের জাগরণের ব্রত নিয়ে অক্নান্ত পরিশ্রম করেছেন এবং নিজ সমাজের অসহায় ও দুর্গত নারীদের জাগরণের ব্রত নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। দেশের নারী মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম নেত্রী, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ বেগম শামসুন নাহার মাহমুদের ৫৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৬৪ সালের আজকের দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বিশিষ্ট সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ এবং সমাজসেবিকা বেগম শামসুন নাহার মাহমুদের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে স্মরণ করছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়।


(বেগম শামসুন নাহার মাহমুদের জেষ্ঠ্য ভ্রাতা হবীবুল্লাহ বাহার)
নারী সমাজকে যিনি জ্ঞানের আলো, জাগরণের মন্ত্র এবং উজ্জীবনের উৎসাহ দিয়ে অন্ধকার থেকে আলোয় আনার কাণ্ডারী বেগম শামসুন নাহার মাহমুদ ১৯০৮ সালের ১৯ অক্টোবর ফেনী মহকুমার গুতুমা গ্রামে, মুন্সীবাড়ীর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মৌলভী মুহাম্মদ নুরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন মুন্সেফ এবং মা আছিয়া খাতুন চৌধুরী ছিলেন গৃহিনী। বেগম শামসুন নাহারের বয়স যখন ৬ মাস তখন তাঁর বাবা নুরুল্লাহ চৌধুরী হঠাৎ ইন্তেকাল করেন। ১৯০৯ সালে পিতা মোহাম্মদ নুরুল্লা মৃত্যুবরণ করলে সংসারে নেমে আসে দৈন্যের ছায়া। স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর মা শিশুকন্যা নাহার ও তার ৩ বৎসরের পুত্র সন্তান বাহারকে নিয়ে পিত্রালয় চট্টগ্রামে চলে আসেন। চট্টগ্রামের তামাগুমন্ডিস্থ নানা খান বাহাদুর আবদুল আজিজের বাড়িতে মা ও ভাই হবীবুল্লাহ বাহারের সাথে বড় হন তিনি। দুই ভাই বোনের মধ্যে বেগম শামসুর নাহার ছোট। বড় ভাই হবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরী ছিলেন সাহিত্যমনা ব্যক্তিত্ব। বেগম শামসুন নাহারের মাতা আছিয়া খাতুন ছিলেন যথার্থ শিক্ষিতা। তিনি বেশ ভাল বাংলা লেখাপড়া জানতেন। এছাড়া উর্দু, আরবি ও ইংরেজিও জানতেন। ছেলেমেয়ের চরিত্র গঠনে, লেখাপড়া, আদব কায়দা, ধর্ম শিক্ষার প্রতি তাঁর বিশেষ খেয়াল ছিল। শিক্ষা ছিল তাঁর পারিবারিক ঐতিহ্য। আর তাই, তিনি সেই সমাজের অবরোধের প্রাচীর ভেঙে নিজে শিক্ষিত হয়ে অসম্ভবকেও সম্ভব করেছিলেন।


বেগম শামসুন নাহার লেখা পড়া করেন চট্রগ্রামের ডাক্তার খাস্তগীর গার্লস হাই স্কুলে। বেগম শামসুন নাহার ছিলেন পড়াশুনায় অতি আগ্রহী ও নিষ্ঠাবান। কিন্তু ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ার পর বাধা এল স্কুলে পড়ার ক্ষেত্রে। কারণ তখনকার দিনে মেয়েরা একটু বড় হলেই পর্দা বা অবরোধের জন্য বাইরে বা কোন পুরুষের সামনে যাওয়া ছিল নিষিদ্ধ। তাই তখনকার দিনের উচ্চশিক্ষিত অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বেগম শামসুন নাহার স্কুলের পড়া সম্পূর্ণ করতে পারলেন না। সমাজের তাড়নায় আর আত্মীয়-স্বজনের নিন্দার ভয়ে তাঁকে স্কুল ছাড়তে হয়। কিন্তু উচ্চ শিক্ষার জন্য বেগম শামসুন নাহারের প্রবল আগ্রহ ও অভিবাবকদের সহযোগীতায় তিনি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দিলেন। ফল বের হলে দেখা গেল চারটি লেটারসহ প্রথম বিভাগে শতকরা আশির কাছাকাছি নম্বর পেয়ে পাশ করেছেন। ঘোর অবরোধের অন্তরালে বসে বেগম শামসুন নাহার যে কষ্ট ও শ্রম স্বীকার করেছেন তা সার্থক হল। বেগম শামসুন নাহারের বিএ পাশ করা উপলক্ষে বেগম রোকেয়া এক সংবর্ধনার আয়োজন করেন। এসময় হঠাৎ করেই তার বিয়ে হয়ে যায়।
বিয়ের পর স্ত্রীর উচ্চশিক্ষার সর্বপ্রকার ব্যবস্থা করবেন এ প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৯২৬ সালে ডা. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ শামসুন নাহারকে বিয়ে করেন। ডা. মাহমুদ তাঁর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেন। তিনি স্ত্রীর উচ্চশিক্ষার ব্যাপারে যেমন সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন, তেমনি জীবনভর স্ত্রীর সব কাজে সমর্থন দিয়েছেন। বিয়ের পর বেগম শামসুর নাহার স্বামীর সাথে কলকাতায় আসেন। তিনি শুধু স্ত্রীর উচ্চশিক্ষার ব্যাপারে সাহায্য ও সহযোগিতা করেননি, সারা জীবন স্ত্রীর সব কাজেই সর্বতোভাবে সমর্থন, সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন। এভাবে স্বামীর সার্বিক সহযোগিতায় তিনি উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পান। পরীক্ষা পাশের পর প্রায় ৪/৫ মাস পর ভর্তি হলেন কলকাতার প্রথম শ্রেণীর ডায়োসেশান কলেজে। নিজের লক্ষ্যে স্থির থেকে পড়াশুনা চালিয়ে গেছেন। ১৯২৮ সালে তিনি বিংশতিতম স্থান অধিকার করে আইএ পাশ করেন। এ সময় তাঁর প্রথম সন্তান মামুনের জন্ম হলে কলেজে ভর্তি হওয়া সম্ভব হলো না তার। ফলে কিছুদিনের জন্য তাঁর পড়াশুনায় ছেদ পড়ে। তাই বলে তিনি হতাশ হলেন না। বাড়িতে অবসর সময়ে লেখাপড়ার চর্চা চালিয়ে যেতে লাগলেন। সংসারের দায়িত্ব পালনের সাথে যথা সময়ে পরীক্ষা দিলেন। এবারও কৃতিত্বের সঙ্গে ডিগ্রি লাভ করলেন ডিস্টিংশন নিয়ে। জয়যুক্ত হল তাঁর কল্পনা ও সাধনা। এরপর বেশ কয়েক বছর তিনি সমাজসেবা, সাহিত্য সাধনা ও শিক্ষকতা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় নিয়মিত পড়া লেখা করা সম্ভব হয়নি। তবে দীর্ঘ ১০ বছর পর ১৯৪২ সালে তিনি এম.এ. পাশ করেন। ১৯৪৪ সালে বৃটিশ সরকার তাঁকে শিক্ষাক্ষেত্র ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এমবিই উপাধি দিয়ে সম্মানিত করে।


অল্প বয়স থেকেই বেগম শামসুন নাহার লেখাপড়ার প্রতি যেমন আকৃষ্ট হয়েছিলেন তেমনি সাহিত্যের প্রতিও অনুরাগ জন্মেছিল তাঁর বাল্যকাল থেকেই। সেই সময় মুহম্মহ শহীদুল্লাহর সম্পাদনায় কলকাতা থেকে প্রকাশিত হত মাসিক পত্রিকা 'আঙুর'। এই পত্রিকায় তাঁর প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ সমূহের মধ্যেঃ ১। ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয় 'পূণ্যময়ী' ২। ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত হয় 'ফুল বাগিচা' ৩। ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয় 'বেগম মহল' ৪। ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত হয় 'রোকেয়া জীবনী' ৫। ১৯৩৯ সালে প্রকাশিত হয় 'শিশুর শিক্ষা' ৬। ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয় 'আমার দেখা তুরস্ক' ৭। 'নজরুলকে যেমন দেখেছি' প্রকাশিত হয় ১৯৫৮ সালে। এছড়াও তিনি স্কুলের পাঠ্য পুস্তকও রচনা করেছিলেন, এগুলো- 'সবুজ পাঠ', 'কিশোর সাথী', 'তাজমহল পাঠ', 'নতুন তাজমহল পাঠ', 'বিচিত্র পাঠ্য' ইত্যাদি।
বেগম শামসুন নাহার মাহমুদ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির মেম্বার ছিলেন। এছাড়াও তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষার পরীক্ষক ছিলেন। বেঙ্গল বোর্ড অব সেন্সর-এর সদস্যাও ছিলেন বেশ কয়েক বছর। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পরে তিনি স্বামী পুত্রসহ তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসেন এবং রাজধানী ঢাকা শহরে বসবাস শুরু করেন। শামসুন নাহার কিছুদিন নিখিল বঙ্গ মুসলিম মহিলা সমিতির সম্পাদক ছিলেন। ১৯৫২ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে তুরস্ক ও মধ্য-প্রাচ্য ভ্রমণ করেন। কলম্বোতে ইন্টারন্যাশন্যাল কাউন্সিল অব ওমেন-এ তিনি একটি দলের নেতৃত্ব দেন। সমগ্র এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে তিনি ইন্টারন্যাশনাল ফ্রেন্ডশিপ অর্গানাইজেশনে যোগ দেন। বেগম শামসুন নাহারের চেষ্টায় ১৯৬১ সালে 'পঙ্গু শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র' স্থাপিত হয়। ১৯৬২ তে তিনি গনপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর উদ্যোগে এবং প্রস্তাব অনুযায়ী শিশু কল্যাণ পরিষদের তরফ থেকে প্রতিষ্ঠিত হল 'শিশু কলাভবন'। ১৯৬৩ সালে সমগ্র পাকিস্তান শিশু কল্যাণ পরিষদের সভানেত্রী নির্বাচিত হন তিনি।


১৯৬১ সালের ১ নভেম্বর ডা. মাহমুদ মারা যান। স্বামীর বিয়োগ-ব্যথা শামসুন নাহারের জন্য গুরুতর হয়। মনে মনে তিনি নিঃসঙ্গ ও অসহায় বোধ করতে থাকেন। স্বামীর মৃত্যুর তিন বছর পর ১৯৬৪ সালের ১০ এপ্রিল মাত্র ৫৬ বৎসর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বেগম শামসুন নাহার ছিলেন দুই পুত্রের জননী। তাঁর আদর্শে গড়া বড় ছেলে মামুন মাহমুদ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেন। তাঁর দেশাত্ববোধের শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েই বড় ছেলে মামুন মাহমুদ দেশের জন্য প্রাণ দেন। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সরকার বেগম শামসুন নাহার মাহমুদকে মরণোত্তর 'বেগম রোকেয়া পদক, ১৯৯৫' প্রদান করে। ১৯৮১ সালে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তাকে সমাজসেবার জন্য মরনোত্তর স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করেন। শামসুন নাহার মাহমুদের স্মৃতি অমর করে রাখার উদ্দেশ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ছাত্রীনিবাসের নাম তাঁর নামানুসারে রাখা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ছাত্রী হল শামসুন নাহার হল তার নামে নামকরণ করা হয়। আজ এই মহীযসী নারীর ৫৬তম মৃত্যুবার্ষিকী। বিশিষ্ট সমাজসেবিকা বেগম শামসুন নাহার মাহমুদের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে স্মরণ করছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল :-& ফেসবুক লিংক
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:১৭
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪



“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

এই বক্তব্যের মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দর্শনে। গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ সময়ের ব্যবধানে তারা দুজন

লিখেছেন সামিয়া, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৩



কোর্টের সামনের চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। দুপুরের রোদটা তখন কিছুটা নরম হয়েছে। মানুষের ভিড়, আইনজীবীদের কালো কোট, চায়ের দোকানের ধোঁয়া আর ফাইল হাতে ছুটে চলা লোকজন মিলে জায়গাটা যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×