somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর মোহাম্মদ নূরু
নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম মানসিক রোগের আকার ধারণ করবে অবসাদ

২৪ শে মে, ২০২১ বিকাল ৩:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বর্তমান যুগে অবসাদ যুব সম্প্রদায়ের মানসিক অসুস্থতার অন্যতম প্রধান কারণ। এই অবসাদের শুধুমাত্র মানসিক অসুস্থতা নয় কারণ হয়ে উঠছে শারীরিক অসুস্থতারও। এই অবসাদ এক ভয়ঙ্কর পরিণতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে, আমাদের দেশের প্রায় ২ কোটি মানুষ মানসিক রোগে আক্রান্ত। দেশের মোট জনসংখ্যার ১৬ দশমিক ১ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষই ভুগছেন মানসিক ব্যধিতে। এর মধ্যে ৮ দশমিক ৪ শতাংশ স্নায়ুবিক পীড়ায়, ৪ দশমিক ৬ শতাংশ গভীর বিষণ্ণতায় এবং ১ দশমিক ১ শতাংশ সরাসরি মনোব্যাধিতে আক্রান্ত। এছাড়া ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ শিশু মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত এবং ৭৫ শতাংশ শিশু চিকিৎসা সেবার বাইরে থাকে। দেশে মানসিক স্বাস্থ্যে মাথাপিছু ব্যয় ২.৪ টাকা হলেও স্বাস্থ্যখাত থেকে এই অসুস্থতার জন্য বাজেট মাত্র ০.৫ শতাংশ। দেশে আত্মহত্যার হার প্রতি একলাখ লোকে ৫.৯ শতাংশ। এদিকে মোট জনসংখ্যার বিপরীতে মাত্র ২৫০ জন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও ৬০ জন ক্লিনিক্যাল মনোবিজ্ঞানী রয়েছেন। এছাড়া শিশু মনোবিজ্ঞানী একেবারে নেই বললেই চলে। মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রশিক্ষিত চিকিৎসক রয়েছেন ১০ হাজার জন এবং নার্স ১২ হাজার জন। এমন চিকিৎসা-সক্ষমতা দিয়েই এ বিরাট সমস্যা মোকাবেলা করতে হচ্ছে। সারা দুনিয়ায় ২৬ কোটি ৪০ লাখ মানুষ অবসাদে ভুগছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে প্রতি ৪০ সেকেন্ডে ১ জন মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। করোনার জেরে অবসাদ আরও বেশি করে গ্রাস করেছে মানুষকে। লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে ইতিমধ্যে্ই এ সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটি মারাত্মক ব্যাধিতে রুপান্তরিত হবে। অবসাদ হল একটি সাধারণ মানসিক ভারসাম্যহীনতা, যা মানুষের চিন্তাভাবনা, অনুভূতি, ব্যবহার, সম্পর্ক, কর্মক্ষমতাকে আক্রান্ত করে। জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা থেকে জন্ম নিচ্ছে মানসিক অবসাদ। যা কখনও কখনও মানুষকে মৃত্যুর দিকেও ঠেলে দেয়। এ প্রবণতা মহিলাদের, বিশেষ করে বিবাহিতা মহিলাদর মধ্যে বেশি। ওই অবসাদ থেকে মুক্তি পেতে তারা আত্মহত্যা করছেন।বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ৫৬% মহিলা ও ৪০% পুরুষই মানসিক অবসাদের কারণে আত্মহত্যা করেন। দুঃখের ঘটনায় সাময়িকভাবে দুঃখী বা অসুখী হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু কোনও ভাবে যদি এই অনুভূতি অনেকদিন (দুই সপ্তাহের বেশি) ধরে চলতে থাকে অথবা এই ঘটনা খুব ঘন ঘন ঘটে এবং তা যদি স্বাভাবিক জীবন স্বাস্থ্যকে ব্যাহত করে, তখন তাঁকে অবসাদের চিহ্ন রূপে ধরে তাঁর চিকিৎসা করা প্রয়োজন হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অর্থাৎ হু অবসাদের একটি সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছে। হু’র মতে, “সারা ক্ষণ মনের মধ্যে একটা দুঃখের ভাব, সাধারণত যে সমস্ত কাজ করতে আপনি ভালবাসতেন তাতেও উৎসাহ হারিয়ে ফেলা, রোজের রুটিন মেনে চলার অক্ষমতা— এগুলি যদি দু’সপ্তাহ বা তার বেশি স্থায়ী হয়”, তবে আপনি অবসাদগ্রস্ত। মানসিক অবসাদ একদিনে আসেনা, দিনের পর দিন নানান ঘটনায় কষ্ট পেতে পেতে মানুষের মনে অবসাদ আসে। মানসিক অবসাদ এবং মনখারাপ দুটি ভিন্ন জিনিস। মানসিক অবসাদে ব্যক্তির জীবনের ওপর সবরকম উৎসাহ হারিয়ে যেতে থাকে। কোনো খুশির ঘটনা ব্যক্তিকে খুশি দেয় না। ব্যক্তির নিজের কাছেই নিজের গুরুত্ব কমতে থাকে এবং তা থেকেই বাড়ে আত্মহত্যার প্রবণতা। বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানি ডা. আর. নিয়োগী বলেন, ‘‘মানসিক অবসাদ যে একটা অসুখ, তার যে চিকিত্সা দরকার, সেটা মনে রাখেন না শতকরা নব্বই জন৷'' মানসিক অবসাদের কিছু সাধারণ লক্ষণ আছে যেগুলি দেখে বোঝার চেষ্টা করা যায় যে ব্যক্তির মানসিক অবসাদের শিকার হয়েছেন কিনা। ব্যক্তিগত সমস্যা ছাড়া আরও কিছু কারণে ব্যক্তি অবসাদের শিকার হতে পারে যেমনঃ ১) জেনেটিক কারণঃ পরিবারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজনের মধ্যে মানসিক অবসাদ থাকলে। ২) বায়োকেমিক্যাল কারণঃ মস্তিস্কে অবস্থিত জৈব রাসায়নিক পদার্থগুলির ইমব্যালেন্সের জন্য।


অবসাদের লক্ষণ সমূহঃ
১। বেশির ভাগ সময় মন খারাপ লাগা ও দুঃখি থাকা।
২। কোন কিছুতেই উৎসাহ না পাওয়া আগে যে কাজে উৎসাহ বোধ করতেন, এখন সেগুলি ভালো না লাগা।
৩। রোজকার কাজ করতে অক্ষম হওয়া, সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়া।
৪। মনঃসংযোগ ও চিন্তা-ভাবনা করার বা সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলা।
৫। আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি।
৬। নিজের জীবন ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব।
৭। বেশী খাওয়া বা একেবারেই খাবার না খাওয়া।
৮। সব কিছুতেই নিজেকে দোষী এবং অতীতের অসফলতার জন্য অন্যকে দায়ী এবং নিজেকে অযোগ্য মনে করা।
৯। প্রায়ই কাজ থেকে ছুটি নেওয়া বা কাজ করতে না পারা।
১০। ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে নিরাশ হয়ে যাওয়া।
১১। অনিয়মিত ঘুম বা ঘুমাতে না পারা।
১২। যৌন-জীবনে উৎসাহ হারিয়ে ফেলা।
১৩। শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা অনুভব করা, যেমন মাথা ব্যথা, ঘাড়ে যন্ত্রণা বা খিঁচ ধরা।
১৪। নিজেকে আঘাত করা বা আত্মহত্যা বা মৃত্যুর চিন্তা করা। ইত্যািদি
যদি আপনি উপরের কোনও উপসর্গ চেনা মানুষের মধ্যে লক্ষ্য করেন, আপনি তাঁকে মানসিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেবার কথা বলতে পারেন। এটা গুরুত্বপূর্ণ এই কারণেই যে এই উপসর্গগুলি দেখা গেলেই মানসিক স্বাস্থ্যের ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে সঠিক রোগ নির্ণয় ও উপযুক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি স্থির করতে সাহায্য করে। কারণ অবসাদ কোন দুর্বলতা বা মানসিক অস্থিরতার চিহ্ন নয়; এটা ডায়াবিটিস বা হার্টের রোগের মতই এক অসুস্থতা, যা যে কোন মানুষকে জীবনের যে কোনও সময় আক্রমণ করতে পারে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা দ্বারা অবসাদ সম্পূর্ণ সেরে যায়।


অনেকগুলো উপসর্গের যুগ্ম প্রয়াসই হল অবসাদের কারণ। যার মধ্যে আছে জিনগত সমস্যা, জীবনের কোন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বা দুশ্চিন্তা।
১। মানসিক বিকারঃ অনেক ক্ষেত্রে, নির্ণয় না হওয়া মানসিক ভারসাম্যহীনতা, যেমন অবসেসিভ কমপালসিভ ডিস্‌অর্ডার, সোশ্যাল ফোবিয়া ও স্কিৎজোফ্রেনিয়া-র রোগের পাশাপাশি অবসাদ বা ডিপ্রেশন প্রকাশ রূপে দেখা দেয়। এই সব ক্ষেত্রে মানসিক চিকিৎসকের পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যবেক্ষণ খুবই জরুরি।
২। জীবনের চাপ বা দুশ্চিন্তাঃ একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের সাধারণ দুশ্চিন্তাগুলি কাজ সম্পর্কিত বা পরিবার অথবা বিবাহিত জীবন সম্বন্ধে বা অন্যান্য বিষয়েও হতে পারে।
৩। শারীরিক স্বাস্থ্যের সমস্যাঃ অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও থাইরয়েডের সমস্যা থেকেও অনেক সময় অবসাদ হয়ে থাকে। সেই কারণে মানসিক স্বাস্থ্য চিকিৎসকের সাথে আলোচনার সাথে সাথে অনিয়ন্ত্রিত রোগগুলির কারণ অনুসন্ধান করাও দরকার। হার্টের রোগ, এইচ আই ভি বা ক্যান্সার-এর মত দুরারোগ্য রোগের সাথে লড়াই করতে করতে মানুষ অবসাদের শিকার হন।
৪। পার্সোনালিটি বা ব্যক্তিত্বঃ ব্যক্তিত্বের সমস্যা অথবা বডি ইমেজ, অর্থাৎ অতিরিক্ত মোটা বা রোগা হওয়া, খুব বেঁটে বা লম্বা হওয়া নিয়ে সমস্যা, কম আত্মবিশ্বাস, সব কাজেই অসন্তোষ, স্কুল-কলেজ বা কর্মক্ষেত্রে চাপের সমস্যা – এই সবের মিলিত কারণেও অবসাদ হতে পারে বলে গবেষণায় জানা গেছে। বিশেষ ধরনের ব্যক্তিত্বের মধ্যে (উদ্বেগপ্রবণ, অল্পকিছুকে বড় মনে করা) এই রোগ বেশী হয়।
৫। মদ বা মাদকে আসক্তিঃ বেশীমাত্রায় অ্যালকোহল গ্রহণ অবসাদের কারণ। ড্রাগস বা অন্যান্য ক্ষতিকারক জিনিসের প্রতি আসক্তি মানুষকে পরিবার ও বন্ধু-বান্ধব থেকে আলাদা করে দেয়। অনেকদিন ধরে এই সবের সেবন মানুষকে অবসাদের দিকে ঠেলে দেয়। নানা মানসিক কারণে বিভিন্ন বয়সের মানুষের মধ্যে এই অবসাদ দেখা যায়।
অবসাদ নিয়ে বেশ কয়েকটি উদ্বেগজনক পরিসংখ্যানও দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তার কয়েকটি হলোঃ
ক) বিশ্ব জুড়ে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিরা যে অসুখে সবচেয়ে বেশি ভোগে, সেই তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে অবসাদ।
খ) ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সিরা সারা বিশ্ব জুড়ে যে অসুখে সবচেয়ে বেশি ভোগে, সেই তালিকায় ১৫ নম্বরে রয়েছে অবসাদ।
গ) বিশ্বে অর্ধেকেরও বেশি মানসিক অসুখের সূত্রপাত ১৪ বছর বয়সে। অথচ, বেশিরভাগই নির্ণয় করা যায় না বা নির্ণয় করা গেলেও তার চিকিৎসা শুরু হয় না।
ঘ) সারা বিশ্বে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সিদের মৃত্যুর তৃতীয় বড় কারণ হল আত্মহত্যা।
ঙ) ভারতে পৃথিবীর মধ্যে সব থেকে বেশী মাত্রাতে অবসাদের ঘটনা লক্ষ্য করা যায়।
চ) আশঙ্কার কথা অবসাদ,২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম মানসিক রোগের আকার ধারণ করবে। কারণ ড্রিপেশন বা বিষণ্ণতাকে অনেকেই তেমন কোনো গুরুত্ব দেন না৷ ডিপ্রেশন সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা থাকার কারণেই এমনটা ভাবেন তাঁরা৷


মানসিক অবসাদ দূর করতে কিছু টিপসঃ
১। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। স্ট্রেস কমানোর অব্যর্থ দাওয়াই যোগ ব্যায়াম।
২। সুষম খাবার। জাঙ্ক ফুড বা ভাজাভুজি জাতীয় খাবার ছেড়ে ডায়েটে সুষম খাবার রাখুন।
৩। ঘুম শরীর ও মনকে সতেজ রাখে। অন্তত আট ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
৪। পছন্দের কাজগুলো করুন: গতানুগতিক কাজের বাইরে যে কাজ করতে মন চায় সেটা করুন।
৫। নেতিবাচক চিন্তা এড়িয়ে চলুন। মনে খারাপ চিন্তা এলে ভাল কিছু ভাবুন।
৬। নিজের জন্য সময় বার করুন। আধঘণ্টার জন্য হলেও নিজেকে নিয়ে একটু ব্যস্ত থাকুন।
৭। স্ট্রেস এড়িয়ে চলুন। টেনশন থেকে যত সম্ভব দূরে থাকুন।
৮। এক্সপেক্টেশন করা ছেড়ে দিন। কারোর কাছ থেকে কিছু আশা করবেন না।
জীবনে অনেক মুহূর্ত আসে যখন মানুষের সামনে অনেক সমস্যা থাকলেও তার সমাধান পাওয়া যায়না। মনে রাখবেন আপনি নিজেই আপনার সমস্যার সমাধান করতে পারেন। সময় সব সমস্যাকে কাটিয়ে দেয়। খারাপ সময়ে হেরে গেলে চলবে না। নিজেকে ভালো রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করুন। যার সাথে যে পরিস্থিতিতে আপনি একটু ভালো থাকবেন সেই চেষ্টা করুন। নিজের কাছের মানুষদের সাথে আলোচনা করুন।প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের মতামত নিন। মনে রাখতে হবে জগতটা শুধু নিজেকে নিয়ে নয়৷ নিজের দুঃখ, কষ্ট, কঠিন সমস্যার গণ্ডির বাইরেও আছে এক বৃহত্তর পৃথিবী৷ অন্যরাও সেখানে পুরোপুরি সুখি নয়৷ তাদের সঙ্গে যোগাযোগ, সম্ভব হলে তাদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে নিজের মনও শান্ত হতে পারে৷ অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নিজের জগত দেখলে নতুন উপলব্ধি জাগতে পারে৷তাই অবসাদে আত্মহত্যা নয়, বেঁচে থাকাই সঠিক সিদ্ধান্ত।
সূত্রঃ NYC Health
নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
ব্রেকিং নিউজ২৪.কম :-& ফেসবুক-১ :-& ফেসবুক-২
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মে, ২০২১ বিকাল ৫:৩৯
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের খারাপ দিনের পর

লিখেছেন সামিয়া, ০৫ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪




আমার মাথা যেন আর কাজ করছিল না। বাইরে থেকে আমি স্বাভাবিক হাঁটছি, চলছি, পড়ছি, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছি কিন্তু ভেতরে ভেতরে আমি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিলাম মায়ের কথা ছোট বোনটার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিংকর্তব্যবিমূঢ়

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৫ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৩৩


দীর্ঘদিন আগে আমার ব্যক্তিগত ব্লগ সাইটের কোন এক পোস্টে ঘটা করে জানান দিয়ে ফেইসবুক থেকে বিদায় নিয়েছিলাম। কারণ ছিলো খুব সাধারন বিষয়, সময় অপচয়। স্ক্রল করে করে মানুষের আদ্য-পান্ত জেনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গেরুয়া মানচিত্রে পশ্চিমবঙ্গ: একটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও শিক্ষা।

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৮


দীর্ঘ ১৫ বছরের টিএমসির শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের এই ভূমিধস জয়ের পেছনে অবশ্য মোদি ম্যাজিকের চেয়ে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার ব্যর্থতার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা: ইতিহাসের প্রতি অবমাননা।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৩

বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা: ইতিহাসের প্রতি অবমাননা।
=======================================
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে যাঁরা অমর হয়ে আছেন, তাঁদের অন্যতম হলেন তোফায়েল আহমেদ। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে মহান... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিজের দোষ দেখা যায় না, পরের দোষ গুনে সারা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই মে, ২০২৬ রাত ২:১০


ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পতন নিয়ে বাংলাদেশে যে পরিমাণ চুলচেরা বিশ্লেষণ হচ্ছে, তা দেখে অবাক না হয়ে উপায় নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকলেই দেখা যায় অদ্ভুত সব তত্ত্ব। ফেইসবুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×